ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

প্রায় ৫ কোটি টাকার পানি শোধনাগার অচল, মিলছে না নিরাপদ পানি


সিফাত মাহমুদ হৃদয়
সিফাত মাহমুদ হৃদয় বরগুনা প্রতিনিধি

প্রায় ৫ কোটি টাকার পানি শোধনাগার অচল, মিলছে না নিরাপদ পানি
বরগুনার বেতাগী পৌরভায় প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত আধুনিক পানি শোধনাগারটি (সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট)।

বরগুনার বেতাগী পৌরবাসীর নিরাপদ পানির সংকট নিরসনে কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি চালু হওয়ার আগেই অচল হয়ে পড়েছে। নির্মাণ শেষ হওয়ার পর এক বছর পার হলেও পাইপলাইনের ত্রুটি, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা দক্ষ জনবলের অভাবে প্ল্যান্টটি থেকে পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্ল্যান্টের বিভিন্ন ট্যাংকে শেওলা, আবর্জনা কচুরিপানা জমেছে। ফিল্টারিং ইউনিট অন্যান্য যন্ত্রপাতিতে ধুলাবালি মরিচা ধরেছে। নদী থেকে পানি সংগ্রহের ইনটেক পয়েন্টেও পলি জমেছে।

কার্যাদেশ অনুযায়ী ১৮ মাসে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন বছর পর ২০২৫ সালের ১৫ জুন প্রকল্পটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরীক্ষামূলক পানি সরবরাহের সময় বিভিন্ন স্থানে পাইপলাইন ফেটে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে।

প্ল্যান্টটি কেন চালু হয়নি, তা নিয়ে পৌরসভা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য রয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের দাবি, নির্ধারিত নকশা মান বজায় রেখেই কাজ হয়েছে। তবে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিনের অভিযোগ, কাজের মান নিম্নমানের এবং ব্যাপক সংস্কার ছাড়া প্ল্যান্ট চালু করা সম্ভব নয়।

প্ল্যান্টের কেয়ারটেকার মো. খোকন তালুকদার বলেন, কয়েকবার পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হলেও বর্তমানে বিদ্যুৎ পানি সরবরাহ না থাকায় প্ল্যান্টটি অচল।

বেতাগী পৌরসভার প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহ. সাদ্দাম হোসেন বলেন, পাইপলাইনের ত্রুটি চিহ্নিত করে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে দ্রুত প্ল্যান্টটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিষয় : বেতাগী পানি সংকট পানি শোধনাগার

দৈনিক নবকাল

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


প্রায় ৫ কোটি টাকার পানি শোধনাগার অচল, মিলছে না নিরাপদ পানি

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বরগুনার বেতাগী পৌরবাসীর নিরাপদ পানির সংকট নিরসনে কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টটি চালু হওয়ার আগেই অচল হয়ে পড়েছে। নির্মাণ শেষ হওয়ার পর এক বছর পার হলেও পাইপলাইনের ত্রুটি, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা দক্ষ জনবলের অভাবে প্ল্যান্টটি থেকে পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্ল্যান্টের বিভিন্ন ট্যাংকে শেওলা, আবর্জনা কচুরিপানা জমেছে। ফিল্টারিং ইউনিট অন্যান্য যন্ত্রপাতিতে ধুলাবালি মরিচা ধরেছে। নদী থেকে পানি সংগ্রহের ইনটেক পয়েন্টেও পলি জমেছে।

কার্যাদেশ অনুযায়ী ১৮ মাসে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন বছর পর ২০২৫ সালের ১৫ জুন প্রকল্পটি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরীক্ষামূলক পানি সরবরাহের সময় বিভিন্ন স্থানে পাইপলাইন ফেটে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে।

প্ল্যান্টটি কেন চালু হয়নি, তা নিয়ে পৌরসভা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য রয়েছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরের দাবি, নির্ধারিত নকশা মান বজায় রেখেই কাজ হয়েছে। তবে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জসিম উদ্দিনের অভিযোগ, কাজের মান নিম্নমানের এবং ব্যাপক সংস্কার ছাড়া প্ল্যান্ট চালু করা সম্ভব নয়।

প্ল্যান্টের কেয়ারটেকার মো. খোকন তালুকদার বলেন, কয়েকবার পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হলেও বর্তমানে বিদ্যুৎ পানি সরবরাহ না থাকায় প্ল্যান্টটি অচল।

বেতাগী পৌরসভার প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহ. সাদ্দাম হোসেন বলেন, পাইপলাইনের ত্রুটি চিহ্নিত করে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে দ্রুত প্ল্যান্টটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে।


দৈনিক নবকাল

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কায়েস আহমেদ সেলিম
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নবকাল
প্রায় ৫ কোটি টাকার পানি শোধনাগার অচল, মিলছে না নিরাপদ পানি
0:00 0:00
1.0x