ঢাকা    সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
বন্যা পুনর্বাসনে সরকার একা নয়, অংশীদার হচ্ছে বেসরকারি খাত ও এনজিও: অর্থমন্ত্রী

বন্যা পুনর্বাসনে সরকার একা নয়, অংশীদার হচ্ছে বেসরকারি খাত ও এনজিও: অর্থমন্ত্রী

বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর সমন্বিত অংশীদারত্ব গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।রোববার সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ‘বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার ও পুনর্বাসন সহায়তা’ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের কার্যক্রমকে শুধু সরকারি ব্যবস্থার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর সক্ষমতাকেও কাজে লাগানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে নতুন ধরনের অর্থনৈতিক মডেল তৈরি হচ্ছে, যেখানে বিভিন্ন পক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে।ত্রাণ বিতরণে দক্ষতার ওপর গুরুত্বআমির খসরু বলেন, দুর্যোগের পর ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ও সঠিকভাবে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দেশে ত্রাণ ও সহায়তা বিতরণের ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অপচয় এবং ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে অনেক সময় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায় না।সরকার প্রাথমিক পর্যায়ে জরুরি সহায়তা দেওয়ার কাজ করলেও পুনর্বাসনের পরবর্তী ধাপে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও এনজিওকে যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা এবং অন্যান্য পুনর্বাসন কার্যক্রমে এসব প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।ফ্যামিলি কার্ডে ত্রুটি ১.২ শতাংশফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্পের প্রসঙ্গ তুলে অর্থমন্ত্রী বলেন, এতে ১ দশমিক ২ শতাংশ ত্রুটি পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই ত্রুটির হার খুবই কম বলে মন্তব্য করেন তিনি।তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা দলীয় পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের পক্ষপাতিত্বের সুযোগ রাখা হবে না।দুর্নীতি কমাতে বেসরকারি অংশীদারত্বঅর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের একার পক্ষে সব ধরনের সহায়তা কার্যক্রম দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা কঠিন। সেখানে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলো যুক্ত থাকলে কাজের গতি ও দক্ষতা বাড়ে এবং অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগ কমে।তিনি বলেন, বন্যা-পরবর্তী কার্যক্রমে এখন পর্যন্ত তাঁর জানা মতে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। সংবাদমাধ্যমেও এ ধরনের কোনো অভিযোগ তিনি দেখেননি বলে জানান।৩ পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন ব্যবস্থাকে সরকারের কার্যকর সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন আমির খসরু।তিনি বলেন, এসব ব্যবস্থা একদিকে সহায়তা বিতরণের তদারকি করছে, অন্যদিকে সরকারের সম্পদের অপচয় ও দুর্নীতি রোধে ভূমিকা রাখছে।বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে ব্র্যাকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর এই যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের যথাযথ পুনর্বাসন নিশ্চিত না হলে কোনো সহায়তাকেই পূর্ণাঙ্গ সহায়তা বলা যায় না। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আমিরুল হক চৌধুরী, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

চলতি বছরেই নতুন পে স্কেল ঘোষণা: অর্থমন্ত্রী

চলতি বছরের মধ্যেই নতুন পে স্কেল ঘোষণা ও বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ নিয়ে সরকার কাজ করছে এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।সোমবার দুপুরে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পে স্কেল-সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পে স্কেল নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। এ কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আবারও বৈঠকে বসবে।তিনি বলেন, নতুন পে স্কেল সময়মতো বাস্তবায়ন করা হবে। চলতি বছরের মধ্যেই এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, পে স্কেল বিষয়ে চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে তা সবার সামনে তুলে ধরা হবে। এ ক্ষেত্রে সরকার সংশ্লিষ্ট সব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।তিনি সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই সরকারের পক্ষ থেকে পে স্কেল নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

চলতি বছরেই নতুন পে স্কেল ঘোষণা: অর্থমন্ত্রী