ঢাকা    শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
বিদায়ী ম্যাচে মেসির হাতে লাল-হলুদ কার্ড

বিদায়ী ম্যাচে মেসির হাতে লাল-হলুদ কার্ড

আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নেমেছিলেন লিওনেল মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ৩–০ গোলের জয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটি স্মরণীয় করে রেখেছেন আর্জেন্টাইন তারকা। নিজে গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দুটি গোলে সহায়তা করেছেন তিনি।তবে ম্যাচ শেষে মেসিকে ঘিরে তৈরি হয় অন্যরকম এক মুহূর্ত। বিদায়ী ম্যাচের স্মৃতি হিসেবে রেফারি তাঁর হাতে তুলে দেন একটি হলুদ ও একটি লাল কার্ড।অবশ্য কার্ড দুটি কোনো শাস্তির প্রতীক ছিল না। মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচটিকে বিশেষ করে তুলতেই রেফারির এই উদ্যোগ।ম্যাচ শেষে মাঠে মেসিকে ঘিরে সতীর্থ ও সমর্থকদের উদযাপন চলছিল। সেই সময় রেফারি তাঁর হাতে দুটি কার্ড তুলে দেন। ফুটবলে সতর্কতা ও বহিষ্কারের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত কার্ড দুটি মেসির বিদায়বেলায় হয়ে ওঠে স্মারক উপহার।ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয় হাস্যরস। অনেকেই মজা করে বলছেন, আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলতে নেমে মেসি শেষ পর্যন্ত ‘লাল-হলুদ’ দুই কার্ডই পেলেন।তবে এই উপহারের পেছনে ছিল প্রতীকী বার্তা। দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে মেসিকে একটু ভিন্ন ধরনের স্মৃতি উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছেন রেফারি।কার্ডের চেয়েও অবশ্য বেনিনের বিপক্ষে মেসির পারফরম্যান্সই ছিল বিদায়ের মূল আকর্ষণ। শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচে একটি গোল করার পাশাপাশি দুটি গোলে সহায়তা করেছেন তিনি। তাঁর পারফরম্যান্সে ৩–০ গোলের জয় পায় আর্জেন্টিনা।এই জয়ের মধ্য দিয়ে জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির দীর্ঘ পথচলার ইতি ঘটল। আর বিদায়ের রাতে রেফারির দেওয়া লাল-হলুদ কার্ড জোড়া তাঁর স্মৃতির পাতায় যোগ করল এক অভিনব অধ্যায়।

মেসির বিদায়, আর্জেন্টিনা শিবিরে আনন্দের সঙ্গে বিষাদ

আন্তর্জাতিক ফুটবলে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ ঘিরে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের শিবিরে এখন আবেগঘন পরিবেশ। বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর ৫টায় মনুমেন্টালে বেনিনের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। ৩৯ বছর বয়সী মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হতে যাচ্ছে এটি। বিদায়ের ক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, সতীর্থদের কথায় ততই ফুটে উঠছে আনন্দ, ভালোবাসা ও বিচ্ছেদের বেদনা।কয়েক দিন আগেই বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে ৭-০ গোলের বড় জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু সেই জয়ের উচ্ছ্বাসের চেয়েও এখন দলের ভেতরে বড় হয়ে উঠেছে মেসির বিদায়ের মুহূর্ত।মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের কাছে এই সময়টা মেসির সঙ্গে কাটানোর। তিনি বলেন, ‘আমরা একসঙ্গে বারবিকিউ খাব, এই দিনগুলো ওর সঙ্গে উপভোগ করব। এটা ওর প্রাপ্য। আমরা চাই, ওর বিদায়টা হোক দারুণ, যেন সে সত্যিই উপভোগ করতে পারে।’তরুণ সান্তিয়াগো কাস্ত্রোর জন্য মুহূর্তটি আরও বিশেষ। ২২ বছর বয়সী এই ফুটবলার প্রথমবারের মতো মেসির সঙ্গে একই ড্রেসিংরুম ভাগ করতে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এই প্রথম আমি মেসির সঙ্গে দেখা করব। আগে কখনো একসঙ্গে ড্রেসিংরুমে থাকা হয়নি। অনুভূতিটা খুবই বিশেষ। তবে একটু দুঃখও আছে... তিনিই আমাকে বলের প্রেমে ফেলেছেন, জাতীয় দলকে ভালোবাসতে শিখিয়েছেন।’রাইটব্যাক অগাস্তিন হিয়াইয়ের অনুভূতিতেও আনন্দের পাশাপাশি বিষাদের ছাপ। তাঁর ভাষায়, ‘খুব বিশেষ একটা রাত হতে যাচ্ছে, আবেগ থাকবে। দিনটা দুঃখের, আবার আনন্দেরও; কারণ, ও এভাবে বিদায় জানাতে পারছে।’মেসিকে ছোটবেলা থেকে দেখে বেড়ে ওঠা মিডফিল্ডার জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি মনে করেন, তাঁর বিদায়ে আর্জেন্টিনা দলে তৈরি হবে বড় শূন্যতা। তিনি বলেন, ‘ওকে দেখে বড় হয়েছি। বিদায়ের সময় উপস্থিত থাকাটা দারুণ ব্যাপার হবে। আবার বিশাল দুঃখেরও। আর ও জাতীয় দলে থাকবে না, এ এক বিশাল শূন্যতা।’২৩ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড মাতিয়াস সুলের কাছেও মেসির বিদায় একই সঙ্গে আনন্দ ও কষ্টের। তিনি বলেন, ‘ও সারা বিশ্বের আইডল, আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের নায়ক। ব্যাপারটা আমার জন্য দুঃখের, আবার একই সঙ্গে চমৎকার।’মেসির ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজও আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। কথা বলার সময় চোখ মুছতে দেখা যায় তাঁকে। মার্তিনেজ বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করব ও যেন যতটা সম্ভব উপভোগ করতে পারে। তাকে ভালোবাসায় ভাসাবো, চুমুতে ভরিয়ে দেব। সে যাতে খুশিমনে বিদায় নিতে পারে, সব চেষ্টা করব।’আর্জেন্টিনার হয়ে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মেসি জিতেছেন অসংখ্য শিরোপা, গড়েছেন বহু রেকর্ড, করেছেন অগণিত গোল। তাঁর বিদায়ের আগে সতীর্থদের চাওয়াটা তাই খুব বড় কিছু নয়—শেষ ম্যাচটিতে মেসি যেন উপভোগ করেন মুহূর্তগুলো, আর মাঠ ছাড়েন তাঁর চেনা সেই লাজুক হাসি নিয়ে।তবে সেই বিদায়ের রাতে সতীর্থদের চোখের জল হয়তো মেসিকেও আবেগাপ্লুত করবে। ফুটবলকে বিদায় জানানোর পথে প্রিয় সতীর্থদের সঙ্গে এই কান্নাটুকুও হয়তো তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের স্মৃতির অংশ হয়ে থাকবে।

মেসির বিদায়, আর্জেন্টিনা শিবিরে আনন্দের সঙ্গে বিষাদ

মেসির বিদায়ে স্ত্রী আন্তোনেলার পোষ্ট

আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে লিওনেল মেসির অবসরের খবরে বিশ্ব ফুটবলে তৈরি হয়েছে আবেগঘন পরিবেশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতীয় দলের হয়ে নিজের বিদায়ের ঘোষণা দেওয়ার পর মেসির সতীর্থ ও ঘনিষ্ঠজনেরা তাঁকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিচ্ছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ দিলেন তাঁর স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো।জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির দীর্ঘ পথচলার উত্থান-পতনের অনেকটাই কাছ থেকে দেখেছেন আন্তোনেলা। প্রেমিকা থেকে স্ত্রী হয়ে ওঠার এই সময়ে মেসির সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতা ও কঠিন সময়ও দেখেছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতার কথাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেছেন আন্তোনেলা।ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় মেসির জাতীয় দলের অধ্যায়ের সমাপ্তি দেখে নিজের গর্বের কথা জানান তিনি। মেসির দীর্ঘ যাত্রার স্মৃতিচারণ করে আন্তোনেলা লেখেন, ‘কত বছর, কত মুহূর্ত, কত আনন্দ; আবার কত হতাশা ও কঠিন সময়ও ছিল। আমি তোমাকে কষ্ট পেতে দেখেছি, পড়ে যেতে দেখেছি, আবার উঠে দাঁড়াতেও দেখেছি। যখন কিছুই তোমার পক্ষে যাচ্ছিল না, তখনও তোমাকে লড়াই করে যেতে এবং বারবার চেষ্টা করতে দেখেছি।’মেসির স্বপ্নপূরণের সাক্ষী হতে পারাকে নিজের জন্য সৌভাগ্যের বলে উল্লেখ করেছেন আন্তোনেলা। তিনি বলেন, ‘এত বছর পর আমি সৌভাগ্যবান যে তোমাকে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে দেখেছি এবং আমাদের জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলোর কিছু মুহূর্ত তোমার সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরেছি।’মেসির ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে তাঁর পরিবারের উপস্থিতি ছিল। সম্প্রতি মেসির বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর পরিবারটিও শোকের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যেই মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি বাবা হিসেবে তাঁর ভূমিকার কথাও তুলে ধরেছেন আন্তোনেলা।তিনি লেখেন, ‘এই পুরো গল্পের একটি বিষয় আমাকে বিশেষভাবে আবেগাপ্লুত করে; আমাদের সন্তানরা সবকিছু নিজেদের চোখের সামনে থেকে দেখেছে। তারা দেখেছে, তাদের বাবা কীভাবে নিজের লক্ষ্যের জন্য লড়াই করেছে, কখনো হাল ছাড়েনি এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিশ্বাস ধরে রেখেছে। এরপর তারা নিজের চোখে দেখেছে, সে কীভাবে সব অর্জন করেছে এবং বিশ্বকাপ উচিয়ে ধরেছে।’মেসি ও আন্তোনেলার তিন ছেলে থিয়াগো, মাতেও ও চিরো। তাদের বয়স যথাক্রমে ১৩, ১০ ও ৮ বছর। বাবার অর্জনের ব্যাপকতা তারা এখনো পুরোপুরি বুঝতে না পারলেও তাঁকে নিয়ে গর্বিত বলে জানান আন্তোনেলা।তিনি লেখেন, হয়তো একদিন তারা সত্যিই বুঝতে পারবে তোমার গল্প কতটা বিশাল। কিন্তু আজ তারা শুধু তাদের বাবাকে নিয়ে গর্বিত।বার্তার শেষ দিকে মেসির প্রতি ভালোবাসা ও গর্বের কথা জানিয়ে আন্তোনেলা লেখেন, ‘আমি তোমাকে নিয়ে গর্বিত; তোমার পথচলা, তুমি যা কিছু অতিক্রম করে এসেছ এবং সবচেয়ে বেশি গর্বিত সেই মানুষটির জন্য, যে প্রতিটি মুহূর্তের পেছনে ছিল। তোমার পাশে থেকে এসব অভিজ্ঞতার অংশ হতে পারা কত বড় সৌভাগ্য! আমরা তোমাকে অসীম ভালোবাসি।’ সূত্র: টিওয়াইসি স্পোর্টস

মেসির বিদায়ে স্ত্রী আন্তোনেলার পোষ্ট

বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে রোজারিওতে মেসি

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ৬৮ বছর বয়সে মারা যাওয়া বাবা হোর্হে মেসিকে শেষ বিদায় জানাতে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে ফিরেছেন লিওনেল মেসি।বাবার মৃত্যুর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আর্জেন্টিনার উদ্দেশে রওনা দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ফোর্ট লডারডেল থেকে যাত্রা করে স্থানীয় সময় শনিবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে রোজারিওতে পৌঁছান তিনি। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো ও সন্তানরা। বিমানবন্দর থেকে পুলিশের নিরাপত্তাবেষ্টনীতে একটি ভ্যানে করে বের হন মেসি।রোজারিওর কাছের শহর পেরেজে হোর্হে মেসিকে সমাহিত করা হবে। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, শেষকৃত্য হবে একান্ত পারিবারিক পরিসরে। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতেই বাবাকে শেষ বিদায় জানাবেন মেসি।তবে শেষকৃত্যের স্থান ঘিরে এরই মধ্যে ভিড় করেছেন মেসির অসংখ্য ভক্ত। প্রিয় তারকার কঠিন সময়ে পাশে থাকার বার্তা দিতেই সেখানে জড়ো হয়েছেন তাঁরা।মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারে হোর্হে মেসির অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছেলের পাশে ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে মেসির এজেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ফলে বাবার মৃত্যু মেসির ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি তাঁর ফুটবল ক্যারিয়ারেও বড় শূন্যতা তৈরি করেছে।হোর্হে মেসির মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ, রোজারিও সেন্ট্রাল ও নিউয়েলস ওল্ড বয়েজসহ ফুটবল বিশ্বের বিভিন্ন ক্লাব ও প্রতিষ্ঠান মেসি পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে রোজারিওতে মেসি

রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ফিওরেন্তিনায় ধারে মাস্তানতুয়োনো

আর্জেন্টিনার তরুণ প্রতিভা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনোকে এক মৌসুমের জন্য ইতালিয়ান ক্লাব ফিওরেন্তিনায় ধারে পাঠিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। দুই ক্লাব পৃথক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ফিওরেন্তিনায় থাকবেন ১৮ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। তবে ধারের চুক্তিতে তাকে স্থায়ীভাবে দলে নেওয়ার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। ফলে আগামী মৌসুম শেষে ফিওরেন্তিনা চাইলেও মাস্তানতুয়োনোকে কিনতে পারবে না; তাঁকে রিয়াল মাদ্রিদেই ফিরতে হবে।বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সম্ভাবনাময় তরুণ হিসেবে গত বছর আর্জেন্টিনার ক্লাব রিভার প্লেট থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন মাস্তানতুয়োনো। তবে স্প্যানিশ ক্লাবটিতে তাঁর অভিষেক মৌসুম প্রত্যাশা অনুযায়ী উজ্জ্বল ছিল না। ৩৫ ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি গোল করেছেন মাত্র তিনটি। বেশির ভাগ ম্যাচেই বদলি হিসেবে খেলেছেন তিনি।জাতীয় দলের হয়ে অবশ্য এরই মধ্যে ইতিহাস গড়েছেন মাস্তানতুয়োনো। গত বছরের জুনে আর্জেন্টিনার হয়ে অভিষেকের সময় তাঁর বয়স ছিল ১৭ বছর ২৯৬ দিন। এর মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জার্সিতে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হওয়ার রেকর্ড গড়েন তিনি।রিয়ালে নিয়মিত খেলার সুযোগ না পাওয়া এবং প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারার কারণে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনা দলেও জায়গা হয়নি তাঁর। ফিওরেন্তিনায় এক মৌসুম নিয়মিত খেলার সুযোগ পেলে ক্যারিয়ার নতুনভাবে গুছিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য আরও মেলে ধরতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।নতুন ক্লাবে যোগ দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মাস্তানতুয়োনো। তিনি বলেন, ‘আমার জন্য এটি বিশেষ একটি দিন। দারুণ ইতিহাসসমৃদ্ধ এই ক্লাবে যোগ দেওয়ার জন্য আমি মুখিয়ে ছিলাম।’রিয়াল মাদ্রিদের প্রত্যাশা, ফিওরেন্তিনায় নিয়মিত খেলার সুযোগ পেয়ে এই তরুণ আর্জেন্টাইন আরও পরিণত হয়ে উঠবেন এবং ভবিষ্যতে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ফিওরেন্তিনায় ধারে মাস্তানতুয়োনো