ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
আধুনিক ও মাদকমুক্ত আরশিনগর গড়তে চান ফরিদ আহাম্মদ বালা

আধুনিক ও মাদকমুক্ত আরশিনগর গড়তে চান ফরিদ আহাম্মদ বালা

শরীয়তপুরের সখিপুরের আরশিনগর ইউনিয়নকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, শান্তিপূর্ণ ও মাদকমুক্ত মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ফরিদ আহাম্মদ বালা। দীর্ঘদিন ধরে মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার মধ্য দিয়ে এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর আরশিনগর ইউনিয়নের চরমহিষখালী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ফরিদ আহাম্মদ। বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। বর্তমানে চিকিৎসাসেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত ফরিদ ফুটবল খেলোয়াড় ও সমাজসেবক হিসেবেও পরিচিত।নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন বলে জানিয়েছেন ফরিদ আহাম্মদ। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে বৃক্ষরোপণ, হতদরিদ্র পরিবারকে ছাগল ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া, অসহায় রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করা।ফরিদ আহাম্মদের দাবি, গত ১০ থেকে ১২ বছর ধরে প্রতি রমজানে দরিদ্র পরিবারের মধ্যে ইফতারসামগ্রী বিতরণ করছেন তিনি। পাশাপাশি এলাকার তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলার চেষ্টা করছেন।চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করার প্রত্যয় জানিয়েছেন এই প্রার্থী। ফরিদ আহাম্মদ বলেন, ‘চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আমার এলাকায় মাদক, ইভটিজিং, হানাহানি, অবৈধ জমি দখল ও সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধে কাজ করব। ইউনিয়নের রাস্তাঘাট উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আরশিনগরকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, ইনশাআল্লাহ।’রাজনৈতিকভাবে ফরিদ আহাম্মদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একজন কর্মী। তিনি শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব সফিকুর রহমান কিরণের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত।আরশিনগর ইউনিয়নকে উন্নত, সমৃদ্ধ ও মাদকমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেছেন ফরিদ আহাম্মদ। একই সঙ্গে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সর্বস্তরের মানুষের সমর্থন ও দোয়া চেয়েছেন তিনি।নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও জনসেবার প্রত্যয় তুলে ধরে ফরিদ আহাম্মদ বালা বলেন, ‘আমি যতদিন বাঁচব, ততদিন গরিব-দুঃখী মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করব।

পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রথম ভোট ২১ জানুয়ারি ২০২৭

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পাঁচ ধাপে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী বছর, অর্থাৎ ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি, প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শেষে এ তথ্য জানানো হয়।সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি দেশের ৮১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি ৭২৭টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ করা হবে।নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, তৃতীয় ধাপের ভোট হবে ২০২৭ সালের ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ধাপে ২৭ মে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।এর আগে সোমবার বেলা ১১টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ সভা শুরু হয়।বৈঠকে অন্য চার নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন, প্রথম ভোট ২১ জানুয়ারি ২০২৭

চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট হবে ধাপে ধাপে

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ব্যয় সংকোচন নীতি এবং শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দেশের সব ইউনিয়নে একসঙ্গে ভোট না করে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজন করা হবে।রোববার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এসব তথ্য জানান।নির্বাচন কমিশনার বলেন, দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের যে আবহ তৈরি হয়েছে, তার অংশ হিসেবে চলতি মাসের শেষেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হবে।দেশের সব ইউনিয়নে একসঙ্গে নির্বাচন আয়োজন অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে কঠিন বলে উল্লেখ করেন তিনি। সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে দেশের সব ইউপিতে ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। সাধারণত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষকেরা প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন।তাই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও পরীক্ষার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে পরীক্ষার সময় বাদ দিয়ে ইউপি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে। পরীক্ষার আগে অথবা পরে ভোট আয়োজনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে জানান তিনি। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, রাজনীতিতে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অংশগ্রহণের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে সরাসরি নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ দেওয়া হয়েছে।

চলতি মাসেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল, ভোট হবে ধাপে ধাপে

বেলাব সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা এ কে এম আক্তারুজ্জামান

নরসিংদীর বেলাব উপজেলার বেলাব সদর ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন গাংকুলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এ কে এম আক্তারুজ্জামান। সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা দীর্ঘদিন দেশের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।স্থানীয়ভাবে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত আক্তারুজ্জামানকে মানুষের পাশে থাকা একজন সমাজসেবক হিসেবে উল্লেখ করছেন তাঁর পরিচিতজনেরা। মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণে বেলাব সদর ইউনিয়নের মানুষের মধ্যে তাঁর প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।গাংকুলপাড়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের যোগাযোগ রয়েছে। সাবেক সেনা কর্মকর্তা হিসেবে দেশের সেবায় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় পর্যায়েও মানুষের জন্য কাজ করতে চান তিনি।এ কে এম আক্তারুজ্জামান মনে করেন, জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, মানুষের সমস্যা শোনা এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করা সম্ভব। এ কারণে চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পেলে বেলাব সদর ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে বেলাব সদর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আক্তারুজ্জামানের দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততা ও দেশের সেবায় কাজ করার অভিজ্ঞতাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন তাঁর সমর্থকেরা। এ কে এম আক্তারুজ্জামানের প্রত্যাশা, মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ভবিষ্যতে বেলাব সদর ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনকল্যাণে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারবেন।

বেলাব সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা এ কে এম আক্তারুজ্জামান