ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ইরান ইউরোপে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার কথা ভাবছে

ইরান ইউরোপে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার কথা ভাবছে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাত আরও তীব্র হলে ইউরোপে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছে ইরান। সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় বুলগেরিয়া ও সাইপ্রাসের মার্কিন সামরিক স্থাপনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। ইরানি সরকারের দুটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যমটি।এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা কার্যত ভেস্তে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে বর্তমানে ওয়াশিংটনের কোনো আলোচনা চলছে না। নতুন করে আলোচনা শুরুরও কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।এর মধ্যেই বুধবার ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য, বাণিজ্যিক বিনিময় ও আর্থিক লেনদেন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনাযুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালি। ট্রাম্প বারবার দাবি করছেন, গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি খোলা রয়েছে এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে স্বাভাবিকভাবে জাহাজ চলাচল করছে। তবে বাস্তবে প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা এখনো খুব কম।চলতি সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। ইরানের এক সামরিক মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে ফক্স নিউজ জানিয়েছে, প্রণালি দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করা জাহাজগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।মিত্রদেরও সতর্ক করছেন ট্রাম্পমধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে সহযোগিতা না করার অভিযোগে দীর্ঘদিনের মিত্রদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প। ওমানকে তাঁর মধ্যপ্রাচ্য নীতির পথে বাধা না দেওয়ার সতর্কবার্তা দিয়েছেন তিনি।এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর নির্দেশও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। ইউরোপে মার্কিন সামরিক স্থাপনা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হলে সংঘাতের পরিধি আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।অন্যদিকে হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়ে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে।সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস ও সিএনবিসি