গবেষণা থেকে বাস্তব সমাধানের পথে এআইইউবির উদ্যোগ
গবেষণাকে বাস্তব
প্রয়োগের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি) আয়োজন করেছে গবেষণা ও উদ্ভাবনবিষয়ক অনুষ্ঠান
‘গবেষণা থেকে বাস্তবতা’ কীভাবে
আমরা বৈদ্যুতিক ও প্লাগ-ইন
হাইব্রিড যানবাহনের সম্ভাব্যতা প্রকল্প তৈরি করেছি। অনুষ্ঠানে
তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং বৈদ্যুতিক
যানবাহন নিয়ে গবেষণা ও
উদ্ভাবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা
হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩লিফ টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শাহ তাজুল ইসলাম রুমেল ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ইর্তিজা আহম্মদ রাইফা। অনুষ্ঠানে এআইইউবির উপাচার্য, অধ্যাপক, শিক্ষক, গবেষক, বিশেষ অতিথি ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এ সময় এআইইউবির গবেষণা দলের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের
প্রচলিত তিন চাকার রিকশার
বিকল্প হিসেবে বৈদ্যুতিক যানবাহন ও প্লাগ-ইন
হাইব্রিড বৈদ্যুতিক যানবাহন নিয়ে শিক্ষার্থীদের গবেষণার
বিষয়টি গুরুত্ব পায়। সংশ্লিষ্টদের মতে,
এ ধরনের গবেষণা পরিবেশবান্ধব পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা
কমানো, স্মার্ট ও নিরাপদ চলাচল
এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।অনুষ্ঠানে ৩লিফ
টেকনোলজিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান শাহ তাজুল ইসলাম
রুমেল বলেন- বড় কোনো প্রকল্প
বাস্তবায়নের আগে গবেষণা ও
সম্ভাব্যতা যাচাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক গবেষণার মাধ্যমে
একটি সম্ভাবনাময় ধারণাকে বাস্তব, কার্যকর ও টেকসই প্রকল্পে
রূপ দেওয়া সম্ভব।প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ
থেকে এআইইউবির শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে
ভবিষ্যতে শিল্পপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক গবেষণা, উদ্ভাবন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি ও টেকসই পরিবহন
নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহের
কথাও জানানো হয়।সংশ্লিষ্টরা মনে
করেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ
তরুণ গবেষকদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তব সমাধানে রূপ দিতে পারে।
গবেষণা যেন শুধু গবেষণাপত্রে
সীমাবদ্ধ না থেকে উদ্ভাবন
ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনে কার্যকর প্রভাব ফেলে, এ ধরনের উদ্যোগ
সেই পথ তৈরি করতে
পারে।অনুষ্ঠানে
তরুণদের গবেষণা, মেধা ও উদ্ভাবনী
চিন্তাকে বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব
দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা,
গবেষণা থেকে উদ্ভাবন, উদ্ভাবন
থেকে বাস্তবায়ন এবং সেখান থেকে
মানুষের জন্য কার্যকর সমাধানের
পথ তৈরি হবে।