ঢাকা    বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
বেলাবতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি পিয়াল গ্রেপ্তার

বেলাবতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি পিয়াল গ্রেপ্তার

নরসিংদীর বেলাব উপজেলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় মো. এহসান উল্লাহ পিয়াল (৩২) নামে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।গ্রেপ্তার পিয়াল নিলক্ষীয়া নামাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত জহিরুল হক ওরফে উল্লাহর ছেলে। তাঁর মা মোসা. খাদিজা বেগম। পিয়াল বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বেলাব থানায় দায়ের করা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটির নম্বর ১৬ এবং তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫। এতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর (সংশোধনী ২০১৩) ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় মামলা করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ওই মামলার ধারায় পিয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়ার জন্য আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ধৃত আসামিকে যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে।

বিশ্বম্ভরপুরে ছাত্রলীগের মিছিল, আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা পুলিশের

১৫ আগস্ট উপলক্ষে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর–সুনামগঞ্জ সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও শোক র‍্যালি করেছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা।বুধবার সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক মেহেদী হাসান সাকিবের নেতৃত্বে এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।মিছিল থেকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ এবং ‘শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।বিশ্বম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া বলেন, সুনামগঞ্জ–বিশ্বম্ভরপুর সড়কে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মিছিলের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্বম্ভরপুরে ছাত্রলীগের মিছিল, আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা পুলিশের

৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন দেশেই আত্মগোপনে ছিলাম: সাদ্দাম হোসেন

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় বাংলাদেশেই আত্মগোপনে ছিলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। পরে পরিস্থিতি আরও কঠোর হলে তাঁকে দেশ ছাড়তে হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে। ‘আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে দুই বছর কীভাবে কাটালেন’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য তুলে ধরা হয়।সাদ্দাম হোসেন বলেন, ৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন তিনি দেশেই ছিলেন। কৌশলগত কারণে তাঁকে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করতে হয়েছে। এর মধ্যেই সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করেছেন।তিনি বলেন, সে সময়ের পরিস্থিতি বিবেচনায় আওয়ামী লীগ যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সেগুলোর ভিত্তিতেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন। তবে ‘পূর্ণাঙ্গ দমন-পীড়ন’ শুরু হলে তাঁকে স্থান পরিবর্তন করতে হয়।সাদ্দাম হোসেন দাবি করেন, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী এখনো দেশের ভেতরে অবস্থান করছেন।‘দেশে থাকা নেতাকর্মীরাই মূল শক্তি’বাংলাদেশে থাকা নেতাকর্মীদের দলের মূল শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে সাদ্দাম হোসেন বলেন, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, বিভিন্ন কমিটি পুনর্গঠন এবং চলমান মামলায় সহযোগিতা করতেই তাঁর সময় কাটছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার কাজও চলছে বলে জানান তিনি।‘দেশে ফেরার জন্য মানসিক ও পারিবারিকভাবে প্রস্তুত’দেশে ফেরার বিষয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, তিনি এবং তাঁর পরিবার দেশে ফেরার জন্য মানসিক ও পারিবারিকভাবে প্রস্তুত। তাঁর ভাষ্য, দেশে ফেরার একটি ‘রোডম্যাপ’ তৈরি রয়েছে এবং এখন শুধু সময়সীমার অপেক্ষা।দেশে ফিরলে কী ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন, সে সম্পর্কেও তাঁদের ধারণা রয়েছে বলে জানান তিনি।সাদ্দাম হোসেন বলেন, দেশে ফেরার পর ভবিষ্যতে কী হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।

৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন দেশেই আত্মগোপনে ছিলাম: সাদ্দাম হোসেন