২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় বাংলাদেশেই আত্মগোপনে ছিলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। পরে পরিস্থিতি আরও কঠোর হলে তাঁকে দেশ ছাড়তে হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।
বিবিসি বাংলার
এক প্রতিবেদনে শনিবার এ তথ্য জানানো
হয়েছে। ‘আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে দুই বছর কীভাবে কাটালেন’ শিরোনামের
ওই প্রতিবেদনে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
সাদ্দাম হোসেন
বলেন, ৫ আগস্টের পর
দীর্ঘদিন তিনি দেশেই ছিলেন।
কৌশলগত কারণে তাঁকে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করতে হয়েছে। এর
মধ্যেই সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করেছেন।
তিনি বলেন,
সে সময়ের পরিস্থিতি বিবেচনায় আওয়ামী লীগ যেসব সিদ্ধান্ত
নিয়েছিল, সেগুলোর ভিত্তিতেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন। তবে ‘পূর্ণাঙ্গ দমন-পীড়ন’ শুরু হলে তাঁকে
স্থান পরিবর্তন করতে হয়।
সাদ্দাম হোসেন
দাবি করেন, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী এখনো
দেশের ভেতরে অবস্থান করছেন।
‘দেশে থাকা নেতাকর্মীরাই মূল শক্তি’
বাংলাদেশে থাকা
নেতাকর্মীদের দলের মূল শক্তি
হিসেবে উল্লেখ করে সাদ্দাম হোসেন
বলেন, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, বিভিন্ন কমিটি পুনর্গঠন এবং চলমান মামলায়
সহযোগিতা করতেই তাঁর সময় কাটছে।
পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার কাজও চলছে বলে
জানান তিনি।
‘দেশে ফেরার জন্য মানসিক ও পারিবারিকভাবে প্রস্তুত’
দেশে ফেরার
বিষয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, তিনি এবং তাঁর
পরিবার দেশে ফেরার জন্য
মানসিক ও পারিবারিকভাবে প্রস্তুত।
তাঁর ভাষ্য, দেশে ফেরার একটি
‘রোডম্যাপ’ তৈরি রয়েছে এবং
এখন শুধু সময়সীমার অপেক্ষা।
দেশে ফিরলে
কী ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন, সে
সম্পর্কেও তাঁদের ধারণা রয়েছে বলে জানান তিনি।
সাদ্দাম হোসেন বলেন, দেশে ফেরার পর ভবিষ্যতে কী হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।