ঢাকা    শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদক কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ


মো: মনির হোসেন পাটোয়ারী
মো: মনির হোসেন পাটোয়ারী স্টাফ রিপোর্টার

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদক কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র সাবেক যুব ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগেরপ্রাথমিক সত্যতাপাওয়ার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ কর্মকর্তা উপপরিচালক আখতারুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আসিফ মাহমুদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জনি বৃহস্পতিবার নোটিশ পাঠান।

গত সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে আখতারুল ইসলাম বলেছিলেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ পদোন্নতি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগেরপ্রাথমিক সত্যতাপাওয়া গেছে। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।

আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের তদন্ত বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার এমন বক্তব্যের কারণে আসিফ মাহমুদকে ঘিরেমিডিয়া ট্রায়ালশুরু হয় এবং তাঁর সম্পর্কে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়।

পরে সাংবাদিকদের দুদক বিটের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আখতারুল ইসলাম তাঁর ওই বক্তব্য ভুলবশত দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে একটি বার্তা দেন। একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রেপ্রাথমিক সত্যতাকথাটি বাদ দেওয়ার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন তিনি। তবে সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার বা সংশোধন করা হয়নি বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে অভিযোগের তথ্যগত অসঙ্গতির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিলের অভিযোগ করা হলেও বাস্তবে ১১২ জন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছিল। প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত কার্যকর করে।

ছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির ঘটনায় আসিফ মাহমুদকে জড়ানোর বিষয়টিকেও ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়েছে।

আইনি নোটিশ অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদ ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট পদোন্নতি দেওয়া হয় ২০২৬ সালের ১১ মে। অর্থাৎ তাঁর পদত্যাগের প্রায় পাঁচ মাস পর এবং বিএনপি সরকার গঠনের তিন মাসের মাথায় ওই পদোন্নতি হয়।

নোটিশে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলামকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর বক্তব্য ১৫ দিনের মধ্যে একইভাবে নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাচাই করা প্রমাণসমর্থিত তথ্য ছাড়া কোনো বক্তব্য না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব ব্যবস্থা নেওয়া না হলে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারাসহ প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয় : দুদক দুর্নীতির অভিযোগ আসিফ মাহমুদ আইনি নোটিশ

দৈনিক নবকাল

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদক কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ

প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র সাবেক যুব ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগেরপ্রাথমিক সত্যতাপাওয়ার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ কর্মকর্তা উপপরিচালক আখতারুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আসিফ মাহমুদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জনি বৃহস্পতিবার নোটিশ পাঠান।

গত সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে আখতারুল ইসলাম বলেছিলেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ পদোন্নতি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগেরপ্রাথমিক সত্যতাপাওয়া গেছে। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।

আইনি নোটিশে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের তদন্ত বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার এমন বক্তব্যের কারণে আসিফ মাহমুদকে ঘিরেমিডিয়া ট্রায়ালশুরু হয় এবং তাঁর সম্পর্কে জনমনে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়।

পরে সাংবাদিকদের দুদক বিটের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আখতারুল ইসলাম তাঁর ওই বক্তব্য ভুলবশত দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে একটি বার্তা দেন। একই সঙ্গে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রেপ্রাথমিক সত্যতাকথাটি বাদ দেওয়ার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন তিনি। তবে সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার বা সংশোধন করা হয়নি বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

নোটিশে অভিযোগের তথ্যগত অসঙ্গতির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিলের অভিযোগ করা হলেও বাস্তবে ১১২ জন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছিল। প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত কার্যকর করে।

ছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির ঘটনায় আসিফ মাহমুদকে জড়ানোর বিষয়টিকেও ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়েছে।

আইনি নোটিশ অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদ ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট পদোন্নতি দেওয়া হয় ২০২৬ সালের ১১ মে। অর্থাৎ তাঁর পদত্যাগের প্রায় পাঁচ মাস পর এবং বিএনপি সরকার গঠনের তিন মাসের মাথায় ওই পদোন্নতি হয়।

নোটিশে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলামকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর বক্তব্য ১৫ দিনের মধ্যে একইভাবে নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাচাই করা প্রমাণসমর্থিত তথ্য ছাড়া কোনো বক্তব্য না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব ব্যবস্থা নেওয়া না হলে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারাসহ প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।


দৈনিক নবকাল

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কায়েস আহমেদ সেলিম
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নবকাল
আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদক কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ
0:00 0:00
1.0x