ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
নতুন স্থায়ী কমিটির সদস্য জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা

নতুন স্থায়ী কমিটির সদস্য জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা

বিএনপির নবনির্বাচিত চার স্থায়ী কমিটির সদস্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা দলের দায়িত্ব পালনে জনগণের প্রত্যাশা পূরণের অঙ্গীকার করেন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নবনির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য আমান উল্লাহ আমান। তিনি বলেন, যে প্রত্যাশা নিয়ে তাঁদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেই প্রত্যাশা পূরণে দলের সঙ্গে জনগণের এবং সরকারের সঙ্গে জনগণের বন্ধন আরও শক্তিশালী করতে তাঁরা কাজ করবেন।আমান উল্লাহ আমান বলেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে দল ও সরকারকে সহযোগিতা নিশ্চিত করতে তাঁরা কাজ করে যাবেন। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত সব কর্মসূচি যেকোনো ত্যাগের বিনিময়ে বাস্তবায়নের জন্য তাঁরা শপথ নিয়েছেন।তিনি আরও বলেন, সরকারের প্রতি জনগণের যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা দায়িত্বের সঙ্গে এগিয়ে নেওয়া হবে। জিয়াউর রহমানের মাজার ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন।প্রধানমন্ত্রী সঠিকভাবে দেশ পরিচালনা করছেনবিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দেশ পরিচালনা করছেন, তা জনগণ গ্রহণ করেছে। তাঁর ভাষ্য, বিভিন্ন মহলে এখন আলোচনা হচ্ছে যে প্রধানমন্ত্রী সঠিকভাবে দেশ পরিচালনা করছেন।তিনি বলেন, দেশে কিছু সমস্যা রয়েছে এবং সেগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কারওয়াইলে দেওয়া বক্তব্যে বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। এ সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় নবনির্বাচিত স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভী আহমেদ ও ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন দেশেই আত্মগোপনে ছিলাম: সাদ্দাম হোসেন

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় বাংলাদেশেই আত্মগোপনে ছিলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। পরে পরিস্থিতি আরও কঠোর হলে তাঁকে দেশ ছাড়তে হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে শনিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে। ‘আওয়ামী লীগের নেতারা ভারতে দুই বছর কীভাবে কাটালেন’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য তুলে ধরা হয়।সাদ্দাম হোসেন বলেন, ৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন তিনি দেশেই ছিলেন। কৌশলগত কারণে তাঁকে বারবার অবস্থান পরিবর্তন করতে হয়েছে। এর মধ্যেই সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করেছেন।তিনি বলেন, সে সময়ের পরিস্থিতি বিবেচনায় আওয়ামী লীগ যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, সেগুলোর ভিত্তিতেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়েছেন। তবে ‘পূর্ণাঙ্গ দমন-পীড়ন’ শুরু হলে তাঁকে স্থান পরিবর্তন করতে হয়।সাদ্দাম হোসেন দাবি করেন, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী এখনো দেশের ভেতরে অবস্থান করছেন।‘দেশে থাকা নেতাকর্মীরাই মূল শক্তি’বাংলাদেশে থাকা নেতাকর্মীদের দলের মূল শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে সাদ্দাম হোসেন বলেন, তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, বিভিন্ন কমিটি পুনর্গঠন এবং চলমান মামলায় সহযোগিতা করতেই তাঁর সময় কাটছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার কাজও চলছে বলে জানান তিনি।‘দেশে ফেরার জন্য মানসিক ও পারিবারিকভাবে প্রস্তুত’দেশে ফেরার বিষয়ে সাদ্দাম হোসেন বলেন, তিনি এবং তাঁর পরিবার দেশে ফেরার জন্য মানসিক ও পারিবারিকভাবে প্রস্তুত। তাঁর ভাষ্য, দেশে ফেরার একটি ‘রোডম্যাপ’ তৈরি রয়েছে এবং এখন শুধু সময়সীমার অপেক্ষা।দেশে ফিরলে কী ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারেন, সে সম্পর্কেও তাঁদের ধারণা রয়েছে বলে জানান তিনি।সাদ্দাম হোসেন বলেন, দেশে ফেরার পর ভবিষ্যতে কী হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি ব্যক্তিগত ও পারিবারিকভাবে মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।

৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন দেশেই আত্মগোপনে ছিলাম: সাদ্দাম হোসেন