ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
বগুড়ায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, সেবা পেলেন প্রায় ৫ হাজার মানুষ

বগুড়ায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা, সেবা পেলেন প্রায় ৫ হাজার মানুষ

অর্থের অভাবে সময়মতো চক্ষু চিকিৎসা নিতে পারেন না নিম্নআয়ের অনেক মানুষ। বিশেষ করে ছানি ও দৃষ্টিশক্তির সমস্যায় ভুগলেও চিকিৎসার খরচ জোগাতে না পারায় দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। এমন সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বগুড়ায় আয়োজন করা হয়েছে দিনব্যাপী বিনামূল্যের চক্ষু চিকিৎসা ও পরামর্শ ক্যাম্প।শুক্রবার বগুড়া পৌর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত এ ক্যাম্পে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রায় ৫ হাজার নারী, পুরুষ ও শিশু চিকিৎসাসেবা নেন। সেখানে চোখ পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ, ব্যবস্থাপত্রের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা বিনামূল্যে দেওয়া হয়।আয়োজকেরা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানের উদ্যোগে এ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ক্যাম্পটি বাস্তবায়ন করে আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন।সকাল থেকেই রোগীরা ক্যাম্পে আসতে শুরু করেন। শিশু ও বয়স্কদের পাশাপাশি বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ চিকিৎসা নেন। চিকিৎসকেরা চোখ পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র দেন এবং পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ ও চশমা বিতরণ করা হয়।ক্যাম্পে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের মধ্যে ছানি ও দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত প্রায় ৫০০ জনকে অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জন্য বগুড়ার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে লেন্সসহ বিনামূল্যে ছানি অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী অস্ত্রোপচার করা হবে বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন।ক্যাম্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন এবং আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর আহমেদ তাহের হামিদ আলী। তাঁরা চিকিৎসক ও রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।আয়োজকেরা বলেন, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও অনেক মানুষ চক্ষু চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষ করে ছানি আক্রান্ত নিম্নআয়ের মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য এ ধরনের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।