ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
থানায় হাজিরা দিলেন না অভিষেক, চাইলেন ৪৮ ঘণ্টা সময়

থানায় হাজিরা দিলেন না অভিষেক, চাইলেন ৪৮ ঘণ্টা সময়

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হলেও সোমবার শেক্সপিয়র সরণি থানায় হাজির হননি তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইমেল করে তিনি জানিয়েছেন, হাজিরার আগে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন।আনন্দবাজার ডট কমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোববার কলকাতার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে গিয়ে তলবের নোটিস দিয়ে আসে শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ। সোমবার সকালে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল। তবে তিনি হাজির না হয়ে ইমেলের মাধ্যমে সময় চেয়েছেন।গত ২৭ আগস্ট ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দপ্তরের একটি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে পুলিশ, কলকাতা পুরসভার কর্মকর্তা ও তৃণমূল নেতার অনুসারীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ভবনের ছাদে উঠে পুলিশ বিলবোর্ডটি খুলে দেয়। পুলিশের বক্তব্য ছিল, বিলবোর্ডটি বেআইনিভাবে ও বিপজ্জনক অবস্থায় ঝুলছিল, যা এলাকাবাসীর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।ওই ঘটনায় তিনটি এফআইআর করে তদন্ত করছে পুলিশ। এর আগে একবার অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হলে তিনি হাজির হয়েছিলেন। এবারও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তদন্তকারীরা।প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বুধবার পুলিশ তাঁকে তলবের নোটিস দিতে বাড়িতে গেলেও তিনি দিল্লিতে থাকায় নোটিস দেওয়া সম্ভব হয়নি। শনিবার কলকাতায় ফেরার পর রোববার তাঁর বাড়িতে নোটিস পৌঁছে দেয় পুলিশ। তবে সোমবার তিনি হাজির হননি।সূত্র: আনন্দবাজার 

'গেরুয়া গুণ্ডামি' শব্দ নিয়ে বিতর্ক, আনন্দবাজার কার্যালয়ে বিক্ষোভ

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংঘর্ষ নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনামকে কেন্দ্র করে কলকাতায় সংবাদপত্র আনন্দবাজার পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছেন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত একদল ব্যক্তি। এ সময় পত্রিকাটির সাদা ভবনের দেয়ালে গেরুয়া রং মাখিয়ে দেন বিক্ষোভকারীরা।গত ২০ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আনন্দবাজার পত্রিকা ‘গেরুয়া গুণ্ডামি’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছিল। এর কয়েক দিনের মধ্যেই সংবাদপত্রটির কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, গেরুয়া পোশাক পরা একদল ব্যক্তি ভবনের দেয়ালে রং মাখাচ্ছেন। এ সময় তাঁদের ‘গেরুয়ার অপমান হিন্দুস্থান সহ্য করবে না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। ঘটনাস্থলের কাছেই কয়েকজন পুলিশ সদস্যকেও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর সংবাদপত্র কর্তৃপক্ষ ভবনের রং করা অংশগুলো পুনরায় রং করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনে।দ্য হিন্দু জানিয়েছে, ভবনের দেয়ালে রং লাগানো ব্যক্তিদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়নি।যাদবপুরের সংঘর্ষ ঘিরেই বিতর্কগত ২০ আগস্ট কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের সাধারণ সভাকে কেন্দ্র করে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) এবং বামপন্থী সমর্থিত ছাত্র সংগঠনগুলোর সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।পরে ওই সংঘর্ষ বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত গড়ায়। সহিংসতার ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে বাইরের লোকজন নিয়ে আসার অভিযোগও তোলে দুই পক্ষ। এই সংঘর্ষের প্রতিবেদন প্রকাশ করতে গিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকার ব্যবহৃত ‘গেরুয়া গুণ্ডামি’ শব্দবন্ধ নিয়েই পরবর্তী সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়। সেই বিতর্কের জেরেই পত্রিকাটির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ এবং দেয়ালে গেরুয়া রং মাখানোর ঘটনা ঘটেছে।

'গেরুয়া গুণ্ডামি' শব্দ নিয়ে বিতর্ক, আনন্দবাজার কার্যালয়ে বিক্ষোভ

বাংলাদেশে পাঠানো কয়েক বাংলাভাষীকে ভারতে ফেরানো হয়েছে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া কয়েকজন বাংলাভাষীকে আবার ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বুধবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার দেশটির সুপ্রিম কোর্টকে এ তথ্য জানিয়েছে। এরপর আদালত সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর নিষ্পত্তি করেছেন। তবে নাগরিকত্ব ও বহিষ্কারসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নগুলো এখনো অমীমাংসিত রাখা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত শর্মার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে কেন্দ্রীয় সরকার জানায়, বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশে পাঠানো কয়েকজনকে ভারতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বিষয়টি নথিভুক্ত করে আদালত বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ভারতে ফিরে আসায় আপাতত মামলাগুলো চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।হাইকোর্টের নির্দেশের পর ফেরানোর উদ্যোগএর আগে কলকাতা হাইকোর্ট পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার সুনালি খাতুন, সুইটি বিবিসহ কয়েকজনকে ‘অবৈধ অভিবাসী’ হিসেবে বাংলাদেশে পাঠানোর কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। একই সঙ্গে তাঁদের এক মাসের মধ্যে ভারতে ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।সুনালি খাতুনের পরিবারের অভিযোগ ছিল, তাঁকে স্বামী ও সন্তানসহ আটক করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছিল। একই ধরনের অভিযোগ ওঠে সুইটি বিবি ও তাঁর সন্তানদের ক্ষেত্রেও। বাংলাদেশে পাঠানোর পর তাঁদের কয়েকজনকে স্থানীয় পুলিশ আটক করেছিল।নাগরিকত্ব যাচাই করবে ভারতগত ২২ মে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছিল, বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশে পাঠানো কয়েকজনকে ভারতে ফিরিয়ে এনে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্বের দাবি যাচাই করা হবে। সরকার তখন জানিয়েছিল, এ সিদ্ধান্ত কোনো নজির হিসেবে বিবেচিত হবে না। যাচাই শেষে তাঁদের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এর আগে গত ডিসেম্বরে মানবিক কারণে সুনালি খাতুন ও তাঁর আট বছর বয়সী সন্তানকে ভারতে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। অন্তঃসত্ত্বা সুনালির চিকিৎসা ও প্রসবের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দেশও দিয়েছিলেন আদালত।সর্বশেষ শুনানিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনজীবী জানান, সলিসিটর জেনারেলের হস্তক্ষেপে তাৎক্ষণিক সমস্যার সমাধান হয়েছে এবং সবাই ভারতে ফিরে এসেছেন।তবে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, নাগরিকত্ব এবং কাউকে বহিষ্কারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নগুলোর বিষয়ে ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকছে। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

বাংলাদেশে পাঠানো কয়েক বাংলাভাষীকে ভারতে ফেরানো হয়েছে

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভারতিয় ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল

ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেট ও আইপিএলে খেলা উইকেটকিপার-ব্যাটার অভিষেক পোড়েলকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে মঙ্গলবার মগরা থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।অভিযোগকারী কর্ণাটকের এক তরুণী। গত ২৩ জুন মগরা থানায় অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। ওই তরুণীর দাবি, প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে অভিষেকের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। তাদের বিয়ের পরিকল্পনাও ছিল। সম্পর্ক চলাকালে দুজন একসঙ্গে বিদেশে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে প্রায় দেড় বছর আগে তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। বিষয়টি তখন থানায় গেলেও কোনো অভিযোগ করা হয়নি। পরে গত জুনে ফের পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না—এমন অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। এরপর আদালত পুলিশকে অভিষেককে খুঁজে বের করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তদন্তের স্বার্থে তার ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।পুলিশের দায়ের করা মামলায় ভারতের নতুন দণ্ডবিধির একাধিক ধারা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ধারাও যুক্ত করা হয়েছে। মামলায় বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে যৌন সম্পর্ক স্থাপন, ভয় দেখানোসহ আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে।তবে অভিষেক পোড়েল এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। মামলার তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান।ক্রিকেট মাঠে অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় ছিলেন ২৩ বছর বয়সী অভিষেক। বাংলার হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পর আইপিএলে সুযোগ পান তিনি। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়েও খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভারতিয় ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল

সরকারি নথিতে ভারতীয় নাগরিক, তবু সাহিদাকে ‘পুশইন’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের বাসিন্দা ৪০ বছর বয়সী সাহিদা ফকিরকে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ সন্দেহে আটক করার পর বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে তাঁর জন্মনিবন্ধন, ভোটার পরিচয়পত্র, আয়কর বিভাগের স্থায়ী অ্যাকাউন্ট নম্বর (প্যান) কার্ড এবং নিজের নামে স্বরূপনগর ব্লকের একটি জমির দলিলসহ একাধিক সরকারি নথি রয়েছে বলে দাবি করেছে তাঁর পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠন।ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ২০ বছর ধরে স্বামী জুম্মান ফকিরের সঙ্গে মুম্বাইয়ে বসবাস করছিলেন গৃহকর্মী সাহিদা। তাঁর স্বামী ও দুই ছেলে এখনো ভারতে রয়েছেন। ছোট ছেলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে এবং বড় ছেলে মোবাইল ফোন মেরামতের কাজ করেন। সাহিদা বর্তমানে বাংলাদেশের সাতক্ষীরা এলাকায় একটি পরিবারের আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।আটকের পর বাংলাদেশে পাঠানোর অভিযোগসাহিদার পরিবারের দাবি, গত ১৯ জুলাই মুম্বাইয়ের সানপাড়ায় রাতের খাবারের জন্য বাজার করতে গেলে পুলিশ তাঁকে আটক করে। পরে তাঁকে চেম্বুরের একটি আটককেন্দ্রে নেওয়া হয়।পরিবারের পক্ষ থেকে সেখানে সাহিদার জন্মনিবন্ধন, স্কুলের সনদ, বাবা-মায়ের জমির দলিলসহ বিভিন্ন নথি দেখানো হয়। তবে কয়েক দিন পর পরিবারকে জানানো হয়, তাঁকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।সাহিদা ফোনে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে বলেন, তাঁকে আসামের সীমান্ত দিয়ে রাতে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়। এরপর কাদাময় জমির মধ্য দিয়ে দীর্ঘ সময় হেঁটে সড়কে পৌঁছান তিনি। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে খাবার, পোশাক ও আশ্রয় দেন।সাহিদা বলেন, “আমি ভারতের নাগরিক এবং দেশে ফিরে পরিবারের কাছে যেতে চাই। আমার সপ্তম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলের দেখাশোনা কে করবে!”হাইকোর্টে মানবাধিকার সংগঠনের অভিযোগমানবাধিকার সংগঠন বাংলার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (MASUM) কলকাতা হাইকোর্টে দেওয়া অভিযোগে সাহিদার নাগরিকত্বের পক্ষে একাধিক নথির কথা উল্লেখ করেছে।অভিযোগে বলা হয়েছে, সাহিদার বাবা আমানউদ্দিন গাজী ও মা মাজিদা বিবির নাম ২০০২ সালের স্বরূপনগর বিধানসভা এলাকার ভোটার তালিকায় ছিল। সাহিদার জন্ম ১৯৯৫ সালের ১২ অক্টোবর বিথারি হাকিমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে নিবন্ধিত হয়।এসব নথি থাকা সত্ত্বেও সাহিদাকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।MASUM-এর অভিযোগ অনুযায়ী, সাহিদাকে আটকের পর প্রায় ৯০ ঘণ্টা পর্যন্ত কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়নি। তাঁকে আটকের কারণ জানানো হয়নি এবং পরিবারের সদস্য বা আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগও দেওয়া হয়নি।মানবাধিকার সংগঠনটি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে দেওয়া আবেদনে বিষয়টিতে জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়েছে। একই সঙ্গে সাহিদাকে অবিলম্বে আদালতে হাজির করা, বেআইনি আটক হয়ে থাকলে মুক্তি দেওয়া, ঘটনার স্বাধীন তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।এর আগেও এমন অভিযোগএর আগেও পশ্চিমবঙ্গের বাংলা ভাষাভাষী মুসলিমদের ‘বাংলাদেশি’ সন্দেহে আটক করে সীমান্তের ওপারে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে।২০২৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা সুনালি খাতুন ও সুইটি বিবিকে দিল্লিতে আটক করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশে পাঠানো হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আইনি পদক্ষেপের পর তাঁরা ভারতে ফেরেন।একই বছর মুম্বাইয়ে আটক পশ্চিমবঙ্গের কয়েকজন শ্রমিককেও বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)-এর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাঁদের ফেরত আনা হয়।সূত্র: মাকতুব ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

সরকারি নথিতে ভারতীয় নাগরিক, তবু সাহিদাকে ‘পুশইন’