ঢাকা    শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন, উদ্বোধন হলো ওসমানী উদ্যান ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ

৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়ন, উদ্বোধন হলো ওসমানী উদ্যান ও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ

রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন করা অংশ এবং সেখানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার সকাল ১০টায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যান ও স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধন করেন।প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আধুনিকায়নের পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ওসমানী উদ্যান আবারও নগরবাসীর জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সুধী সমাবেশ শেষে উদ্যানটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা রয়েছে।সম্প্রতি সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছিলেন, প্রায় ১০ বছর বন্ধ থাকার পর ওসমানী উদ্যান আবারও নগরবাসীর ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে। উদ্যানটির আধুনিকায়নে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি টাকা।প্রতিমন্ত্রী বলেন, আধুনিকায়নের মাধ্যমে উদ্যানটিকে আরও দৃষ্টিনন্দন ও জনবান্ধব করে সাজানো হয়েছে। এর ফলে নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটাচলা, অবসর যাপন এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।জুলাই অভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিওসমানী উদ্যানের প্রাঙ্গণে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’।স্মৃতিস্তম্ভটির মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ঐতিহাসিক আন্দোলনের ঘটনাবলি ও শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করার সুযোগ পাবেন। উদ্যানের আধুনিকায়নের পাশাপাশি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের উদ্যোগকে ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর উদ্যানটি চালু হওয়ায় রাজধানীবাসীর জন্য নতুন করে অবসর কাটানোর একটি উন্মুক্ত স্থান তৈরি হলো। আধুনিকায়নের মাধ্যমে উদ্যানটিকে আরও জনবান্ধব করে তোলার লক্ষ্য নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। 

চিলমারী-রাজিবপুরসহ জেলার ভাঙনকবলিত এলাকায় পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

কুড়িগ্রামের চিলমারী ও রাজিবপুরসহ পুরো জেলার নদীভাঙন রোধে সরকারের নেওয়া প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।শনিবার বেলা ১১টার দিকে চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, নদীভাঙনে মানুষের বাড়িঘর, অবকাঠামো, মসজিদ-মাদরাসা, মন্দির-শ্মশানঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাটবাজার যেন আর বিলীন না হয়, সে জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কুড়িগ্রামের প্রায় ১০০টি ভাঙনকবলিত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়েছে। অনেক কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পরিদর্শনের সময় নতুন কোনো ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পাওয়া গেলে সেখানেও জরুরি ভিত্তিতে কাজের নির্দেশনা দেওয়া হবে।তিনি বলেন, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ করা হচ্ছে। নদীতে বাঁধ নির্মাণের ক্ষেত্রে কে বিএনপি, জামায়াত বা এনসিপি করেন, তা বিবেচনা করা হবে না। এসব উদ্যোগে সবাই উপকৃত হবেন।তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, এ বিষয়ে টেকনিক্যাল কমিটি কাজ করেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। মহাপরিকল্পনাটি দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে।পরে প্রতিমন্ত্রী নৌপথে চিলমারীর কাঁচকোল বাঁধ, উলিপুর উপজেলার নামাজের চর, রৌমারী উপজেলার সুখেরববাঁতি এবং রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি এলাকার নদীভাঙন পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি গাইবান্ধার উদ্দেশে রওনা হন।পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের এমপি মাহবুবুল আলম সালেহী, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের এমপি মোস্তাফিজুর রহমান, সংরক্ষিত আসনের এমপি সুরাইয়া জেরিন রনি, জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান এবং জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমানসহ স্থানীয় নেতারা।

চিলমারী-রাজিবপুরসহ জেলার ভাঙনকবলিত এলাকায় পরিদর্শনে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী