ঢাকা    শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
মক্কায় গিয়ে দেশ ও তরুণদের জন্য প্রার্থনা রাখি সাওয়ান্তের

মক্কায় গিয়ে দেশ ও তরুণদের জন্য প্রার্থনা রাখি সাওয়ান্তের

সম্প্রতি পবিত্র মক্কায় আধ্যাত্মিক সফরে গেছেন অভিনেত্রী রাখি সাওয়ান্ত। সেখানে নিজের জন্য প্রার্থনার পাশাপাশি দেশ, দেশের তরুণ প্রজন্মের নিরাপত্তা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্যও প্রার্থনা করেছেন তিনি।মক্কার পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে রাখি সাওয়ান্ত প্রার্থনা করেন, তাঁর দেশ যেন নিরাপদ থাকে এবং মানুষকে ভুল পথে পরিচালিত করা ব্যক্তিদের হাত থেকে দেশ রক্ষা পায়। একই সঙ্গে দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন, তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান এবং তাঁদের সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করার জন্যও তিনি প্রার্থনা করেন।দেশের রাজনৈতিক নেতাদের সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বানও জানান এই অভিনেত্রী।প্রার্থনার সময় সম্প্রতি আইফোন কেনার আবদারকে কেন্দ্র করে পারিবারিক অশান্তির জেরে একটি পরিবারের তিন সদস্যের আত্মহত্যার ঘটনার কথা উল্লেখ করেন রাখি। এ ঘটনাকে সামনে রেখে তরুণদের দামি পণ্য কেনার জন্য বাবা-মায়ের ওপর চাপ না দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।রাখি বলেন, তরুণদের নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে হবে এবং কঠোর পরিশ্রম করে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে। বাবা-মাকে কষ্ট দিয়ে দামি জিনিসপত্র বা আইফোন কেনার আকাঙ্ক্ষা পূরণ না করার আহ্বান জানান তিনি।নিজের ধর্মীয় পরিচয় নিয়েও কথা বলেন রাখি। তিনি জানান, জন্মসূত্রে হিন্দু হলেও পরবর্তীতে খ্রিষ্টান ধর্মের সঙ্গে যুক্ত হন এবং বর্তমানে ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করছেন। তবে সব ধর্মের প্রতিই তাঁর সমান সম্মান রয়েছে বলে জানান তিনি। মক্কা সফরে রাখির বক্তব্যে শিক্ষা, সততা, তরুণদের ভবিষ্যৎ এবং বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের দায়িত্ববোধের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

কোরিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ বাড়ানোর প্রত্যাশা

দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার প্রত্যাশা জানিয়েছে বাংলাদেশ। কৃষি ও প্রাণিসম্পদসহ আরও কিছু খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগের সুযোগ তৈরিতে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পরিচালক হান উনসুকের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক উপস্থিত ছিলেন।প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, দক্ষতা, শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে বাংলাদেশি কর্মীরা কোরিয়ার বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। বাংলাদেশি কর্মীদের এ সুযোগ দেওয়ার জন্য দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতাকে বাংলাদেশ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। দুই দেশের শ্রম অভিবাসনের ক্ষেত্রে এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম (ইপিএস) গুরুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে কল্যাণকর কাঠামো হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।তিনি জানান, ২০০৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৩৮ হাজার ৫৯ জন বাংলাদেশি কর্মী দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। ইপিএসের অন্যতম প্রধান কর্মী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এই অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী ও সম্প্রসারণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক বলেন, কোরিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের অংশগ্রহণ আরও বাড়াতে এবং নির্ধারিত কোটা সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ আগ্রহী।কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতসহ আরও কয়েকটি খাতে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির বিষয়টি দক্ষিণ কোরিয়া সরকার বিবেচনা করবে বলেও প্রত্যাশা জানান তিনি।দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পরিচালক হান উনসুক বলেন, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই দক্ষিণ কোরিয়া মূলত ইপিএসের মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করে। বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে তারা যেমন আগ্রহী, তেমনি কর্মী বাছাই প্রক্রিয়াটি শতভাগ স্বচ্ছ রাখার বিষয়েও তারা গুরুত্ব দেয়।ইপিএসের কর্মী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহের কথা জানান হান উনসুক।সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ, বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হকসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

কোরিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সুযোগ বাড়ানোর প্রত্যাশা