ঢাকা    রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
সেপ্টেম্বরে কম বৃষ্টি, ২–৩ দফা তাপপ্রবাহের আভাস

সেপ্টেম্বরে কম বৃষ্টি, ২–৩ দফা তাপপ্রবাহের আভাস

সেপ্টেম্বর মাসে দেশে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে বঙ্গোপসাগরে এ মাসে এক থেকে তিনটি মৌসুমি লঘুচাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর মধ্যে একটি লঘুচাপ নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।চলতি মাসে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে।মঙ্গলবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রদানের জন্য গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির নিয়মিত সভায় সেপ্টেম্বর মাসের এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়।পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকতে পারে। এর ফলে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। মৃদু তাপপ্রবাহে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মাঝারি তাপপ্রবাহে ৩৮ থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে।এ ছাড়া চলতি মাসে তিন থেকে পাঁচ দিন বজ্রঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। একই সময়ে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে তিনটি মৌসুমি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার একটি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।নদ-নদীর বিষয়ে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকতে পারে। তবে ভারি বৃষ্টিপাত হলে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাবে, এ মাসে দেশে দৈনিক গড় বাষ্পীভবন ২ দশমিক ৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ মিলিমিটার এবং গড় উজ্জ্বল সূর্যকিরণকাল ৪ দশমিক ৫ থেকে ৬ দশমিক ৫ ঘণ্টা থাকতে পারে।

ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে খুলে দেওয়া হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট

ভারি বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বেড়েছে। বুধবার সকালে ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ২৮ মিটার, যেখানে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। সকাল ১০টায়ও একই মাত্রায় পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।এদিকে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে বন্যার পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিচু এলাকাও প্লাবিত হতে শুরু করেছে।আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার জেলায় ১৩২ দশমিক ০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, সকাল ৬টা থেকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ভারি বৃষ্টি ও উজানের ঢলে খুলে দেওয়া হয়েছে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট