ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
সিপিজে নেতাদের কারাগারে পাঠানোয় রাহুল-কেজরিওয়ালের নিন্দা

সিপিজে নেতাদের কারাগারে পাঠানোয় রাহুল-কেজরিওয়ালের নিন্দা

শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের সময় জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয় বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ঘটনায় করোচ জনতা পার্টির (সিপিজে) নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন তিনি।বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী বলেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের সময় যন্তর মন্তরে ভারতের জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়। এ কারণে তরুণদের কারাগারে পাঠানো কাপুরুষোচিত কাজ।রাহুল আরও বলেন, শিক্ষার্থী, তরুণ, সাংবাদিক কিংবা ইন্ডিয়া জোটের পতাকা পতাকা আলাদা হলেও দাবি এক। সংবিধানপ্রদত্ত অধিকার আদায়ের দাবিতে নাগরিকদের সব প্রতিবাদ একই সূত্রে গাঁথা। যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের জায়গা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁরা জায়গাটি ফিরিয়ে নেবেন।সিপিজে নেতাদের গ্রেপ্তারের সমালোচনা করেছেন আম আদমি পার্টির (আপ) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালও। এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, নিজের দেশে নিজের জাতীয় পতাকা ওড়ানো কি অপরাধ? বিষয়টিকে তিনি একেবারেই হাস্যকর বলে মন্তব্য করেন।যেভাবে আটক হন তিন নেতাশান্তি বজায় রাখার মুচলেকা ভঙ্গ এবং সম্প্রতি নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের মর্যাদা হারানো যন্তর মন্তরে অনধিকার প্রবেশের অভিযোগে বুধবার সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। পরে তাঁদের তিহার জেলে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, তৃতীয় নেতা অজিঙ্ক শিন্ডেকে ব্যক্তিগত বন্ডে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।বুধবার সকালে সিপিজের তিন নেতাকে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার যন্তর মন্তরের ব্যারিকেড ভেঙে অনুমতি ছাড়াই বিক্ষোভস্থলে প্রবেশের অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়েছিল। এ সময় তাঁরা ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন।পুলিশ সূত্রের দাবি, অনধিকার প্রবেশ, নিষেধাজ্ঞামূলক নির্দেশ অমান্য, শান্তি বজায় রাখার মুচলেকা ভঙ্গ এবং সরকারি কর্মীকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ওই তিন নেতার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

যে শর্তে মুক্তি পেলেন সিজেপির তিন নেতা

ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গ্রেপ্তারের পর রোববার সকালে তাঁদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। পরে নির্দিষ্ট শর্তে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।সিজেপির আইনজীবী দলের প্রধান রত্না সিংহ জানিয়েছেন, মুক্তির শর্ত অনুযায়ী, দীপকে, সৌরভ ও আশুতোষ আগামী এক বছর কোথাও ‘শান্তি ভঙ্গ’ করতে পারবেন না।মুক্তি পাওয়ার পর আশুতোষ রাঙ্কা জানিয়েছেন, রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় তাঁরা সংবাদ সম্মেলন করবেন।তিন নেতার মুক্তির পর এক বিবৃতিতে সিজেপি বলেছে, ‘ককরোচরা কখনো মরে না। অবশেষে দীপকে, সৌরভ ও রাঙ্কাকে ছাড়তে বাধ্য হলো দিল্লি পুলিশ।ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১২৬ ও ১৭০ ধারায় সতর্কতামূলকভাবে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।দিল্লিতে একটি আন্দোলনে যোগ দিতে শনিবার সকালে মুম্বাই থেকে রাজধানীতে পৌঁছান সিজেপির এই তিন নেতা। বিমান থেকে নামার আগেই পুলিশ তাঁদের আটক করে।সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

যে শর্তে মুক্তি পেলেন সিজেপির তিন নেতা

মুক্তি পেলেন সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে

ভারতের দিল্লিতে আটক ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। শনিবার দিল্লিতে পৌঁছানোর পর বিমানের ভেতর থেকেই তাঁদের আটক করা হয়েছিল। পরে আজ সকালে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।এরপর দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে তিন নেতাকে মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।নেতাদের মুক্তির খবর জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি বলেছে, ‘অবশেষে দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছে।’ পোস্টে আরও বলা হয়, ‘ককরোচরা কখনো মরে না।’ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার থেকে মধ্য দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছিল। ওই কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশের অভিযানে সাত হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়।আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বিরোধী দলের নেতা, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন কনটেন্ট নির্মাতাও ছিলেন।

 মুক্তি পেলেন সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে

ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, দুই উপজেলায় বিক্ষোভ

ফ্যামিলি কার্ডের শুমারিতে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে মাগুরার মহম্মদপুর ও বাগেরহাটের চিতলমারীতে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দুই উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সমাজসেবা কর্মকর্তার অপসারণের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।গতকাল রোববার মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ ও চিতলমারী উপজেলা প্রশাসন ভবনের সামনে পৃথক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।মহম্মদপুরে ইউএনওর অপসারণের দাবিমাগুরার মহম্মদপুরে ফ্যামিলি কার্ডের শুমারিতে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে ইউএনও বেদবতী মিস্ত্রীর অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিএনপির একটি অংশ।বিক্ষোভকারীরা নিয়োগ বাতিল করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগের দাবি জানান। তাঁদের অভিযোগ, নীতিমালা অনুসরণ না করে একটি পক্ষের সুপারিশে বৈষম্যের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্যাসিস্ট ও ছাত্রলীগের কর্মীদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও করেন তাঁরা।রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসব কর্মসূচি চলে। এতে বক্তব্য দেন মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম খান বাচ্চু, সাবেক সভাপতি গোলাম আজম সাবু মিয়া, সাবেক সদস্যসচিব আকতারুজ্জামান আক্তার, ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য সাজ্জাদুল আলম খান নান্নু, যুবদল নেতা শেখ শাহানুর রহমান ও জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি পারভেজ আলমসহ অনেকে।তবে বিএনপির আরেকটি অংশের নেতা ও মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মৈয়ুর আলী মৃধা দাবি করেন, ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগ স্বচ্ছতার ভিত্তিতেই হয়েছে। এ দাবিতে তাঁর নেতৃত্বে মিছিল-সমাবেশও করা হয়।অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও বেদবতী মিস্ত্রী বলেন, তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে নীতিমালা অনুসরণ করে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে অনিয়মের কোনো সুযোগ নেই।চিতলমারীতে দুই কর্মকর্তার অপসারণ দাবিবাগেরহাটের চিতলমারীতে ফ্যামিলি কার্ডের খানা তথ্যভান্ডারের জন্য লোক নিয়োগে অনিয়ম, বৈষম্য ও দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।ইউএনও খাদিজা আক্তার ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রণজিৎ বিশ্বাসের অপসারণের দাবিতে রোববার উপজেলা প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নেন তাঁরা। বিক্ষোভকারীরা ব্যানার, ঝাড়ু ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিক্ষোভ চলে। এ সময় ইউএনও, সমাজসেবা, শিক্ষা ও মৎস্য অফিসসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের দরজা বন্ধ ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ডিজিটাল জরিপকাজে পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং অতিরিক্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু তা অনুসরণ না করে বৈষম্য ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।বিএনপি নেতা ও বাগেরহাট-১ আসনের সাবেক প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল বিক্ষোভে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া। এ কর্মসূচিতে কোনো ধরনের অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।সমাবেশে শরিফুল হাসান অপু, অ্যাডভোকেট ফজলুল হক, শিপন মুন্সি, জাকারিয়া মিলন, নিয়ামত আলী খান ও জবরুল শেখসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

ফ্যামিলি কার্ডের জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, দুই উপজেলায় বিক্ষোভ