অগ্রণী ব্যাংকের ভল্টে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা উধাও
চট্টগ্রামের লালদীঘি জেলা পরিষদ ভবনে
অগ্রণী ব্যাংকের লালদীঘি পূর্ব কর্পোরেট শাখার ক্যাশ ভল্টে ৪ কোটি ৩৮
লাখ টাকা ঘাটতির অভিযোগ
উঠেছে। এ ঘটনায় ব্যাংকের
সিনিয়র অফিসার ও ক্যাশ ইনচার্জ
মো. কামরুল হোসেন এবং বহিরাগত মো.
জাফরুল্লাহ তানভীরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।কোতোয়ালী থানায় করা মামলার এজাহার
অনুযায়ী, গত ৯ আগস্ট
নগদ অর্থ ও ভল্টের
হিসাব মেলানোর সময় ওই ঘাটতি
ধরা পড়ে। অভিযোগ করা
হয়েছে, বড় নোটের বান্ডিলে
ছোট নোট ঢুকিয়ে প্রকৃত
অর্থের পরিমাণ কম রাখা হতো।
পরে ঘাটতির অর্থ হাটহাজারীর উত্তর
বুড়িশ্চর এলাকার ‘ইশরাত এগ্রো’ গরুর খামারে বিনিয়োগ
করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ এখনো
তদন্তাধীন।গ্রেপ্তার জাফরুল্লাহ তানভীরের বাবা আজিম উল্লাহ
দাবি করেছেন, তাঁর ছেলেকে ফাঁসানো
হয়েছে। তাঁর দাবি, জাফরুল্লাহ
ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারী নন
এবং তাঁর কাছে এত
টাকা দেওয়ার কোনো ব্যাংক রেকর্ডও
নেই।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. ইকবাল হোসেন
জানিয়েছেন, দুই আসামির মোবাইল
ফোন ও একটি পেনড্রাইভ
জব্দ করা হয়েছে।এ ঘটনায় এক
বছরের বেশি সময় ধরে
এত বড় অঙ্কের ঘাটতি
ধরা পড়েনি কেন, প্রতিদিনের হিসাব
ও ভল্ট কে যাচাই
করতেন এবং একজন বহিরাগত
কীভাবে ভল্টের অর্থের সঙ্গে যুক্ত হলেন-এসব বিষয়ও
তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে।গ্রাহকদের আমানতের অর্থ জড়িত থাকায়
ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদারকি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন
উঠেছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্ব এবং শাখার নিরাপত্তাব্যবস্থার
বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।