ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
অন্যায়-অত্যাচার ও নিপীড়নকে পরাজিত করাই দুর্গাপূজার শিক্ষা: রাষ্ট্রপতি

অন্যায়-অত্যাচার ও নিপীড়নকে পরাজিত করাই দুর্গাপূজার শিক্ষা: রাষ্ট্রপতি

অন্যায়-অত্যাচার, অসততা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং এসবকে পরাজিত করাই দুর্গাপূজার মূল দর্শন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাজধানীর রমনা কালীমন্দির পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশে যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে, তা বিশ্বের অন্য কোথাও আছে বলে তাঁর জানা নেই। বিশ্বজুড়ে যখন সংঘাত, হানাহানি ও হিংসা-বিদ্বেষ চলছে, তখন বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন করতে পারছেন। এটি দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহাবস্থানের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, দুর্গাপূজা তাঁদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এ উৎসব ন্যায়, শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে অসুরের আবির্ভাব ঘটেছে, আর এ দেশের মানুষ তাদের পরাজিত করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস তুলে ধরেন রাষ্ট্রপতিরমনা কালীমন্দিরের ইতিহাস স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৯৭১ সালে মন্দিরটি ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে ১৯৭৩ সালে এটি ধ্বংস করা হয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যারা ধর্মনিরপেক্ষতার কথা বলেন, তাঁদের হাতেই এ অপকর্ম হয়েছিল।তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের উদ্যোগে এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নির্দেশে রমনা কালীমন্দির পুনঃস্থাপিত হয়। এরপর থেকে মন্দিরটিকে পুরোনো ঐতিহ্যে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।সম্প্রীতি নিয়ে অপপ্রচার বন্ধের আহ্বানদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে প্রায়ই অপব্যাখ্যা ও অপপ্রচার চালানো হয়।সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। একই সঙ্গে দুর্গাপূজার সার্বিক সফলতা কামনা করেন এবং অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান।অনুষ্ঠানে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠীবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার, রমনা মন্দিরের সভাপতি অর্পনা রায় দাস ও সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য উপস্থিত ছিলেন।এ সময় রমনা মন্দিরের সদস্য সুভাষ চন্দ্র দাস রাষ্ট্রপতিকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন।

সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হানাহানি ও সংঘাতের রাজনীতি পরিহার করে আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যেন আবার হারিয়ে না যায়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘হানাহানি ও সংঘর্ষ নয়, আলাপ-আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।’ রাজনীতিতে সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার পূরণ করে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়টির নির্মাণকাজ শুরু হবে। বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার দিনকে ঠাকুরগাঁওসহ এ অঞ্চলের মানুষের জন্য আনন্দের দিন হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।তাঁর ভাষ্য, এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ফলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।এর আগে সকালেই সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ সড়কের পাশে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থানে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে উত্তরাঞ্চলের এই জনপদে উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে এটিই তাঁর প্রথম সরকারি সফর। সফরের দ্বিতীয় দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এর আগে সকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, আত্মীয়স্বজন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন রাষ্ট্রপতি।

সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবার ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল, প্রস্তুত জেলা

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে হেলিকপ্টারে ঢাকা ছেড়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে বঙ্গভবন থেকে তাঁর হেলিকপ্টার রওনা হয়।রাষ্ট্রপতির দুই দিনের এই সফরকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওজুড়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। জেলা প্রশাসন ও নাগরিক কমিটি এ নিয়ে প্রস্তুতি সভা করেছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির সফর নির্বিঘ্ন করতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।ঠাকুরগাঁও নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক ড. আবু মোহাম্মদ খায়রুল কবির জানান, সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রপতিকে গার্ড অব অনার দেওয়া হবে। এরপর তিনি শহরের সেনুয়া কবরস্থানে গিয়ে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করবেন। পরে নিজ বাসভবনে অবস্থান করবেন।সফরের প্রথম দিন বিকেলে জেলা স্কুল মাঠে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি। তাঁকে স্বাগত জানাতে ঠাকুরগাঁও নাগরিক কমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।পরদিন সকালে ঠাকুরগাঁওয়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন মির্জা ফখরুল। এরপর জামালপুর ইউনিয়নের মহেশখালীতে ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডক্টর ইসরাফিল শাহিন জানান, সফরের দ্বিতীয় দিন দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকবেন।ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে রাষ্ট্রপতি সার্কিট হাউসে ফিরে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন। পরে হেলিকপ্টারে ঢাকার উদ্দেশে ঠাকুরগাঁও ছাড়বেন।রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে ঠাকুরগাঁও শহর ফেস্টুন ও ব্যানারে সাজানো হয়েছে। সফরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও এসএসএফসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে। জেলা প্রশাসক রফিকুল হক বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে এবারই প্রথম ঠাকুরগাঁও সফরে আসছেন মির্জা ফখরুল। তাঁর সফরকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবার ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল, প্রস্তুত জেলা

মির্জা ফখরুলকে পুতিনের অভিনন্দন, বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণ কামনা

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।ঢাকার রুশ দূতাবাস জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে পাঠানো এক অভিনন্দনবার্তায় পুতিন আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা জানান।বার্তায় রুশ প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনার পাশাপাশি বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের কল্যাণে তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডে সাফল্য কামনা করেন।রুশ প্রেসিডেন্টের এই অভিনন্দনবার্তাকে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মির্জা ফখরুলকে পুতিনের অভিনন্দন, বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণ কামনা

আজ সন্ধ্যায় শপথ নেবেন ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

বঙ্গভবনের দরবার হলে আজ শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শপথ নেবেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর ধারা ১১ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১-এর বিধি ১২(৬) অনুযায়ী তাঁকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে ভোট গণনা শেষে মির্জা ফখরুলকে বিজয়ী ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।দীর্ঘ ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। অন্যদিকে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট। বৈধ ব্যালটের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল।নির্বাচন কমিশনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নির্বাচনি কর্তা ও নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণার ভিত্তিতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।স্পিকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নির্বাচনএর আগে ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। একই দিন সংবিধানের বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।এরপর রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটে মির্জা ফখরুল সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আজ বঙ্গভবনে শপথ নেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

আজ সন্ধ্যায় শপথ নেবেন ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে প্রধানমন্ত্রীর লাল গোলাপের শুভেচ্ছা

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম পেয়েছেন ৮৮ ভোট।দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট শেষে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। তাঁদের মধ্যে তিনজন ভোট দিতে পারেননি। তাঁরা হলেন ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, চট্টগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে প্রধানমন্ত্রীর লাল গোলাপের শুভেচ্ছা