ঢাকা    রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
চট্টগ্রামে বিএনপির নাম ঘিরে সংঘর্ষ-খুন, বাড়ছে উদ্বেগ

চট্টগ্রামে বিএনপির নাম ঘিরে সংঘর্ষ-খুন, বাড়ছে উদ্বেগ

চট্টগ্রামে গত দেড় বছরে বিএনপি ও দলটির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নাম জড়িয়ে সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ, হত্যা, অস্ত্র উদ্ধার, চাঁদাবাজি ও পুলিশের ওপর হামলার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। প্রতিটি ঘটনার পর স্থানীয় নেতারা পরস্পরকে দায়ী করলেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বলছে, অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।সর্বশেষ গত মঙ্গলবার সীতাকুণ্ডে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন। ককটেল বিস্ফোরণের পাশাপাশি অস্ত্রের মহড়া চলে এবং তিনটি মিনিবাস ভাঙচুর করা হয়। পুলিশ অস্ত্রধারীদের শনাক্তের চেষ্টা করছে।এর দুদিন পর খুলশী ও পাহাড়তলী এলাকায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা ওয়াকিল হোসেন ওরফে বগাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের পর গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে পালিয়ে যান তিনি। ঘটনায় ওসিসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন।গত দেড় বছরে দলীয় কোন্দল ঘিরে চট্টগ্রামে অন্তত পাঁচজন নেতা-কর্মীর মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে বাকলিয়ায় যুবদলের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে ছাত্রদল কর্মী সাজ্জাদ, মীরসরাইয়ে হামলায় ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আহমেদ হৃদয়, রাউজানে যুবদল নেতা জানে আলম সিকদার ও মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ, চান্দগাঁওয়ে যুবদল নেতা ফজলুল আমিন এবং সর্বশেষ রাউজানে যুবদল কর্মী মুহাম্মদ করিম নিহত হয়েছেন।এ ছাড়া রাউজানে বিএনপি-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে। চলতি বছরের মার্চে রাঙ্গুনিয়ায় বিএনপি নেতা মো. ওসমান ও তাঁর মাকে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার ঘটনাও ঘটে।বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে সংঘাত, চাঁদাবাজি বা অস্ত্রবাজিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর ভাষ্য, দেশজুড়ে পাঁচ শতাধিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে বহিষ্কার ও পদ স্থগিতসহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মাসুদ আলম ও নগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীও জানিয়েছেন, অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কেন্দ্রীয় বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা, চাঁদাবাজি বা অস্ত্রবাজিতে জড়িতদের প্রমাণ পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

কক্সবাজারে হোটেল বারে সংঘর্ষ ও ছুরিকাঘাত, নিহত ২

কক্সবাজার শহরের একটি হোটেল বারে কথা-কাটাকাটির জেরে সংঘর্ষ ও ছুরিকাঘাতের ঘটনায় দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন নাজিবুল হক রাশেদ (২৯) ও মোহাম্মদ সোলাইমান (২৮)।এর মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে ছুরিকাঘাতে রাশেদের মৃত্যু হয়। আর ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে স্থানীয় লোকজনের হাতে আটক ও মারধরের শিকার সোলাইমান শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজার শহরের ঝাউতলা এলাকার রেনেসাঁ হোটেলের দোতলায় থাকা বারে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত ১২টার দিকে ফিশারিঘাট এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোলাইমানের মৃত্যু হয়।নিহত রাশেদ শহরের নুনিয়ারছড়া এলাকার এবং সোলাইমান বিজিবি ক্যাম্প এলাকার বাসিন্দা। কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।বারে কথা-কাটাকাটি, পরে ছুরিকাঘাতপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে নাজিবুল হক রাশেদসহ কয়েকজন যুবক রেনেসাঁ হোটেলের বারে বসেছিলেন। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়া শুরু হয়।পরে এক পক্ষ বাইরে থেকে আরও কয়েকজন যুবককে ডেকে আনে। তারা বারে ঢুকে রাশেদের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাঁকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে রাশেদের পেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।পরে তাঁকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।সন্দেহে আটক, পরে হাসপাতালে মৃত্যুরাশেদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাত ১২টার দিকে ফিশারিঘাট এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। এ সময় স্থানীয় লোকজন ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সোলাইমানকে আটক করে মারধর করেন।পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠায়। পুলিশ জানায়, মধ্যম নুনিয়ারছড়া এলাকায় স্থানীয়দের সহযোগিতায় সোলাইমানকে আটক করা হয়েছিল। মারধরের কারণে গুরুতর আহত হওয়ায় প্রথমে তাঁকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।মাদক ব্যবসার টাকা নিয়ে সংঘর্ষের দাবি পুলিশেরকক্সবাজার সদর থানার পুলিশ বলছে, মাদক ব্যবসার টাকা নিয়ে ওই যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় জড়িত কয়েকজনের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং সংঘর্ষে কারা জড়িত ছিলেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।কক্সবাজার সদর থানার ওসি মোহাম্মদ আলী বলেন, রাশেদের মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহকক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. অহিদুর রহমান বলেন, অনুমোদনবিহীন মদের বারটি পরিচালিত হচ্ছিল। হোটেলের বারের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজ পর্যালোচনা করে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।তিনি বলেন, ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে। কীভাবে ঘটনার সূত্রপাত এবং সংঘর্ষে কারা জড়িত ছিলেন, তা তদন্ত করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামতও সংগ্রহ করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, আলামত সংগ্রহ ও অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত রেনেসাঁ হোটেলের বারটি বন্ধ রাখা হয়েছে। ঘটনার সময় বারের নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে কোনো ঘাটতি ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বারের লাইসেন্স নিয়ে ভিন্ন দাবিতবে রেনেসাঁ হোটেলের ব্যবস্থাপক ফয়েজুল হক পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তাঁর দাবি, তাঁদের বারের বৈধ লাইসেন্স রয়েছে এবং সেটি ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত নবায়ন করা হয়েছে।তিনি বলেন, সংঘর্ষে জড়িত যুবকদের মধ্যে কয়েকজনের ব্যক্তিগত মদের লাইসেন্স ছিল, আবার কয়েকজনের ছিল না। ‘ঢাকা থেকে অতিথি এসেছে’ এমন পরিচয়ে অনেকেই বারে প্রবেশ করেছিলেন।দুই যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় সংঘর্ষের সূত্রপাত, এতে কারা জড়িত এবং ঘটনার সময় বারের নিরাপত্তাব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না এসব বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

কক্সবাজারে হোটেল বারে সংঘর্ষ ও ছুরিকাঘাত, নিহত ২

আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, হলে ভাঙচুরের অভিযোগ

রাজধানীর বকশীবাজারে সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া এলাকায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের পর সন্ধ্যায় শিবিরের নেতা-কর্মীরা এলাকা ছেড়ে গেলে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা মাদ্রাসার একমাত্র আবাসিক হল আল্লামা কাশগরী (রহ.) হলে প্রবেশ করেন। এ সময় হলের কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর এবং ফটকে তালা লাগানোর অভিযোগ ওঠে।মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ওবায়দুল হককে মারধরের অভিযোগও পাওয়া গেছে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল থেকে মাদ্রাসার সামনে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিক দফায় সংঘর্ষ হয়। এ সময় ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, পাল্টাপাল্টি ধাওয়া এবং সাত থেকে আটটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছে।অভিযোগ রয়েছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে শিবিরের নেতা-কর্মীরা সরে যাওয়ার পর যুবদলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা হলে প্রবেশ করেন। পরে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে শিবিরের নিয়ন্ত্রণে থাকা কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালানো হয়। হলের শিক্ষার্থীদের বের করে দিয়ে প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়।ফাজিল প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা মো. ইব্রাহীম বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে হলটি সাময়িকভাবে তালাবদ্ধ করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তা খুলে দেওয়া হবে।অন্যদিকে আলিয়া মাদ্রাসা শাখা ছাত্রশিবিরের নেতা আবদুল আলিম অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা হলে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে গেছেন, কক্ষ ভাঙচুর করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র বাইরে ফেলে দিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে এবং হলসংলগ্ন এলাকায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন।এর আগে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি সেমিনারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার জেরে বেলা ৩টার দিকে আলিয়া মাদ্রাসা এলাকায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে প্রথম দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন।শিবিরের দাবি, দুপুরে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা হলে ঢুকে তাদের সদস্যদের মারধর ও কয়েকটি কক্ষে তালা দেন। পরে শিবিরের নেতা-কর্মীরা তাদের বের করে দিলে আবারও সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।অন্যদিকে ছাত্রদলের দাবি, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে শিবিরের নেতা-কর্মীরা হলের কয়েকটি কক্ষ দখলে রেখেছেন। মঙ্গলবার ছাত্রদলের একটি কক্ষে তালা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।বিকেল সোয়া ৫টার দিকে দ্বিতীয় দফার সংঘর্ষ শুরু হলে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে দুই পক্ষের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। পুলিশ প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেলেও পরে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে।সংঘর্ষে শিবিরের প্রায় ২৫ জন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির ঢাকা মহানগর পূর্বের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক দাউদ খান। তার দাবি, আহত ফুয়াদ নামে এক কর্মীর মাথায় ১২টি সেলাই লেগেছে এবং তার অবস্থা গুরুতর।অন্যদিকে ছাত্রদলের নেতা সাদ চৌধুরী দাবি করেন, তাদের ৩০ জনের বেশি নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ছাত্রদল ও যুবদলের দুজনের অবস্থা গুরুতর বলে তিনি জানান।

আলিয়া মাদ্রাসায় ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, হলে ভাঙচুরের অভিযোগ