ঢাকা    রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
হালাল রিজিক ও ঋণমুক্তির জন্য যে দোয়া পড়তেন নবীজি (সা.)

হালাল রিজিক ও ঋণমুক্তির জন্য যে দোয়া পড়তেন নবীজি (সা.)

জীবনে হালাল ও উত্তম রিজিকের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা মুমিনের অন্যতম আমল। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর কাছে হালাল রিজিক প্রার্থনা করতেন এবং দারিদ্র্য থেকে আশ্রয় চাইতেন। ঋণমুক্তির জন্যও একটি বিশেষ দোয়া বর্ণিত হয়েছে।দোয়াটি হলো-আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিকা, ওয়াগনিনী বিফাদ্বলিকা আম্মান সিওয়াক।অর্থ: হে আল্লাহ! আপনার হালাল রিজিক দিয়ে আমাকে হারাম থেকে যথেষ্ট করে দিন এবং আপনার অনুগ্রহে আপনি ছাড়া অন্য সবার অমুখাপেক্ষী করে দিন।আলী (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি তাঁর কাছে এসে নিজের ঋণ পরিশোধে অক্ষমতার কথা জানান। তখন আলী (রা.) তাকে এই দোয়াটি শিখিয়ে বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁকে দোয়াটি শিখিয়েছিলেন। বর্ণনায় এসেছে, কারও ওপর পাহাড়সম ঋণ থাকলেও এই দোয়ার বরকতে আল্লাহ তা পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। (সুনানে তিরমিজি: ৩৫৬৩)ইসলামে রিজিক বলতে শুধু খাবার-পানীয়কে বোঝানো হয় না। আল্লাহর দেওয়া জীবনের সব ধরনের উপকরণ ও নেয়ামতই রিজিকের অন্তর্ভুক্ত। খাবার, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা এবং জীবনধারণের অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধাও এর মধ্যে পড়ে।কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, জমিনে বিচরণকারী যত প্রাণী আছে, সবার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর। (সুরা হুদ: ৬)অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অতি দয়ালু। তিনি যাকে ইচ্ছা রিজিক দান করেন। তিনি মহাশক্তিধর, মহাপরাক্রমশালী। (সুরা শুরা: ১৯)তাই হালাল ও উত্তম রিজিকের জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে নিয়মিত দোয়া ও সৎভাবে উপার্জনের চেষ্টা করা উচিত। মহানবী (সা.)-এর শেখানো দোয়াগুলো আমল করার পাশাপাশি হারাম উপার্জন থেকে দূরে থাকাও জরুরি।