ঢাকা    সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

সোশ্যাল মিডিয়া

অনলাইন প্রেমের আড়ালে প্রতারণা, যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

অনলাইন প্রেমের আড়ালে প্রতারণা, যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

স্মার্টফোন ও ইন্টারনেটের বিস্তারে মানুষের পরিচিত হওয়ার ধরন বদলে গেছে। এখন ঘরে বসেই নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাশাপাশি টিন্ডার, বাম্বল ও ট্যানট্যানের মতো ডেটিং অ্যাপও জনপ্রিয় হচ্ছে। এসব প্ল্যাটফর্মে কেউ খুঁজছেন নতুন বন্ধু, কেউবা জীবনসঙ্গী। তবে অনলাইনে পরিচয়ের এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণার জালও বিস্তার করছে একশ্রেণির অপরাধী।ভুয়া পরিচয়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া, ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে ব্ল্যাকমেইল করা কিংবা নির্দিষ্ট স্থানে ডেকে আটকে রেখে অর্থ আদায়- অনলাইন সম্পর্কের আড়ালে এমন নানা ধরনের অপরাধের অভিযোগ উঠছে। শুরুতে স্বাভাবিক পরিচয় ও আন্তরিক কথাবার্তার মাধ্যমে বিশ্বাস অর্জন করলেও একপর্যায়ে সেই বিশ্বাসকেই প্রতারণার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।ডেটিং অ্যাপ যেভাবে কাজ করেডেটিং অ্যাপ এমন একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা নিজেদের ছবি, বয়স, পছন্দ ও সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দিয়ে প্রোফাইল তৈরি করেন। এরপর অন্য ব্যবহারকারীদের সঙ্গে পরিচিত হওয়া ও যোগাযোগের সুযোগ পান। কারও উদ্দেশ্য বন্ধুত্ব, আবার কেউ খোঁজেন প্রেমের সম্পর্ক কিংবা জীবনসঙ্গী।নিয়মিত কথাবার্তার মধ্য দিয়ে দুই ব্যক্তির মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হতে পারে। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয়, যখন কেউ ভুয়া পরিচয়, অন্যের ছবি কিংবা মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করেন। আকর্ষণীয় প্রোফাইল ও আবেগপূর্ণ কথাবার্তার আড়ালে তখন চলতে পারে প্রতারণার প্রস্তুতি।প্রেমের সম্পর্ক গড়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়াঅনলাইন প্রতারকেরা সাধারণত প্রথমে ভুক্তভোগীর সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন। নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া, ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলা এবং আবেগের জায়গায় প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে তাঁরা আস্থা অর্জন করেন। কখনো অল্প সময়ের মধ্যেই ভালোবাসা কিংবা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ককে গভীর করার চেষ্টা করা হয়।একপর্যায়ে নানা অজুহাতে অর্থ চাওয়া শুরু হয়। কেউ অসুস্থতার কথা বলেন, কেউ বিপদে পড়ার গল্প শোনান। আবার কেউ বিদেশ থেকে দামি উপহার পাঠানোর কথা বলে কাস্টমস বা ডেলিভারি খরচের নামে টাকা দাবি করেন।সম্পর্কের প্রতি বিশ্বাস থেকে অনেকেই অর্থ পাঠিয়ে দেন। পরে দেখা যায়, প্রতিশ্রুত উপহার আর আসে না, কথিত সমস্যারও সমাধান হয় না। একসময় যোগাযোগ বন্ধ করে দেন প্রতারক।ব্যক্তিগত ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেইলঅনলাইন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইল করার ঝুঁকিও রয়েছে। ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়ে প্রতারকেরা ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও সংগ্রহ করতে পারেন। কখনো ভিডিও কলের সময় গোপনে স্ক্রিন রেকর্ড করা হয়। পরে এসব ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে অর্থ দাবি করা হয়।কিছু ক্ষেত্রে ভুয়া আইডি থেকে আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। সামাজিক সম্মান ও পরিবারের কথা ভেবে ভুক্তভোগীদের অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তাঁদের এই ভয়কে কাজে লাগিয়ে প্রতারকেরা বারবার অর্থ দাবি করতে পারেন। একবার টাকা দেওয়ার পরও দাবি বন্ধ না হয়ে বরং আরও বাড়তে পারে।ভুয়া প্রোফাইলের যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেনঅনলাইনে কারও সঙ্গে পরিচয় হলেই তাঁকে বিশ্বাস করা ঠিক নয়। কিছু আচরণ সন্দেহের কারণ হতে পারে। যেমন-·        প্রোফাইলে খুব কম ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য থাকা।·        অল্প পরিচয়েই প্রেম, বিয়ে বা গভীর সম্পর্কের প্রস্তাব দেওয়া।·        দ্রুত ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও চাওয়া।·        পরিচয়ের শুরুতেই টাকা বা আর্থিক সহায়তা চাওয়া।·        সরাসরি দেখা করা কিংবা ভিডিও কলে কথা বলার ক্ষেত্রে বারবার অজুহাত দেখানো।·        বিদেশ থেকে উপহার পাঠানোর কথা বলে কাস্টমস বা ডেলিভারি খরচ দাবি করা।·        কথাবার্তায় অসংগতি থাকা কিংবা পরিচয় সম্পর্কে বারবার তথ্য পরিবর্তন করা।এ ধরনের লক্ষণ দেখা গেলে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। সম্ভব হলে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করতে হবে। অনলাইনে পরিচিত কারও কথার ওপর নির্ভর করে অর্থ পাঠানো কিংবা ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও শেয়ার করার আগে ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনা করা জরুরি।বাংলাদেশেও বাড়ছে অনলাইন প্রতারণার অভিযোগবাংলাদেশেও অনলাইন প্রেমের নামে প্রতারণার বিভিন্ন ঘটনা সামনে এসেছে। ডেটিং অ্যাপের পাশাপাশি ফেসবুক, ইমো ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে অপরাধীরা মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে প্রতারণা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।অতীতেও ডেটিং অ্যাপে পরিচয়ের সূত্র ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে অপহরণ, আটকে রাখা এবং ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে এবং গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটেছে।এআই দিয়ে ভুয়া পরিচয়, হানিট্র্যাপের অভিযোগসাম্প্রতিক দুটি ঘটনা অনলাইন সম্পর্কের আড়ালে প্রতারণার কৌশল সম্পর্কে নতুন করে সতর্ক করেছে।২০২৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) একজনকে গ্রেপ্তারের কথা জানায়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এক নারী সদস্যের ছবি ও ভিডিও তৈরি করেন। পরে নিজেকে নারী সেনাসদস্য পরিচয় দিয়ে ফেসবুক ও ইমোর মাধ্যমে ইতালিপ্রবাসী এক তরুণের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এভাবে ওই তরুণের কাছ থেকে প্রায় সাত লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে।এরপর ২৫ অক্টোবর রাজধানীর তুরাগ এলাকায় হানিট্র্যাপ ও ব্ল্যাকমেইল চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, চক্রটির সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয়ে বিত্তশালী পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। পরে তাঁদের নির্দিষ্ট বাসা বা হোটেলে ডেকে আটকে রেখে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হতো। এসব ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।অনলাইন সম্পর্কে সতর্কতাই সুরক্ষার প্রথম ধাপপ্রযুক্তি মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। তবে অনলাইনে পরিচিত ব্যক্তির পরিচয় ও উদ্দেশ্য সব সময় সহজে যাচাই করা যায় না। তাই সম্পর্কের শুরুতেই অতিরিক্ত ব্যক্তিগত তথ্য, ছবি, ভিডিও কিংবা আর্থিক তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকা উচিত।কেউ অর্থ দাবি করলে, ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশের হুমকি দিলে কিংবা দেখা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করলে বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। ব্ল্যাকমেইলের শিকার হলে আতঙ্কে টাকা না দিয়ে প্রমাণ হিসেবে কথোপকথন, প্রোফাইলের তথ্য ও লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষণ করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া জরুরি।অনলাইনে সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে আন্তরিকতা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে। কিন্তু সেই বিশ্বাস যেন প্রতারণার সুযোগ তৈরি না করে, সে জন্য সচেতনতা ও সতর্কতার বিকল্প নেই।

মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্‌যাপন, মেয়ের সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা বাবা-মায়ের

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও সাইফান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা কায়েস আহমেদ সেলিম এবং রাহা কায়েসের মেয়ে মেহেরিমা কায়েসের আজ জন্মদিন।রাজধানীর একটি সুনামধন্য পার্টি সেন্টারে বিশাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাত ১২টায় কেক কেটে মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্‌যাপন করা হয়। এ সময় পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।জন্মদিনের আয়োজনে অতিথিদের জন্য রাখা হয় নানা ধরনের খাবারের ব্যবস্থা। বিভিন্ন পদে সাজানো খাবার অতিথিদের আপ্যায়ন করে। আয়োজনে উপস্থিত অতিথিরা খাবারের বৈচিত্র্য ও স্বাদের প্রশংসা করেন। সব মিলিয়ে আনন্দ, আড্ডা ও ভালোবাসায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।ছোট্ট ও মিষ্টি মেয়ে মেহেরিমার জন্মদিনে পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন তিনি। জন্মদিনটি শুভ ও আনন্দময় হয়ে উঠেছে পরিবারের সবার কাছে। মেহেরিমার পথচলা আরও প্রাণবন্ত, সুন্দর ও সুখময় হোক এমন প্রত্যাশা পরিবারের।মেয়ের জন্মদিন উপলক্ষে মা রাহা কায়েস সবার কাছে মেহেরিমার জন্য দোয়া চেয়েছেন। তিনি চান, জীবনের প্রতিটি ধাপে মেহেরিমা ভালোবাসা, আনন্দ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিয়ে এগিয়ে যাক। তাঁর জীবনের প্রতিটি নতুন দিন যেন বয়ে আনে সুখ, শান্তি ও সাফল্য এমন প্রত্যাশাও পরিবারের।মেহেরিমার স্বভাব ও ব্যক্তিত্বের কথা তুলে ধরে তার বাবা কায়েস আহমেদ সেলিম বলেন, আমার মেয়ে অত্যন্ত ভদ্র ও মিষ্টভাষী। তার এই মিষ্টভাষিতা ও ভদ্রতা যেন সারা জীবন তার মধ্যে থাকে সেই কামনা করি। আমার মেয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন, সে যেন মানুষের কল্যাণে মানুষের পাশে থাকতে পারে।জন্মদিনে মেহেরিমার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে রইল ভালোবাসা ও শুভকামনা। নতুন বয়সে তার পথচলা হোক আনন্দময়, সুন্দর ও মানবিকতায় পূর্ণ। জীবনের প্রতিটি অধ্যায় হয়ে উঠুক আরও উজ্জ্বল ও সুখময়, এমন শুভকামনাই পরিবার ও স্বজনদের।

মেহেরিমা কায়েসের জন্মদিন উদ্‌যাপন, মেয়ের সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা বাবা-মায়ের

ফেসবুকে রিচ ও আয় বাড়াতে যে ধরনের কনটেন্টে গুরুত্ব দিচ্ছে প্ল্যাটফর্ম

ফেসবুক পেজ থেকে আয় ও রিচ বাড়াতে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। এখন শুধু নিয়মিত পোস্ট করলেই হবে না, কনটেন্টে নির্মাতার নিজস্ব চিন্তা, সৃজনশীলতা ও নতুন মূল্য সংযোজন আছে কি না, সেটিও গুরুত্ব পাচ্ছে।ফেসবুকের নীতিমালা অনুযায়ী, নির্মাতার নিজের ধারণ করা ভিডিও, নিজস্ব পরিকল্পনা, কণ্ঠ, উপস্থাপনা ও অভিজ্ঞতা-নির্ভর কনটেন্টকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। কোনো বিষয়ে নিজস্ব গবেষণা ও বিশ্লেষণ যুক্ত করলেও কনটেন্টের গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে পারে।অন্যের ভিডিও বা ফুটেজ ব্যবহার করলেও তাতে নতুন তথ্য, বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা বা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করতে হবে। শুধু ভিডিও পুনঃপ্রকাশ করলে সেটিকে মৌলিক কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।ভিডিওতে শুধু ক্যাপশন, বর্ডার বা গান পরিবর্তন, কিংবা গতি কমানো-বাড়ানোর মতো সামান্য সম্পাদনাও অরিজিনাল কনটেন্ট হিসেবে গণ্য হয় না। রিঅ্যাকশন ভিডিওর ক্ষেত্রেও নির্মাতার নিজস্ব মতামত ও বিশ্লেষণ থাকা প্রয়োজন।এ ছাড়া সাম্প্রতিক ও আলোচিত বিষয় নিয়ে কনটেন্ট তৈরি, ফেসবুকের ট্রেন্ড ও হ্যাশট্যাগ বিশ্লেষণ এবং নিয়মিত রিলস প্রকাশের মাধ্যমে অর্গানিক রিচ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে কমেন্টের উত্তর, পোল ও প্রশ্নভিত্তিক পোস্টও কার্যকর হতে পারে।ফেসবুক থেকে আয় করতে হলে সংশ্লিষ্ট মনিটাইজেশন শর্ত পূরণের পাশাপাশি কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলতে হবে। ফলোয়ার, ভিডিওর ওয়াচ টাইম এবং যোগ্যতা অনুযায়ী ইন-স্ট্রিম অ্যাডস ও ফেসবুক স্টারসের মতো ফিচার থেকেও আয়ের সুযোগ রয়েছে।সব মিলিয়ে, ফেসবুকে দীর্ঘমেয়াদে রিচ ও আয় বাড়াতে অন্যের কনটেন্ট কপি করার বদলে নিজস্ব পরিকল্পনা, তথ্য, অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে মানসম্মত কনটেন্ট তৈরির ওপরই গুরুত্ব দিতে হবে।

ফেসবুকে রিচ ও আয় বাড়াতে যে ধরনের কনটেন্টে গুরুত্ব দিচ্ছে প্ল্যাটফর্ম