ঢাকা    রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

কারখানা বন্ধ, তবু গ্যাস বিল: বিসিআইসির বাড়তি ব্যয় ৬২ কোটি টাকা


শেখ মো: বেলায়েত হোসেন
শেখ মো: বেলায়েত হোসেন রিপোর্টার

কারখানা বন্ধ, তবু গ্যাস বিল: বিসিআইসির বাড়তি ব্যয় ৬২ কোটি টাকা
ছবি: সংগ্রহ

সার কারখানাগুলো বছরের উল্লেখযোগ্য সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলেও প্লান্ট সংরক্ষণ বাপ্রিজারভেশনকাজে গ্যাস ব্যবহার করতে হয়। উৎপাদন বন্ধের সময়ে ব্যবহৃত সেই গ্যাসের জন্যও বর্তমানে উচ্চমূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে (বিসিআইসি) এতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির ওপর প্রায় ৬২ কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।

বিসিআইসির দাবি, সার কারখানাগুলোয় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের শর্ত বাস্তবে পূরণ হয়নি। তাই উৎপাদন বন্ধ থাকা অবস্থায় প্লান্ট সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ২৯ টাকা ২৫ পয়সার পরিবর্তে আগের মতো ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হোক। বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জ্বালানি খনিজ সম্পদ বিভাগের হস্তক্ষেপ চেয়েছে সংস্থাটি।

বিসিআইসি সূত্রে জানা গেছে, গ্যাসের মূল্য সরবরাহ নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ইউরিয়া সার কারখানাকে ঘিরেই মূলত জটিলতা তৈরি হয়েছে। গ্যাস-সংকটের কারণে এসব কারখানায় বছরের বড় একটি সময় উৎপাদন বন্ধ থাকে। তবে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও কারখানার যন্ত্রপাতি সুরক্ষিত রাখতে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে প্লান্ট সংরক্ষণ করতে হয়। কাজে কিছু পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার অব্যাহত রাখতে হয়।

বিসিআইসি জানিয়েছে, ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল প্রাকৃতিক গ্যাস। সরবরাহ-সংকটের কারণে পেট্রোবাংলা বিভিন্ন সময়ে সার কারখানাগুলোয় গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেয় বা পুরোপুরি বন্ধ রাখে। এতে উৎপাদন ব্যাহত হলেও প্লান্ট পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে রাখা সম্ভব হয় না।

বিসিআইসির চেয়ারম্যান . মো. মাহমুদুর রহমানআমার দেশকে বলেন, গ্যাসের মূল্য কমানোর দাবি জানানো হয়েছে। বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার প্রিজারভেশনের কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করবে বলে তিনি আশা করেন।

কেন প্রিজারভেশনে গ্যাস লাগে

বিসিআইসির তথ্য অনুযায়ী, সার উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ অন্যান্য উপাদান কারখানার যন্ত্রপাতিতে ক্ষয় সৃষ্টি করতে পারে। কারণে উৎপাদন বন্ধ থাকার সময়ও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় প্লান্ট সংরক্ষণ করতে হয়। এই সংরক্ষণ কার্যক্রমে গ্যাস প্রয়োজন হয়। ফলে উৎপাদন না হলেও কারখানাগুলোর গ্যাস ব্যবহার এবং এর বিল পরিশোধ অব্যাহত থাকে।

চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ইউরিয়া সার কারখানা থেকে বছরে ন্যূনতম ১৮ লাখ টন সার উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। জন্য বছরে ৩৩০ দিন ৭০ শতাংশ লোডে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা করা হয়। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অতিরিক্ত সাত কার্গো এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং গ্যাসের মিশ্রিত মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

পেট্রোবাংলা প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ২৮ টাকা ৭৮ পয়সা প্রস্তাব করেছিল। তবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) মূল্যায়নে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মিশ্রিত গড় ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় ২১ টাকা ১৫ পয়সা। শেষ পর্যন্ত সার কারখানার জন্য গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ২৯ টাকা ২৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয় এবং বছরে ৩৩০ দিন নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিসিআইসির আপত্তি মূলত এখানেই। সংস্থাটির বক্তব্য, গ্যাসের দাম বাড়ানোর যে শর্তের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের বিষয়টি যুক্ত ছিল, তা বাস্তবে পূরণ হয়নি।

গণশুনানিতেও বিসিআইসির আপত্তি

গ্যাসের মূল্য বাড়ানোর আগে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছিল বিসিআইসি। সংস্থাটি জানিয়েছিল, প্রতিদিন ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ করা হলে এবং বছরে ৩৩০ দিনের হিসাব ধরে গ্যাসের দাম যৌক্তিকভাবে বাড়ানো যেতে পারে। কিন্তু সরবরাহ এর চেয়ে কম হলে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ১৬ টাকা রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

বিসিআইসির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার সময়ে চারটি সার কারখানার প্লান্ট প্রিজারভেশনের কাজে প্রায় কোটি ৬৬ লাখ ঘনমিটার গ্যাস ব্যবহার হয়েছে। বর্তমান ২৯ টাকা ২৫ পয়সা দরে ওই গ্যাসের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১৩৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আর প্রতি ঘনমিটার ১৬ টাকা হিসাবে একই গ্যাসের দাম হতো প্রায় ৭৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

দুই দরের ব্যবধান হিসাব করলে শুধু প্লান্ট সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত গ্যাসেই প্রায় ৬২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল কারখানা

বিসিআসির তথ্য বলছে, গত অর্থবছরে চারটি সার কারখানাই উল্লেখযোগ্য সময় উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। এর মধ্যে ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার কারখানা ৩২ দিন, শাহজালাল সার কারখানা ৪৪ দিন, যমুনা সার কারখানা ১৬৪ দিন এবং চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কারখানা ১৭৩ দিন বন্ধ ছিল।

অর্থাৎ উৎপাদন বন্ধ থাকার সময়ও এসব কারখানার পরিচালন ব্যয় এবং প্লান্ট সংরক্ষণের খরচ অব্যাহত ছিল।

বিসিআইসি জানিয়েছে, ২০২২ সালে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের শর্তে সার কারখানার গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৬ টাকা করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরও প্রত্যাশিত মাত্রায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায়নি। পরে অতিরিক্ত এলএনজি আমদানির মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হলে আবারও গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়।

অবস্থায় উৎপাদন বন্ধ থাকা অবস্থায় প্লান্ট প্রিজারভেশনের জন্য ব্যবহৃত গ্যাসের মূল্য আগের ১৬ টাকা হারে নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে বিসিআইসি।

বিষয় : সার কারখানা বিসিআইসি সার কারখানার প্লান্ট সংরক্ষণ

দৈনিক নবকাল

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কারখানা বন্ধ, তবু গ্যাস বিল: বিসিআইসির বাড়তি ব্যয় ৬২ কোটি টাকা

প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সার কারখানাগুলো বছরের উল্লেখযোগ্য সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলেও প্লান্ট সংরক্ষণ বাপ্রিজারভেশনকাজে গ্যাস ব্যবহার করতে হয়। উৎপাদন বন্ধের সময়ে ব্যবহৃত সেই গ্যাসের জন্যও বর্তমানে উচ্চমূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনকে (বিসিআইসি) এতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটির ওপর প্রায় ৬২ কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।

বিসিআইসির দাবি, সার কারখানাগুলোয় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের শর্ত বাস্তবে পূরণ হয়নি। তাই উৎপাদন বন্ধ থাকা অবস্থায় প্লান্ট সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ২৯ টাকা ২৫ পয়সার পরিবর্তে আগের মতো ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হোক। বিষয়ে শিল্প মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জ্বালানি খনিজ সম্পদ বিভাগের হস্তক্ষেপ চেয়েছে সংস্থাটি।

বিসিআইসি সূত্রে জানা গেছে, গ্যাসের মূল্য সরবরাহ নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ইউরিয়া সার কারখানাকে ঘিরেই মূলত জটিলতা তৈরি হয়েছে। গ্যাস-সংকটের কারণে এসব কারখানায় বছরের বড় একটি সময় উৎপাদন বন্ধ থাকে। তবে উৎপাদন বন্ধ থাকলেও কারখানার যন্ত্রপাতি সুরক্ষিত রাখতে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে প্লান্ট সংরক্ষণ করতে হয়। কাজে কিছু পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার অব্যাহত রাখতে হয়।

বিসিআইসি জানিয়েছে, ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল প্রাকৃতিক গ্যাস। সরবরাহ-সংকটের কারণে পেট্রোবাংলা বিভিন্ন সময়ে সার কারখানাগুলোয় গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেয় বা পুরোপুরি বন্ধ রাখে। এতে উৎপাদন ব্যাহত হলেও প্লান্ট পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে রাখা সম্ভব হয় না।

বিসিআইসির চেয়ারম্যান . মো. মাহমুদুর রহমানআমার দেশকে বলেন, গ্যাসের মূল্য কমানোর দাবি জানানো হয়েছে। বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার প্রিজারভেশনের কাজে ব্যবহৃত গ্যাসের মূল্য সমন্বয় করবে বলে তিনি আশা করেন।

কেন প্রিজারভেশনে গ্যাস লাগে

বিসিআইসির তথ্য অনুযায়ী, সার উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ অন্যান্য উপাদান কারখানার যন্ত্রপাতিতে ক্ষয় সৃষ্টি করতে পারে। কারণে উৎপাদন বন্ধ থাকার সময়ও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় প্লান্ট সংরক্ষণ করতে হয়। এই সংরক্ষণ কার্যক্রমে গ্যাস প্রয়োজন হয়। ফলে উৎপাদন না হলেও কারখানাগুলোর গ্যাস ব্যবহার এবং এর বিল পরিশোধ অব্যাহত থাকে।

চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ইউরিয়া সার কারখানা থেকে বছরে ন্যূনতম ১৮ লাখ টন সার উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। জন্য বছরে ৩৩০ দিন ৭০ শতাংশ লোডে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা করা হয়। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে অতিরিক্ত সাত কার্গো এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং গ্যাসের মিশ্রিত মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

পেট্রোবাংলা প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ২৮ টাকা ৭৮ পয়সা প্রস্তাব করেছিল। তবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) মূল্যায়নে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মিশ্রিত গড় ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় ২১ টাকা ১৫ পয়সা। শেষ পর্যন্ত সার কারখানার জন্য গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার ২৯ টাকা ২৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয় এবং বছরে ৩৩০ দিন নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিসিআইসির আপত্তি মূলত এখানেই। সংস্থাটির বক্তব্য, গ্যাসের দাম বাড়ানোর যে শর্তের সঙ্গে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহের বিষয়টি যুক্ত ছিল, তা বাস্তবে পূরণ হয়নি।

গণশুনানিতেও বিসিআইসির আপত্তি

গ্যাসের মূল্য বাড়ানোর আগে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছিল বিসিআইসি। সংস্থাটি জানিয়েছিল, প্রতিদিন ১৯৭ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস নিরবচ্ছিন্নভাবে সরবরাহ করা হলে এবং বছরে ৩৩০ দিনের হিসাব ধরে গ্যাসের দাম যৌক্তিকভাবে বাড়ানো যেতে পারে। কিন্তু সরবরাহ এর চেয়ে কম হলে প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের দাম ১৬ টাকা রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

বিসিআইসির হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার সময়ে চারটি সার কারখানার প্লান্ট প্রিজারভেশনের কাজে প্রায় কোটি ৬৬ লাখ ঘনমিটার গ্যাস ব্যবহার হয়েছে। বর্তমান ২৯ টাকা ২৫ পয়সা দরে ওই গ্যাসের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১৩৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আর প্রতি ঘনমিটার ১৬ টাকা হিসাবে একই গ্যাসের দাম হতো প্রায় ৭৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

দুই দরের ব্যবধান হিসাব করলে শুধু প্লান্ট সংরক্ষণের কাজে ব্যবহৃত গ্যাসেই প্রায় ৬২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ তৈরি হয়েছে।

দীর্ঘ সময় বন্ধ ছিল কারখানা

বিসিআসির তথ্য বলছে, গত অর্থবছরে চারটি সার কারখানাই উল্লেখযোগ্য সময় উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। এর মধ্যে ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার কারখানা ৩২ দিন, শাহজালাল সার কারখানা ৪৪ দিন, যমুনা সার কারখানা ১৬৪ দিন এবং চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কারখানা ১৭৩ দিন বন্ধ ছিল।

অর্থাৎ উৎপাদন বন্ধ থাকার সময়ও এসব কারখানার পরিচালন ব্যয় এবং প্লান্ট সংরক্ষণের খরচ অব্যাহত ছিল।

বিসিআইসি জানিয়েছে, ২০২২ সালে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহের শর্তে সার কারখানার গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটার টাকা ৪৫ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১৬ টাকা করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরও প্রত্যাশিত মাত্রায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায়নি। পরে অতিরিক্ত এলএনজি আমদানির মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হলে আবারও গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়।

অবস্থায় উৎপাদন বন্ধ থাকা অবস্থায় প্লান্ট প্রিজারভেশনের জন্য ব্যবহৃত গ্যাসের মূল্য আগের ১৬ টাকা হারে নির্ধারণের দাবি জানিয়েছে বিসিআইসি।


দৈনিক নবকাল

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কায়েস আহমেদ সেলিম
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নবকাল
কারখানা বন্ধ, তবু গ্যাস বিল: বিসিআইসির বাড়তি ব্যয় ৬২ কোটি টাকা
0:00 0:00
1.0x