ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: জাহেদ উর রহমান

বাঁধনের ওপর হামলার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: জাহেদ উর রহমান

ইতালিতে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, এ ঘটনায় ইতালি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সাপ্তাহিক নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জাহেদ উর রহমান।উপদেষ্টা বলেন, আমি আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল মনে করি না, এটি একটি মাফিয়া গ্যাং।অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলার প্রসঙ্গে জাহেদ উর রহমান বলেন, একটি মাফিয়া গ্যাংয়ের হামলার শিকার হওয়া প্রমাণ করে যে বাঁধন সঠিক পথেই ছিলেন।স্থানীয় সময় সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ইতালির ভেনিসে অবস্থানকালে একদল প্রবাসী বাঁধনকে লক্ষ্য করে পানি ও পচা ডিম নিক্ষেপ করেন বলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে জানান তিনি। এ সময় তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন বাঁধন।বাঁধনের অভিযোগ, জুলাই আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার কারণে ভেনিস আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পরিচয়দানকারী কয়েকজন নেতাকর্মী তাঁর ওপর এ হামলা চালিয়েছেন।ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ছাত্রলীগ পরিচয় দিয়ে বাঁধনের ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করছেন। একপর্যায়ে সঙ্গে থাকা তাঁর ভাই তাঁকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।ঘটনার পর ফেসবুক লাইভে এসে বাঁধন বলেন, তিনি তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলেন। সেখানে কয়েকজন বাঙালি তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করেন এবং তাঁর গায়ে পানি ও কোক ছুড়ে মারেন। তাঁর ভাইয়ের ছোট শিশুও সেখানে ছিল বলে জানান তিনি।বাঁধন বলেন, ‘আমার গায়েও হাত তুলেছে, আমার ফোন ফেলে দিয়েছে, আমার কানের এখানে বাড়ি মেরেছে।’তিনি আরও বলেন, হামলাকারীরা তাঁকে ‘জুলাইযোদ্ধা’ বলে উল্লেখ করেন। বাঁধন বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি জুলাইযোদ্ধা। আমি অবশ্যই জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছি।’বাঁধনের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা নিজেদের বঙ্গবন্ধুর সৈনিক বলে পরিচয় দেন এবং তাঁকে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলতে বাধ্য করেন। তাঁরা এসব ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভও করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন বাঁধন। ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে তিনি দেশটিতে গেছেন।

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের ‘মিটিং’ থেকে সাংবাদিকসহ গ্রেপ্তার ১৫

চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের একটি সভা থেকে সাংবাদিকসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশের ভাষ্য, ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা করার জন্য আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মনসুরাবাদ এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। খবর পেয়ে শনিবার বিকেলে মনসুরাবাদ ওয়াপদা কলোনির পাশে হাজী ফজলুল করিম চৌধুরী ‘রয়েল টাচ’ অ্যাপার্টমেন্টের পঞ্চম তলায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখান থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।গ্রেপ্তার ১৫ জনের মধ্যে পাঁচজন নারী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট উম্মে হাবিবা, হালিশহর থানা আওয়ামী লীগের দপ্তরবিষয়ক সম্পাদক ইস্কান্দার মির্জা এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বঙ্গবন্ধু পরিষদের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শুভ আইচ।এ ছাড়া গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুব মহিলা লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামেলা খানম রুপা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক সুজলা অন্তরা এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শারমিনা ইয়াসমিন নিশু।পুলিশ আরও যাঁদের গ্রেপ্তার করেছে, তাঁরা হলেন সঞ্জয় কান্তি নাথ, এস এম সালাউদ্দিন, আহসান আবিদ, সুলতান মাহমুদ জিদান, পার্থ প্রতিম নন্দী, সাংবাদিক যীশু রায় চৌধুরী, মশিউর রহমান আবীর, আয়েশা হেভেন ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন।ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর আলম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় ডবলমুরিং থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলার নম্বর ১২। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের ‘মিটিং’ থেকে সাংবাদিকসহ গ্রেপ্তার ১৫