ঢাকা    রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
প্রিন্টিং মেশিনের নামে আমদানি, কনটেইনারে মিলল ৪০ লাখ জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প

প্রিন্টিং মেশিনের নামে আমদানি, কনটেইনারে মিলল ৪০ লাখ জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প

প্রিন্টিং মেশিন আমদানির ঘোষণা দিয়ে আনা একটি কনটেইনারে বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী ও ৪০ লাখ ৮০ হাজার পিস জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) এবং চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখা। এ ঘটনায় প্রায় ৪৬ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে।আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এনবিআর।এনবিআর জানায়, ঢাকার যমুনা ফিউচার পার্কের লেভেল-৩, ব্লক-এ, শপ নম্বর 3C004A ঠিকানায় অবস্থিত চায়না মার্ট নামের প্রতিষ্ঠানের নামে চালানটি আমদানি করা হয়। ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট চালানটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। এতে পণ্য হিসেবে ‘প্রিন্টিং মেশিন’ ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।বিশেষ নজরদারিতে থাকা চালানটি গত ৫ নভেম্বর সিআইসি ও চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের এআইআর শাখার কর্মকর্তারা যৌথভাবে পরীক্ষা করেন। এ সময় ঘোষিত কোনো প্রিন্টিং মেশিন পাওয়া যায়নি। বরং কনটেইনারে বিপুল পরিমাণ প্রসাধনী সামগ্রী ও জাল সিগারেটের স্ট্যাম্প পাওয়া যায়।এনবিআরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উদ্ধার করা জাল স্ট্যাম্পগুলো মূলত নিম্নস্তরের ২০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটে ব্যবহারের উপযোগী। দেশে এ ধরনের এক প্যাকেট সিগারেটের নির্ধারিত খুচরা মূল্য ১৩০ টাকা। এর বিপরীতে সরকার রাজস্ব পায় ১০৬ টাকা ৬০ পয়সা।উদ্ধার করা জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে অবৈধভাবে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করা হলে সরকারের আনুমানিক ৪৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব ক্ষতি হতে পারত বলে জানিয়েছে এনবিআর।অন্যদিকে, চালানটিতে পাওয়া প্রসাধনী সামগ্রীর বিপরীতে প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির বিষয়টি চিহ্নিত করা হয়েছে।এনবিআরের হিসাবে, জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে সম্ভাব্য রাজস্ব ক্ষতি এবং প্রসাধনী আমদানিতে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা মিলিয়ে মোট রাজস্ব ঝুঁকির পরিমাণ প্রায় ৪৬ কোটি টাকা।