ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
জাতি গঠনে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

জাতি গঠনে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

জাতি গঠন ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তরুণ সমাজকে অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, জ্ঞানচর্চা, দেশপ্রেম ও বাস্তবমুখী দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে তরুণেরা দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।সোমবার ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত এক বিশেষ অতিথি বক্তৃতায় এসব কথা বলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা।অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আধুনিক বিশ্বে জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সীমান্ত সুরক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে মানবিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও কৌশলগত স্থিতিশীলতারও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে।প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই দর্শনে উদ্বুদ্ধ হয়ে তরুণদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ব্র্যাক শিক্ষার্থীদের ভূমিকার প্রশংসা২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন এ কে এম শামছুল ইসলাম। তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় সহপাঠীদের রক্তে রঞ্জিত রাজপথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান এবং আন্দোলনকারীদের সুরক্ষায় শিক্ষার্থীরা যে ভূমিকা রেখেছিলেন, তা সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের অনন্য দৃষ্টান্ত।তাঁর মতে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে তরুণদের এই আত্মত্যাগ ও ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারের পতন এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের আকাঙ্ক্ষাকে শক্তিশালী করেছিল।প্রযুক্তি ও নৈতিকতায় এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশাপ্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ, নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা ও দেশপ্রেমের চেতনায় বলীয়ান হয়ে তরুণেরা ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করবেন। তাঁদের হাত ধরেই বাংলাদেশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য সৈয়দ ফারহাত আনোয়ারসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

রোহিঙ্গা সংকটে পরিবেশ, নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে: সেনাপ্রধান

রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী উপস্থিতি বাংলাদেশের পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের একটি অংশ পরিবেশ ধ্বংস, মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।বৃহস্পতিবার মিরপুর সেনানিবাসের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) তিন সপ্তাহব্যাপী ক্যাপস্টোন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন।জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থানের কারণে পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পাশাপাশি মাদক চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকিও বাড়ছে।তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় দেশের অর্থনীতির ওপরও বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সংকটটির প্রভাব শুধু মানবিক ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নেই; পরিবেশ, নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতেও এর প্রভাব পড়ছে।অনুষ্ঠানে এনডিসির কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. ফয়জুর রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি নেতৃত্বের সক্ষমতা বাড়ানোই ছিল ক্যাপস্টোন কোর্সের অন্যতম উদ্দেশ্য।তিন সপ্তাহের এই কোর্সে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা, জাতীয় ও আঞ্চলিক রাজনীতি, আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি, রোহিঙ্গা সংকট, পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা, জ্বালানি, বিনিয়োগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচারব্যবস্থা ও গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।কোর্সে বিভিন্ন বিষয়ের বিশেষজ্ঞরা তাঁদের মতামত তুলে ধরেন এবং অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। অংশগ্রহণকারীরাও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাঁদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।এবারের ক্যাপস্টোন কোর্সে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, কূটনীতিক, সাংবাদিক ও করপোরেট প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পেশার ৩৭ জন অংশ নেন।সমাপনী অনুষ্ঠানে কোর্সে অংশ নেওয়া ফেলোদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন সেনাপ্রধান। অনুষ্ঠানে কোর্সের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জন তুলে ধরা হয়।

রোহিঙ্গা সংকটে পরিবেশ, নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে: সেনাপ্রধান

ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা-শেরপুর সীমান্তে চোরাচালানের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক

ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও শেরপুরের ভারতের মেঘালয়সংলগ্ন সীমান্তের বিভিন্ন অংশ দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে মাদক, অস্ত্র, গবাদিপশু ও বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য আনা-নেওয়া হচ্ছে।হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদীর বিভিন্ন সীমান্তপথে এই অবৈধ বাণিজ্য চলছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। দুর্গম ভূপ্রকৃতি ও বাংলাদেশের নিজস্ব কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় এসব এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি কঠিন।অনুসন্ধানে ভারত থেকে অস্ত্র, মাদক, বিদেশি মদ, ওষুধ, গরু ও বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য প্রবেশের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও মাছ, কৃষিপণ্য, খাদ্যসামগ্রী, প্লাস্টিক পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য ভারতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাই পণ্য বিক্রির জন্য বাজারও গড়ে উঠেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এসব বাজারে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা আসেন। ফলে সীমান্তকেন্দ্রিক অবৈধ বাণিজ্য একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চোরাচালান এখন শুধু রাজস্ব ক্ষতির বিষয় নয়; এর সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা, দেশীয় শিল্প, আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার বিষয়ও জড়িত। সীমান্তে আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি, জনবল ও অবকাঠামো বাড়ানোর পাশাপাশি কার্যকর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।বিজিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সীমান্তের দুর্গমতা ও সীমিত জনবলের কথা জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য, নিয়মিত টহল, অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে চোরাচালান প্রতিরোধে কাজ চলছে। তবে জনবল ও আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা বাড়ানো গেলে এ কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা-শেরপুর সীমান্তে চোরাচালানের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক

তিনটি রুটে পার্বত্য এলাকায় অস্ত্র ঢুকছে: নুরুল হক নুর

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে রাজনীতিকেরা এখনো সচেতন না হলে সামনে দেশকে বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। তাঁর মতে, পরিস্থিতি একপর্যায়ে দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে ষড়যন্ত্র, সার্বভৌমত্বের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।পাহাড়ে অস্ত্র প্রবেশ নিয়ে উদ্বেগনুরুল হক নুর বলেন, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে তিনি জেনেছেন, তিনটি রুটে পার্বত্য এলাকায় অস্ত্র ঢুকছে। এসব অস্ত্র আরাকান আর্মির কাছ থেকে কেনা হয়েছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, পাহাড়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে ‘উজি’ পিস্তল রয়েছে, যেটিকে তিনি ইসরায়েলি পিস্তল হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর প্রশ্ন, এসব অস্ত্র কীভাবে সেখানে পৌঁছাচ্ছে এবং কারা এর পেছনে রয়েছে।পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারী অস্ত্র ও মেশিনগান কোথা থেকে আসছে এবং কারা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে ভারত বা মিয়ানমারের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন। কারণ, এই দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। তবে তাঁর বক্তব্যের পক্ষে তিনি কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।পাহাড় থেকে সেনাবাহিনী সরানোর দাবি দায়িত্বজ্ঞানহীনপার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সেনাবাহিনীর ওপর হামলার বিষয়টি উল্লেখ করে নুরুল হক নুর বলেন, কিছু সমস্যার সমাধান আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে করা সম্ভব।তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিছু নেতার পাহাড় থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের দাবির সমালোচনা করেন তিনি।নুর বলেন, এ ধরনের বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন। তাঁর দাবি, এনসিপির অনেকের রাষ্ট্র, রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিষয়ে যথেষ্ট ধারণা নেই।জিয়াউর রহমানের নীতির প্রশংসানুরুল হক নুরের মতে, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন এবং পাহাড়ে জনসংখ্যার ভারসাম্য ও কৌশলগত নানা পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।তাঁর ভাষ্য, জিয়াউর রহমানের নেওয়া নীতির কারণেই পার্বত্য চট্টগ্রাম এখনো বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে রয়েছে।গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নদেশের সামরিক ও বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাজ হলো এ ধরনের কর্মকাণ্ড শনাক্ত করা। তবে অনেক সময় এসব সংস্থা সরকারের সঙ্গে অতিরিক্তভাবে ‘অ্যালাইন’ হয়ে জাতীয় স্বার্থের পরিবর্তে রাজনৈতিক স্বার্থকে গুরুত্ব দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।এ ধরনের প্রবণতা দেশের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে বলেও সতর্ক করেন নুরুল হক।সেনাবাহিনীর বিকল্প নেইসেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাবাহিনী সরিয়ে নিলে সেখানে অশান্তি আরও বাড়তে পারে।তিনি বলেন, অনেকে পাহাড়ে সেনাবাহিনী দেখতে চান না। তাঁর দাবি, মূলত চাঁদাবাজির স্বার্থেই একটি পক্ষ সেনাবাহিনী প্রত্যাহার চায়।রাশেদ খান বলেন, দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। দেশের সংকটময় সময়ে সেনাবাহিনী সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। সেমিনারে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট লে. (অব.) সাইফুল্লাহ খান সাইফের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা শামীম হোসেন, বাংলাভিশনের এক্সিকিউটিভ এডিটর বদরুল আলম নাবিল এবং থোয়াই চিং মং চাকসহ অন্যরা।

তিনটি রুটে পার্বত্য এলাকায় অস্ত্র ঢুকছে: নুরুল হক নুর