ঢাকা    শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল

ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা-শেরপুর সীমান্তে চোরাচালানের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক


ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা-শেরপুর সীমান্তে চোরাচালানের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক
নবকাল গ্রফিক্স

ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা শেরপুরের ভারতের মেঘালয়সংলগ্ন সীমান্তের বিভিন্ন অংশ দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে মাদক, অস্ত্র, গবাদিপশু বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য আনা-নেওয়া হচ্ছে।

হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী শ্রীবরদীর বিভিন্ন সীমান্তপথে এই অবৈধ বাণিজ্য চলছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। দুর্গম ভূপ্রকৃতি বাংলাদেশের নিজস্ব কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় এসব এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি কঠিন।

অনুসন্ধানে ভারত থেকে অস্ত্র, মাদক, বিদেশি মদ, ওষুধ, গরু বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য প্রবেশের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও মাছ, কৃষিপণ্য, খাদ্যসামগ্রী, প্লাস্টিক পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য ভারতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাই পণ্য বিক্রির জন্য বাজারও গড়ে উঠেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এসব বাজারে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা আসেন। ফলে সীমান্তকেন্দ্রিক অবৈধ বাণিজ্য একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চোরাচালান এখন শুধু রাজস্ব ক্ষতির বিষয় নয়; এর সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা, দেশীয় শিল্প, আইনশৃঙ্খলা সামাজিক স্থিতিশীলতার বিষয়ও জড়িত। সীমান্তে আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি, জনবল অবকাঠামো বাড়ানোর পাশাপাশি কার্যকর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বিজিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সীমান্তের দুর্গমতা সীমিত জনবলের কথা জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য, নিয়মিত টহল, অভিযান গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে চোরাচালান প্রতিরোধে কাজ চলছে। তবে জনবল আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা বাড়ানো গেলে কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।

বিষয় : জাতীয় নিরাপত্তা সীমান্তে চোরাচালান নিরাপত্তাঝুঁকি ময়মনসিংহ নেত্রকোনা শেরপুর বিজিবি বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত

দৈনিক নবকাল

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা-শেরপুর সীমান্তে চোরাচালানের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক

প্রকাশের তারিখ : ১৩ আগস্ট ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা শেরপুরের ভারতের মেঘালয়সংলগ্ন সীমান্তের বিভিন্ন অংশ দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালানের রুট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব উন্মুক্ত সীমান্ত দিয়ে মাদক, অস্ত্র, গবাদিপশু বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য আনা-নেওয়া হচ্ছে।

হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী শ্রীবরদীর বিভিন্ন সীমান্তপথে এই অবৈধ বাণিজ্য চলছে বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। দুর্গম ভূপ্রকৃতি বাংলাদেশের নিজস্ব কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় এসব এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি কঠিন।

অনুসন্ধানে ভারত থেকে অস্ত্র, মাদক, বিদেশি মদ, ওষুধ, গরু বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য প্রবেশের তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকেও মাছ, কৃষিপণ্য, খাদ্যসামগ্রী, প্লাস্টিক পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য ভারতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাই পণ্য বিক্রির জন্য বাজারও গড়ে উঠেছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এসব বাজারে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা আসেন। ফলে সীমান্তকেন্দ্রিক অবৈধ বাণিজ্য একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্কে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, চোরাচালান এখন শুধু রাজস্ব ক্ষতির বিষয় নয়; এর সঙ্গে জাতীয় নিরাপত্তা, দেশীয় শিল্প, আইনশৃঙ্খলা সামাজিক স্থিতিশীলতার বিষয়ও জড়িত। সীমান্তে আধুনিক নজরদারি প্রযুক্তি, জনবল অবকাঠামো বাড়ানোর পাশাপাশি কার্যকর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

বিজিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সীমান্তের দুর্গমতা সীমিত জনবলের কথা জানিয়েছেন। তাঁদের ভাষ্য, নিয়মিত টহল, অভিযান গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে চোরাচালান প্রতিরোধে কাজ চলছে। তবে জনবল আধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা বাড়ানো গেলে কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।


দৈনিক নবকাল

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ কায়েস আহমেদ সেলিম
কপিরাইট © ২০২৬ । সর্বস্ব সংরক্ষিত দৈনিক নবকাল
ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা-শেরপুর সীমান্তে চোরাচালানের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক
0:00 0:00
1.0x