সীমান্তপথে ভারত থেকে আসছে মাদক-অস্ত্র
ভারত সীমান্তঘেঁষা লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও
কুমিল্লায় মাদক
চোরাচালান কমেনি।
বরং
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর
অনেক
ক্ষেত্রে পুরোনো
কারবারিদের জায়গায়
নতুন
পৃষ্ঠপোষক ও
নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী
তৈরি
হয়েছে
বলে
অনুসন্ধানে উঠে
এসেছে।সীমান্তের বিভিন্ন দুর্গম
পথ,
নদীপথ
ও
কাঁটাতারের ফাঁক
দিয়ে
ফেনসিডিল, গাঁজা,
ইয়াবা
ও
মদসহ
বিভিন্ন ধরনের
মাদক
দেশে
ঢুকছে।
এসব
চালান
দেশের
বিভিন্ন অঞ্চলে
পৌঁছে
দিতে
ব্যবহার করা
হচ্ছে
বাস,
ট্রাক,
অ্যাম্বুলেন্স, ইজিবাইক, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন। নারী
ও
শিশুদেরও বাহক
হিসেবে
ব্যবহার করার
তথ্য
পাওয়া
গেছে।
কুড়িগ্রামে ২০২৬
সালের
জানুয়ারি থেকে
জুন
পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযানে ১২১
কেজি
গাঁজা,
৬
হাজার
৮১১টি
ইয়াবা,
১
হাজার
৬টি
ফেনসিডিল, ২২০টি
ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও
১৪
গ্রাম
হেরোইন
জব্দ
করা
হয়েছে।
এসব
ঘটনায়
১৭৮টি
মামলা
হয়েছে
এবং
১৩৭
জনকে
গ্রেপ্তার করা
হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তেও মাদক
চোরাচালান অব্যাহত রয়েছে।
২০২৫
সালের
১
আগস্ট
থেকে
২০২৬
সালের
১৭
আগস্ট
পর্যন্ত সরাইল
ব্যাটালিয়নের অভিযানে ছয়
কোটি
২৬
লাখ
টাকার
বেশি
মূল্যের মাদক
জব্দ
করা
হয়েছে।
কুমিল্লায় গত
তিন
বছরে
বিজিবি
প্রায়
২০
হাজার
২০০টি
অভিযান
চালিয়ে
প্রায়
৫২
কোটি
টাকার
মাদক
জব্দ
করেছে।
এসব
অভিযানে ৫২৬
জনকে
হাতেনাতে আটক
করা
হয়েছে।
অনুসন্ধানে আরও
দেখা
গেছে,
মাদক
কারবারিরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর
এড়াতে
সিসি
ক্যামেরা, নদীপথ,
যানবাহনের গোপন
কুঠুরি
এবং
বিভিন্ন কৌশল
ব্যবহার করছে।
কোথাও
কোথাও
উল্টো
পুলিশের গতিবিধির ওপর
নজর
রাখতে
সিসি
ক্যামেরা বসানোর
তথ্যও
পাওয়া
গেছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু
সদস্যের যোগসাজশ এবং
রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগও রয়েছে।
ফলে
ছোট
কারবারিরা গ্রেপ্তার হলেও
মূল
হোতারা
অনেক
সময়
ধরাছোঁয়ার বাইরে
থেকে
যাচ্ছে
বলে
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ।