ঢাকা    রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে আরও সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সুহিলপুরে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস-২৮ নম্বর কূপ থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। নতুন এই কূপ থেকে প্রতিদিন আনুমানিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।শনিবার দুপুরে কূপটি থেকে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি খাতে সরবরাহ ও চাহিদার মধ্যে যে বড় ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শেষ করতে পারলে শিল্প, বিদ্যুৎ ও গৃহস্থালি খাতে চলমান জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিএনপিসি চুয়ানচিং ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের মাধ্যমে খনন করা তিতাস-২৮ কূপটির গভীরতা ৩ হাজার ৬০১ মিটার। কূপটি থেকে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ মিলিয়ন ঘনফুট, গড়ে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে। মূসক ও আয়করসহ কূপটি খননে ব্যয় হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি টাকা।জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের আওতায় কূপটি খনন করা হয়। এ প্রকল্পে চীনা প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ২০২৫ সালের ১০ এপ্রিল চুক্তি হয়। তিতাস-২৮ কূপের খননকাজ শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর এবং তা ২০২৬ সালের ১৯ জুন সফলভাবে শেষ হয়।উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রী ও অতিথিরা তিতাস-৩১ ও তিতাস-২৯ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের চলমান খননকাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এবং জ্বালানি সচিব মো. জিয়াউল হক।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি নিবে ইরান

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে বিভিন্ন সেবার বিপরীতে ফি আদায়ের বিধান রেখে একটি খসড়া আইনের ধারা অনুমোদন করেছে ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিশন।রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও অগ্রগতি নিশ্চিতকরণে কৌশলগত পদক্ষেপ আইনের তৃতীয় ধারা অনুমোদন করেছে কমিশন।কমিশনের মুখপাত্র হাসান কাশকাভি জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি পাওয়া দেশগুলোর মালিকানাধীন জাহাজ থেকে এসব ফি নেওয়া হবে। ইরানি মুদ্রা রিয়ালে অথবা তেহরান নির্ধারিত অন্য কোনো মুদ্রায় অর্থ পরিশোধ করতে হবে।তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনের আওতায় সামুদ্রিক, পরিবেশগত, বিশেষ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহ, বীমা, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন সেবার জন্য ফি নেওয়া হবে।কাশকাভির ভাষ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির উপকূলবর্তী দেশগুলোর অধিকারও প্রস্তাবিত আইনে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ১৯৮২ সালের জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশন গ্রহণের পর ওমানের অবস্থানের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের অবসানে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মধ্যেই প্রণালিটি নিয়ে নতুন করে বিরোধ তৈরি হয়েছে।সূত্র: জিও নিউজ ও আইআরএনএ

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে ফি নিবে ইরান

সামিট টার্মিনাল থেকে আবার এলএনজি সরবরাহ শুরু

সামিট এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন ব্যবস্থায় আবারও এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে টার্মিনালটি প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু করে।সামিটের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়ানো হবে। ১৫ আগস্ট রাত ২টার দিকে টার্মিনালটি প্রায় পূর্ণ সক্ষমতায় দৈনিক ৫৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহে পৌঁছাতে পারে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।সামিট জানিয়েছে, এই সরবরাহ বাড়লে শিল্প, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ বিভিন্ন খাতে গ্যাসের প্রাপ্যতা বাড়বে। এর ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর চাপও কমতে পারে।প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, টার্মিনাল ও জাতীয় গ্যাস সঞ্চালন ব্যবস্থার কারিগরি সক্ষমতার মধ্যে থেকে নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য কার্যক্রম বজায় রেখে সর্বোচ্চ পরিমাণ গ্যাস সরবরাহের চেষ্টা করা হচ্ছে।সামিটের ভাষ্য, পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ শিল্পের প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং গ্যাসের ঘাটতি কমাতে পেট্রোবাংলা ও সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানিয়েছে সামিট এলএনজি।

সামিট টার্মিনাল থেকে আবার এলএনজি সরবরাহ শুরু

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সরকারি পর্যায়ের (জি টু জি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সেলর এরিক গিলান। এ সময় মার্কিন দূতাবাসের ইকোনমিক অফিসার জোসেফ বসকিও উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।আলোচনায় জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সরকারি পর্যায়ের (জি টু জি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সেলর এরিক গিলান। এ সময় মার্কিন দূতাবাসের ইকোনমিক অফিসার জোসেফ বসকিও উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।আলোচনায় জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা