ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
পিয়ন নিয়োগে তদবির, পটুয়াখালীর ডিসির বদলি নিয়ে বিতর্ক

পিয়ন নিয়োগে তদবির, পটুয়াখালীর ডিসির বদলি নিয়ে বিতর্ক

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পিয়ন পদে নিয়োগ নিয়ে তদবিরের অভিযোগ ঘিরে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর বদলি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রক্সি পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ হওয়া এক চাকরিপ্রার্থীর নিয়োগের সুপারিশ উপেক্ষা করায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের অসন্তোষের মুখে তাঁকে বদলি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে প্রতিমন্ত্রী এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বিভাগীয় কমিশনারও বদলিকে নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ বলে উল্লেখ করেছেন।বিসিএস ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীকে গত মঙ্গলবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। সম্প্রতি তিনি যুগ্ম সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। ২০২৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তাঁকে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।প্রক্সি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার অভিযোগজেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলা রাজস্ব প্রশাসনে অফিস সহায়কের ১০টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ সেপ্টেম্বর। ওই পরীক্ষায় অংশ নিতে আসা জহিরুল ইসলাম লিখিত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছিলেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।মৌখিক পরীক্ষার সময় বোর্ডের সদস্যরা তাঁকে কয়েকটি সাধারণ প্রশ্ন করেন। কিন্তু তিনি সেগুলোর উত্তর দিতে ব্যর্থ হন। এতে সন্দেহ তৈরি হলে তাঁর লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র ও হাতের লেখা যাচাই করা হয়। তখন হাতের লেখায় অসংগতি পাওয়া যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।এজাহার অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে জহিরুল ইসলাম প্রক্সি পরীক্ষার বিষয়টি স্বীকার করেন। তাঁর ভাষ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী সরকারি কলেজের বাণিজ্য ভবনে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় তাঁর পরিবর্তে সাখাওয়াত নামের এক ব্যক্তি অংশ নেন। এ ঘটনায় গত ২৬ সেপ্টেম্বর পটুয়াখালী সদর থানায় মামলা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের ব্যক্তিগত সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটর রাকিবুল ইসলাম। পরে পুলিশ জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তদবিরের অভিযোগজেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মচারীর দাবি, জহিরুল ইসলাম ছিলেন প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের পছন্দের প্রার্থী। তাঁকে চাকরি দেওয়ার জন্য প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসকের কাছে সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু প্রক্সি পরীক্ষার অভিযোগ সামনে আসার পর জেলা প্রশাসক তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রতিমন্ত্রী ক্ষুব্ধ হন। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে জেলা প্রশাসককে বদলি করা হয় বলে তাঁদের দাবি।তবে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকের আচরণগত সমস্যা রয়েছে এবং তিনি ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের যথাযথ সম্মান করেন না। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তিনি পটুয়াখালী সফরে গেলে জেলা প্রশাসক তাঁর অনুষ্ঠানে যোগ দেন না, অথচ পুলিশ সুপার সেখানে উপস্থিত হন বলে দাবি করেন তিনি।নুরুল হক নুর আরও বলেন, কয়েক দিন আগে সরকারি সফরে পটুয়াখালী গেলে জেলা প্রশাসক একটি সেমিনারে যোগ দেওয়ার কথা বলে কুয়াকাটা চলে যান। তাঁর ভাষ্য, জেলা প্রশাসকের অসদাচরণের বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। তবে পিয়ন নিয়োগে তদবিরের অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী।বদলিকে নিয়মিত প্রক্রিয়া বলছে বিভাগীয় প্রশাসনপ্রতিমন্ত্রীর অসন্তোষের কারণে জেলা প্রশাসককে বদলি করা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ বলেন, জেলা প্রশাসকের পদোন্নতি হয়েছে এবং তাঁর বদলি জনপ্রশাসনের নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ। এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের কোনো ভূমিকা রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই বলে জানান তিনি।অন্যদিকে, বদলির বিষয়ে জানতে চাইলে ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী কোনো মন্তব্য করতে চাননি।টিআইবির চোখে অনৈতিক চাপের অভিযোগ উদ্বেগজনকট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, একই দিনে কয়েকজন জেলা প্রশাসককে বদলি করায় বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া বলে মনে হতে পারে। তবে পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসকের ক্ষেত্রে একজন প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনৈতিক চাপ প্রয়োগের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি অগ্রহণযোগ্য।তিনি বলেন, প্রক্সি পরীক্ষার মতো প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া কোনো প্রার্থীর পক্ষে জনপ্রতিনিধির চাকরির সুপারিশ করা অনৈতিক এবং তা প্রতারণায় সহায়তা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের দৃষ্টান্ত হতে পারে।ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে যদি একজন সরকারি কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার বাইরে শাস্তিমূলকভাবে বদলি করা হয়ে থাকে, তাহলে তা সরকারের ৩১ দফা ও নির্বাচনী অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হবে। তবে জেলা প্রশাসকের বদলির সঙ্গে নিয়োগে তদবিরের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়ার মতো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং বদলির প্রশাসনিক ব্যাখ্যা—দুই দিকই আলোচনায় রয়েছে।

রগকাটা জামাত-শিবির তার স্বরূপে ফিরেছে: নুর

‘রগকাটা’ জামায়াত-শিবির তাদের পুরোনো স্বরূপে ফিরেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।নুরুল হক নুর অভিযোগ করেন, কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে জামায়াতের কর্মীরা রামদা, হকিস্টিক, ছুরি ও চাপাতি নিয়ে হামলা চালিয়েছেন। এতে কুষ্টিয়া জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক, ছাত্র অধিকার পরিষদের কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি সোহান আহমেদসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।ফেসবুক পোস্টে নুর বলেন, ‘রগকাটা জামাত-শিবির তার স্বরূপে ফিরেছে! কুষ্টিয়া গণঅধিকার পরিষদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে জামায়াতের সন্ত্রাসীরা রামদা, হকিস্টিক, ছুরি, চাপাতি নিয়ে উপর্যুপরি হামলা করেছে।’তিনি আরও বলেন, ‘জামাত-শিবিরের এই সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে জামাত-শিবিরকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, গত দেড় দশক যেভাবে গুপ্ত ছিলেন, বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করা হবে।’এদিকে গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ দাবি করেন, কুষ্টিয়ায় সংসদ সদস্য আমির হামজার নেতা-কর্মীদের হামলায় দলটির বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।তবে হামলার অভিযোগের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামী বা আমির হামজার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রগকাটা জামাত-শিবির তার স্বরূপে ফিরেছে: নুর

তিনটি রুটে পার্বত্য এলাকায় অস্ত্র ঢুকছে: নুরুল হক নুর

পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে রাজনীতিকেরা এখনো সচেতন না হলে সামনে দেশকে বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। তাঁর মতে, পরিস্থিতি একপর্যায়ে দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে।বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে ষড়যন্ত্র, সার্বভৌমত্বের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।পাহাড়ে অস্ত্র প্রবেশ নিয়ে উদ্বেগনুরুল হক নুর বলেন, সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে তিনি জেনেছেন, তিনটি রুটে পার্বত্য এলাকায় অস্ত্র ঢুকছে। এসব অস্ত্র আরাকান আর্মির কাছ থেকে কেনা হয়েছে বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, পাহাড়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর কাছে ‘উজি’ পিস্তল রয়েছে, যেটিকে তিনি ইসরায়েলি পিস্তল হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর প্রশ্ন, এসব অস্ত্র কীভাবে সেখানে পৌঁছাচ্ছে এবং কারা এর পেছনে রয়েছে।পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারী অস্ত্র ও মেশিনগান কোথা থেকে আসছে এবং কারা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে ভারত বা মিয়ানমারের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে বলে তিনি মনে করেন। কারণ, এই দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। তবে তাঁর বক্তব্যের পক্ষে তিনি কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।পাহাড় থেকে সেনাবাহিনী সরানোর দাবি দায়িত্বজ্ঞানহীনপার্বত্য চট্টগ্রামের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সেনাবাহিনীর ওপর হামলার বিষয়টি উল্লেখ করে নুরুল হক নুর বলেন, কিছু সমস্যার সমাধান আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে করা সম্ভব।তবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিছু নেতার পাহাড় থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের দাবির সমালোচনা করেন তিনি।নুর বলেন, এ ধরনের বক্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীন। তাঁর দাবি, এনসিপির অনেকের রাষ্ট্র, রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিষয়ে যথেষ্ট ধারণা নেই।জিয়াউর রহমানের নীতির প্রশংসানুরুল হক নুরের মতে, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন এবং পাহাড়ে জনসংখ্যার ভারসাম্য ও কৌশলগত নানা পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।তাঁর ভাষ্য, জিয়াউর রহমানের নেওয়া নীতির কারণেই পার্বত্য চট্টগ্রাম এখনো বাংলাদেশের ভূখণ্ডের সঙ্গে রয়েছে।গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নদেশের সামরিক ও বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিমন্ত্রী।তিনি বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাজ হলো এ ধরনের কর্মকাণ্ড শনাক্ত করা। তবে অনেক সময় এসব সংস্থা সরকারের সঙ্গে অতিরিক্তভাবে ‘অ্যালাইন’ হয়ে জাতীয় স্বার্থের পরিবর্তে রাজনৈতিক স্বার্থকে গুরুত্ব দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।এ ধরনের প্রবণতা দেশের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে বলেও সতর্ক করেন নুরুল হক।সেনাবাহিনীর বিকল্প নেইসেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সেনাবাহিনী সরিয়ে নিলে সেখানে অশান্তি আরও বাড়তে পারে।তিনি বলেন, অনেকে পাহাড়ে সেনাবাহিনী দেখতে চান না। তাঁর দাবি, মূলত চাঁদাবাজির স্বার্থেই একটি পক্ষ সেনাবাহিনী প্রত্যাহার চায়।রাশেদ খান বলেন, দেশের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর কোনো বিকল্প নেই। দেশের সংকটময় সময়ে সেনাবাহিনী সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। সেমিনারে সংগঠনের প্রেসিডেন্ট লে. (অব.) সাইফুল্লাহ খান সাইফের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনের উপদেষ্টা শামীম হোসেন, বাংলাভিশনের এক্সিকিউটিভ এডিটর বদরুল আলম নাবিল এবং থোয়াই চিং মং চাকসহ অন্যরা।

তিনটি রুটে পার্বত্য এলাকায় অস্ত্র ঢুকছে: নুরুল হক নুর