ঢাকা    সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ভারতের জায়গায় ‘আসিয়ান কাপে’ খেলতে চায় বাংলাদেশ

ভারতের জায়গায় ‘আসিয়ান কাপে’ খেলতে চায় বাংলাদেশ

প্রথমবারের মতো আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোকে নিয়ে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে ‘ফিফা আসিয়ান কাপ’। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় এই টুর্নামেন্টে ভারতের জায়গায় খেলার সুযোগ পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর বাইরে বিশেষ আমন্ত্রিত দল হিসেবে টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। তবে শেষ পর্যন্ত তারা নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় শূন্যস্থান পূরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ফিফার সঙ্গে আলোচনা করছে বাফুফে।বাফুফে কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, ‘এটি ফিফার টুর্নামেন্ট। ফিফার সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। সামনে ফিফা উইন্ডোতে আমাদের পরিকল্পনা তারা জানতে চেয়েছে। সুযোগ পেলে আমরা আসিয়ান কাপে খেলতে চাই।’সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোর জন্য এরই মধ্যে দুটি বিকল্প পরিকল্পনা করে রেখেছে বাফুফে। এর একটি ঘরের মাঠে বহুজাতিক টুর্নামেন্ট, অন্যটি কিরগিজস্তানে গিয়ে তিন জাতির টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া।তবে আসিয়ান কাপে খেলার সম্ভাবনা থাকায় এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বাফুফে। ফিফার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেলে ঘরের মাঠের বহুজাতিক কিংবা কিরগিজস্তানের তিন জাতির টুর্নামেন্ট—কোনোটিতেই নাও খেলতে পারে বাংলাদেশ।ফাহাদ করিম জানিয়েছেন, আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে আসিয়ান কাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত পাওয়ার আশা করছে বাফুফে।আসিয়ান কাপে আটটি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে চারটি দল। ভারতের পরিবর্তে বাংলাদেশ সুযোগ পেলে গ্রুপ পর্বে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলতে হবে হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমদের।

ফিফা বয়কটে অনড় উয়েফা, ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে অনাস্থা

ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা প্রত্যাহার করা হলেও ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। সংস্থাটি জানিয়েছে, ফিফার প্রতিযোগিতায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে তাদের ৫৫টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশন এখনো অনড় রয়েছে।এক বিবৃতিতে উয়েফা বলেছে, ফিফায় স্বাভাবিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের জন্য যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো এখনো পূরণ হয়নি। তাদের দাবি, শুধু বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা প্রত্যাহার করাই যথেষ্ট নয়; ভবিষ্যতে ফুটবলের কাঠামো ও প্রতিযোগিতার মালিকানা বিক্রির মতো উদ্যোগ আর না নেওয়ার নিশ্চয়তাও প্রয়োজন ছিল।বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রধান প্রতিযোগিতার স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা ঘোষণার পর উয়েফা সর্বসম্মতিক্রমে ফিফার সব ইভেন্ট বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ওই পরিকল্পনা প্রত্যাহার করেন এবং বুধবার মরক্কোয় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ফিফার শীর্ষ নেতৃত্বের সমর্থন পান।তবে উয়েফা বলছে, সেই সিদ্ধান্ত তাদের উদ্বেগ দূর করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিবৃতিতে সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের ওপর তাদের আস্থা নেই এবং এ অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।অন্যদিকে, ফিফা দাবি করেছে, তাদের কাউন্সিল ও সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলো সভাপতির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। একই সঙ্গে অতীতের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।এদিকে উয়েফা আল জাজিরাকে নিশ্চিত করেছে, সম্ভাব্য আইনি প্রক্রিয়ার স্বার্থে তারা ফিফার কাছে একটি 'ডকুমেন্ট প্রিজারভেশন লেটার' পাঠিয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট কোনো নথি বা সম্ভাব্য প্রমাণ নষ্ট না করা হয়।সংকটের মধ্যেই উয়েফার ভাইস প্রেসিডেন্ট লরা ম্যাকঅ্যালিস্টার বলেছেন, ফিফার পরবর্তী সভাপতিকে এমন একজন হতে হবে, যিনি বিশ্ব ফুটবলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারবেন এবং সত্যিকার অর্থে এই খেলার অভিভাবকের ভূমিকা পালন করবেন।উয়েফার ঘোষিত বয়কটের প্রথম বড় পরীক্ষা হতে পারে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, যেদিন পোল্যান্ডে ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কথা।

ফিফা বয়কটে অনড় উয়েফা, ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে অনাস্থা