ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা প্রত্যাহার করা হলেও ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। সংস্থাটি জানিয়েছে, ফিফার প্রতিযোগিতায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে তাদের ৫৫টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশন এখনো অনড় রয়েছে।
এক বিবৃতিতে উয়েফা
বলেছে,
ফিফায়
স্বাভাবিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের জন্য
যেসব
শর্ত
দেওয়া
হয়েছিল,
সেগুলো
এখনো
পূরণ
হয়নি।
তাদের
দাবি,
শুধু
বাণিজ্যিক স্বত্ব
বিক্রির পরিকল্পনা প্রত্যাহার করাই
যথেষ্ট
নয়;
ভবিষ্যতে ফুটবলের কাঠামো
ও
প্রতিযোগিতার মালিকানা বিক্রির মতো
উদ্যোগ
আর
না
নেওয়ার
নিশ্চয়তাও প্রয়োজন ছিল।
বিশ্বকাপসহ ফিফার
প্রধান
প্রতিযোগিতার স্বত্ব
বিক্রির পরিকল্পনা ঘোষণার
পর
উয়েফা
সর্বসম্মতিক্রমে ফিফার
সব
ইভেন্ট
বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়।
পরে
ফিফা
সভাপতি
জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ওই
পরিকল্পনা প্রত্যাহার করেন
এবং
বুধবার
মরক্কোয় অনুষ্ঠিত বৈঠকে
ফিফার
শীর্ষ
নেতৃত্বের সমর্থন
পান।
তবে উয়েফা
বলছে,
সেই
সিদ্ধান্ত তাদের
উদ্বেগ
দূর
করতে
পারেনি। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিবৃতিতে সংস্থাটি স্পষ্ট
করে
জানিয়েছে, ফিফা
সভাপতি
জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের ওপর
তাদের
আস্থা
নেই
এবং
এ
অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
অন্যদিকে, ফিফা
দাবি
করেছে,
তাদের
কাউন্সিল ও
সদস্য
অ্যাসোসিয়েশনগুলো সভাপতির প্রতি
পূর্ণ
সমর্থন
জানিয়েছে। একই
সঙ্গে
অতীতের
ভুলের
জন্য
দুঃখ
প্রকাশ
করে
ভবিষ্যতে এমন
পরিস্থিতি এড়ানোর
প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।
এদিকে উয়েফা
আল
জাজিরাকে নিশ্চিত করেছে,
সম্ভাব্য আইনি
প্রক্রিয়ার স্বার্থে তারা
ফিফার
কাছে
একটি
'ডকুমেন্ট প্রিজারভেশন লেটার'
পাঠিয়েছে, যাতে
সংশ্লিষ্ট কোনো
নথি
বা
সম্ভাব্য প্রমাণ
নষ্ট
না
করা
হয়।
সংকটের মধ্যেই
উয়েফার
ভাইস
প্রেসিডেন্ট লরা
ম্যাকঅ্যালিস্টার বলেছেন,
ফিফার
পরবর্তী সভাপতিকে এমন
একজন
হতে
হবে,
যিনি
বিশ্ব
ফুটবলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে
পারবেন
এবং
সত্যিকার অর্থে
এই
খেলার
অভিভাবকের ভূমিকা
পালন
করবেন।
উয়েফার ঘোষিত বয়কটের প্রথম বড় পরীক্ষা হতে পারে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, যেদিন পোল্যান্ডে ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কথা।