ঢাকা    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
এমবাপ্পের জোড়া গোলে রায়োকে উড়িয়ে জয়ে ফিরল রিয়াল

এমবাপ্পের জোড়া গোলে রায়োকে উড়িয়ে জয়ে ফিরল রিয়াল

চ্যাম্পিয়নস লিগে ইন্টার মিলানের বিপক্ষে জয়ের পর লা লিগাতেও জয়ের ধারায় ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলের সঙ্গে জুড বেলিংহ্যামের এক গোলে রায়ো ভায়েকানোকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা।লা লিগার সর্বশেষ ম্যাচে রিয়াল বেটিসের কাছে হারের পর পয়েন্ট টেবিলে ধাক্কা খেয়েছিল রিয়াল। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ইন্টার মিলানকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার পর এবার ঘরের মাঠে দারুণ জয় পেল দলটি। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে শুরু থেকেই রায়োর ওপর চাপ তৈরি করে খেলতে থাকে রিয়াল। ম্যাচের ১৩ মিনিটে বক্সে আলভারো কারেয়াস ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় স্বাগতিকেরা। স্পটকিক থেকে গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। এর তিন মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করে রিয়াল। এমবাপ্পের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়ার পর গোল করেন কারেয়াস নিজেই। মাত্র ১৭ মিনিটের মধ্যেই গোল ও অ্যাসিস্টের কীর্তি গড়েন এমবাপ্পে। ২০১৬ সালের পর এই প্রথম রিয়ালের কোনো খেলোয়াড় ম্যাচের এত দ্রুত সময়ে গোল ও অ্যাসিস্ট করলেন। ৩৫ মিনিটে রিয়ালের তৃতীয় গোলটি করেন জুড বেলিংহ্যাম। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাছ থেকে পাওয়া দারুণ পাস প্রথম স্পর্শেই জালে পাঠান ইংলিশ মিডফিল্ডার। ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে স্বাগতিকেরা।দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে রায়ো। ৫১ মিনিটে রিয়াল ডিফেন্ডার অ্যান্টোনিও রুডিগারের ভুল পাসের সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন সার্জিও কামেলো। এতে ব্যবধান কমে হয় ৩-১। এরপর রায়ো একাধিকবার আক্রমণে উঠলে রিয়ালের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলকে রক্ষা করেন।ম্যাচের শেষ দিকে আর্দা গুলার মাঠে নামার পর রিয়ালের আক্রমণে আবারও গতি আসে। যোগ করা সময়ে গুলারের পাস থেকে বক্সে বল পেয়ে নিচু শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে। একই সঙ্গে এটি রিয়ালের চতুর্থ গোল। রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে জোড়া গোল করে চলতি মৌসুমে লা লিগায় এমবাপ্পের গোলসংখ্যা ৬-এ নিয়ে গেলেন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তাঁর গোলসংখ্যা এখন ৭।শেষ পর্যন্ত ৪-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

মেসির বিদায়ে স্ত্রী আন্তোনেলার পোষ্ট

আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে লিওনেল মেসির অবসরের খবরে বিশ্ব ফুটবলে তৈরি হয়েছে আবেগঘন পরিবেশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাতীয় দলের হয়ে নিজের বিদায়ের ঘোষণা দেওয়ার পর মেসির সতীর্থ ও ঘনিষ্ঠজনেরা তাঁকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা দিচ্ছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ দিলেন তাঁর স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো।জাতীয় দলের জার্সিতে মেসির দীর্ঘ পথচলার উত্থান-পতনের অনেকটাই কাছ থেকে দেখেছেন আন্তোনেলা। প্রেমিকা থেকে স্ত্রী হয়ে ওঠার এই সময়ে মেসির সাফল্যের পাশাপাশি ব্যর্থতা ও কঠিন সময়ও দেখেছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতার কথাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেছেন আন্তোনেলা।ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় মেসির জাতীয় দলের অধ্যায়ের সমাপ্তি দেখে নিজের গর্বের কথা জানান তিনি। মেসির দীর্ঘ যাত্রার স্মৃতিচারণ করে আন্তোনেলা লেখেন, ‘কত বছর, কত মুহূর্ত, কত আনন্দ; আবার কত হতাশা ও কঠিন সময়ও ছিল। আমি তোমাকে কষ্ট পেতে দেখেছি, পড়ে যেতে দেখেছি, আবার উঠে দাঁড়াতেও দেখেছি। যখন কিছুই তোমার পক্ষে যাচ্ছিল না, তখনও তোমাকে লড়াই করে যেতে এবং বারবার চেষ্টা করতে দেখেছি।’মেসির স্বপ্নপূরণের সাক্ষী হতে পারাকে নিজের জন্য সৌভাগ্যের বলে উল্লেখ করেছেন আন্তোনেলা। তিনি বলেন, ‘এত বছর পর আমি সৌভাগ্যবান যে তোমাকে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে দেখেছি এবং আমাদের জীবনের সবচেয়ে আনন্দের দিনগুলোর কিছু মুহূর্ত তোমার সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরেছি।’মেসির ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে তাঁর পরিবারের উপস্থিতি ছিল। সম্প্রতি মেসির বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর পরিবারটিও শোকের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যেই মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি বাবা হিসেবে তাঁর ভূমিকার কথাও তুলে ধরেছেন আন্তোনেলা।তিনি লেখেন, ‘এই পুরো গল্পের একটি বিষয় আমাকে বিশেষভাবে আবেগাপ্লুত করে; আমাদের সন্তানরা সবকিছু নিজেদের চোখের সামনে থেকে দেখেছে। তারা দেখেছে, তাদের বাবা কীভাবে নিজের লক্ষ্যের জন্য লড়াই করেছে, কখনো হাল ছাড়েনি এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিশ্বাস ধরে রেখেছে। এরপর তারা নিজের চোখে দেখেছে, সে কীভাবে সব অর্জন করেছে এবং বিশ্বকাপ উচিয়ে ধরেছে।’মেসি ও আন্তোনেলার তিন ছেলে থিয়াগো, মাতেও ও চিরো। তাদের বয়স যথাক্রমে ১৩, ১০ ও ৮ বছর। বাবার অর্জনের ব্যাপকতা তারা এখনো পুরোপুরি বুঝতে না পারলেও তাঁকে নিয়ে গর্বিত বলে জানান আন্তোনেলা।তিনি লেখেন, হয়তো একদিন তারা সত্যিই বুঝতে পারবে তোমার গল্প কতটা বিশাল। কিন্তু আজ তারা শুধু তাদের বাবাকে নিয়ে গর্বিত।বার্তার শেষ দিকে মেসির প্রতি ভালোবাসা ও গর্বের কথা জানিয়ে আন্তোনেলা লেখেন, ‘আমি তোমাকে নিয়ে গর্বিত; তোমার পথচলা, তুমি যা কিছু অতিক্রম করে এসেছ এবং সবচেয়ে বেশি গর্বিত সেই মানুষটির জন্য, যে প্রতিটি মুহূর্তের পেছনে ছিল। তোমার পাশে থেকে এসব অভিজ্ঞতার অংশ হতে পারা কত বড় সৌভাগ্য! আমরা তোমাকে অসীম ভালোবাসি।’ সূত্র: টিওয়াইসি স্পোর্টস

মেসির বিদায়ে স্ত্রী আন্তোনেলার পোষ্ট

হালান্ড-চেরকির জোড়া গোল, ক্রিস্টাল প্যালেসকে ৪-১ গোলে হারাল সিটি

প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। শনিবার ক্রিস্টাল প্যালেসের মাঠে গোলের উৎসব করে ৪-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছে পেপ গার্দিওলার দল। জোড়া গোল করেছেন আর্লিং হালান্ড ও রায়ান চেরকি।ম্যাচজুড়ে বল দখল, আক্রমণ ও লক্ষ্যে শট—সবদিকেই ছিল সিটির আধিপত্য। ৭০ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল সফরকারীরা। সিটির ৯টি শট লক্ষ্যে থাকলেও প্যালেসের অন-টার্গেট শট ছিল মাত্র একটি।শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে দুই দল। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে এডি এনকেটিয়ার কাছের পোস্ট লক্ষ্য করে নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুমা। চার মিনিট পর সিটির এলিয়ট অ্যান্ডারসনের জোরালো শটও এক হাতে ফিরিয়ে দেন প্যালেস গোলরক্ষক ডিন হ্যান্ডারসন।হেডারে হালান্ডের গোল১৭তম মিনিটে এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার সিটি। অ্যান্তোয়নে সেমেনিওর ক্রস থেকে ছয় গজ বক্সের বাইরে দাঁড়িয়ে নিখুঁত হেডে বল জালে পাঠান হালান্ড। ক্রসবার ঘেঁষে নেওয়া তাঁর এই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সিটি।চার মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিল সফরকারীরা। ফাঁকায় বল পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেননি ফিল ফোডেন। তাঁর শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানেই।চেরকির দুই গোলদ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরার চেষ্টা করে প্যালেস। তবে এনকেটিয়ার শট দূরের পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়।৫৪তম মিনিটে সিটির ব্যবধান বাড়ান রায়ান চেরকি। ফিল ফোডেনের পাস পেয়ে ডি-বক্সে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দুই খেলোয়াড়ের মাঝ দিয়ে শক্তিশালী শটে বল জালে পাঠান তিনি।তবে দুই মিনিট পরই ভাগ্যের সহায়তায় ম্যাচে ফিরে আসে প্যালেস। ইয়েরেমি পিনোর ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপর বলটি সিটির গোলরক্ষক দোন্নারুমার পিঠে লেগে জালে ঢুকে যায়। আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-১।কিন্তু প্যালেসের সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মাত্র তিন মিনিট পর নিজের দ্বিতীয় গোল করে সিটির ব্যবধান আবার বাড়িয়ে দেন চেরকি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে তাঁর নেওয়া জোরালো শট এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে হ্যান্ডারসনকে পরাস্ত করে।শেষ গোল হালান্ডেরম্যাচের ৮৪তম মিনিটে সিটির বড় জয় নিশ্চিত করেন হালান্ড। দূর থেকে এগিয়ে এসে ডি-বক্সে বল বাড়িয়ে দেন ফোডেন। সেই পাস পেয়ে কোনাকুনি শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন নরওয়ের এই ফরোয়ার্ড।শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ম্যানচেস্টার সিটি।এই ম্যাচে জোড়া গোল করে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে নিজের দুর্দান্ত রেকর্ড আরও সমৃদ্ধ করেছেন হালান্ড। প্যালেসের বিপক্ষে ছয় ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯টি। প্রিমিয়ার লিগে নির্দিষ্ট কোনো দলের বিপক্ষে এটি তাঁর সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড।এই জয়ে টানা দুই ম্যাচ অপরাজিত থেকে ৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে পরের তিন অবস্থানে রয়েছে ব্রাইটন, ব্রেন্টফোর্ড ও আর্সেনাল।

হালান্ড-চেরকির জোড়া গোল, ক্রিস্টাল প্যালেসকে ৪-১ গোলে হারাল সিটি

জয়ের পর ড্রেসিংরুমে কেঁদেছিলেন রোনালদো

৩-২ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ে আল-ইত্তিফাককে হারিয়েছে আল-নাসর। তবে ম্যাচের ফলের পাশাপাশি আলোচনায় উঠে এসেছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর আবেগ। সৌদি গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব খালিদ আল-শানিফের দাবি, ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি পর্তুগিজ তারকা, ফুঁপিয়ে কেঁদেছেন তিনি।মঙ্গলবার চলতি মৌসুমে প্রথমবার আল-নাসরের শুরুর একাদশে ছিলেন ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। ম্যাচের একপর্যায়ে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে আল-নাসর। এর মধ্যে ১০ জনের দলে পরিণত হয় দলটি।প্রথমার্ধ শেষে রোনালদোকে তুলে নিয়ে আবদুল্লাহ আল-খাইবারিকে মাঠে নামানো হয়। সৌদি সাংবাদিক আল-শানিফ তার ‘দোরিনা গাইর’ অনুষ্ঠানে বলেন, ফিটনেসের কারণে প্রথমার্ধের পর মাঠ ছাড়ার অনুরোধ নিজেই করেছিলেন রোনালদো। তবে দল অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচে ফিরে জয় পাওয়ার পর আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি তিনি।অন্যদিকে আল-নাসরের কোচ আঞ্জে পস্তেকোগলু রোনালদোকে তুলে নেওয়ার বিষয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, রোনালদোর ৪৫ মিনিট খেলার পরিকল্পনাই ছিল।পস্তেকোগলু বলেন, প্রথম ম্যাচে রোনালদো ৩০ মিনিট খেলেছিলেন। এবার ধীরে ধীরে ফিটনেস ফিরে পাওয়ার লক্ষ্যেই তাঁকে ৪৫ মিনিট খেলানোর পরিকল্পনা ছিল। তবে ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর রোনালদো আরও কিছুক্ষণ মাঠে থাকতে চেয়েছিলেন। তারপরও তাঁকে তুলে নেওয়াটাই সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল বলে মনে করেন কোচ।

জয়ের পর ড্রেসিংরুমে কেঁদেছিলেন রোনালদো

জোড়া অ্যাসিস্টে সমালোচনার জবাব নেইমারের

পারফরম্যান্স ও ফিটনেস নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে নানা আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে ছিলেন নেইমার জুনিয়র। মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই সেই সমালোচনার জবাব দিলেন ব্রাজিলের এই তারকা ফরোয়ার্ড। ম্যাচে জোড়া অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তিনি।ম্যাচের শুরু থেকেই বল পায়ে বেশ সক্রিয় ছিলেন নেইমার। তাঁর ড্রিবলিং, গতি ও নিখুঁত পাসে প্রতিপক্ষের রক্ষণে একের পর এক চাপ তৈরি হয়। গোল না পেলেও সতীর্থদের গোলের সুযোগ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।দুটি গোলই বানিয়ে দিয়ে ম্যাচে নিজের কার্যকারিতার প্রমাণ দেন নেইমার। তাঁর পাস ও মাঠের অবস্থান নেওয়ার দক্ষতা দলের আক্রমণভাগকে আরও কার্যকর করে তোলে।সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর ফিটনেস ও পারফরম্যান্স নিয়ে ওঠা প্রশ্নের মধ্যে এমন পারফরম্যান্স নেইমারের জন্য স্বস্তির। মাঠের খেলায় নিজের সামর্থ্য দেখিয়ে সমালোচনার জবাব দিয়েছেন তিনি।নেইমারের এই পারফরম্যান্সে ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা, আগামী ম্যাচগুলোতেও তিনি এমন ধারাবাহিকতা ধরে রাখবেন।

জোড়া অ্যাসিস্টে সমালোচনার জবাব নেইমারের

ভারতের জায়গায় ‘আসিয়ান কাপে’ খেলতে চায় বাংলাদেশ

প্রথমবারের মতো আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোকে নিয়ে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে ‘ফিফা আসিয়ান কাপ’। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় এই টুর্নামেন্টে ভারতের জায়গায় খেলার সুযোগ পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর বাইরে বিশেষ আমন্ত্রিত দল হিসেবে টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। তবে শেষ পর্যন্ত তারা নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় শূন্যস্থান পূরণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে ফিফার সঙ্গে আলোচনা করছে বাফুফে।বাফুফে কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, ‘এটি ফিফার টুর্নামেন্ট। ফিফার সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। সামনে ফিফা উইন্ডোতে আমাদের পরিকল্পনা তারা জানতে চেয়েছে। সুযোগ পেলে আমরা আসিয়ান কাপে খেলতে চাই।’সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ সামনে রেখে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের ফিফা উইন্ডোর জন্য এরই মধ্যে দুটি বিকল্প পরিকল্পনা করে রেখেছে বাফুফে। এর একটি ঘরের মাঠে বহুজাতিক টুর্নামেন্ট, অন্যটি কিরগিজস্তানে গিয়ে তিন জাতির টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া।তবে আসিয়ান কাপে খেলার সম্ভাবনা থাকায় এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বাফুফে। ফিফার কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেলে ঘরের মাঠের বহুজাতিক কিংবা কিরগিজস্তানের তিন জাতির টুর্নামেন্ট—কোনোটিতেই নাও খেলতে পারে বাংলাদেশ।ফাহাদ করিম জানিয়েছেন, আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে আসিয়ান কাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত পাওয়ার আশা করছে বাফুফে।আসিয়ান কাপে আটটি দল দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে চারটি দল। ভারতের পরিবর্তে বাংলাদেশ সুযোগ পেলে গ্রুপ পর্বে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলতে হবে হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমদের।

ভারতের জায়গায় ‘আসিয়ান কাপে’ খেলতে চায় বাংলাদেশ

এক দশক প্রেমের পর বিয়ের বন্ধনে রোনালদো-জর্জিনা

দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও জর্জিনা রদ্রিগেজ। ১১ আগস্ট পর্তুগালের সৈকত শহর কাসকাইসে ঘরোয়া ও ব্যক্তিগত এক অনুষ্ঠানে তাঁদের বিয়ে হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তাঁদের পাঁচ সন্তান।বিয়ের গুঞ্জন কয়েক দিন ধরেই চলছিল। শেষ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের বিয়ের খবর নিশ্চিত করেন রোনালদো ও জর্জিনা। প্রকাশিত একটি ছবিতে দেখা যায়, জর্জিনার হাতের ওপর রাখা রোনালদোর হাত। দুজনের অনামিকায় দেখা যায় বিয়ের আংটি। ছবির সঙ্গে ভালোবাসার প্রতীক এবং ‘সি’ ও ‘জি’ লিখেছেন রোনালদো।গত বছরের ১১ আগস্ট বাগদানের ঘোষণা দিয়েছিলেন জর্জিনা। ঠিক এক বছর পর তাঁদের সম্পর্ক পেল নতুন পরিচয়। প্রায় এক দশকের সম্পর্কের পর আইনগতভাবে স্বামী-স্ত্রী হলেন তাঁরা।গুচি শোরুম থেকে শুরুরোনালদো ও জর্জিনার পরিচয় ২০১৬ সালে স্পেনের মাদ্রিদে। সে সময় জর্জিনা একটি গুচি শোরুমে বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করতেন। সেখান থেকেই তাঁদের পরিচয় ও পরে প্রেমের সম্পর্ক।২০১৭ সালের শুরুতে প্রথমবার জনসমক্ষে একসঙ্গে দেখা যায় তাঁদের। একই বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনেন রোনালদো।এরপর থেকে ফুটবলের বাইরেও এই জুটি বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়ে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের সম্মিলিত অনুসারীর সংখ্যা ৭৫ কোটির বেশি। ফ্যাশন ও ব্যবসাসহ বিভিন্ন খাতেও তাঁদের বিনিয়োগ রয়েছে।পাঁচ সন্তানকে ঘিরে পরিবাররোনালদোর বড় ছেলে ক্রিস্টিয়ানো জুনিয়রের জন্ম ২০১০ সালে। ২০১৭ সালে সারোগেসির মাধ্যমে যমজ সন্তান ইভা মারিয়া ও মাতেওর বাবা হন রোনালদো। একই বছর জর্জিনার ঘরে জন্ম নেয় তাঁদের মেয়ে অ্যালানা মার্টিনা।২০২২ সালে যমজ সন্তানের জন্মের সময় তাঁদের ছেলে অ্যাঞ্জেল মারা যায়। মেয়ে বেলা বেঁচে থাকে। বিয়ের অনুষ্ঠানে তাঁদের পাঁচ সন্তানই উপস্থিত ছিল।মাঠেও সাফল্যের দীর্ঘ তালিকাফুটবল ক্যারিয়ারে রোনালদোর অর্জনের তালিকাও দীর্ঘ। পেশাদার ক্যারিয়ারে তাঁর গোলসংখ্যা ৯৭৬। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাসের হয়ে সাফল্য পাওয়ার পর বর্তমানে সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরের হয়ে খেলছেন ৪১ বছর বয়সী এই তারকা।ক্যারিয়ারে পাঁচটি ব্যালন ডি’অর ও পাঁচটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছেন রোনালদো। পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়েও সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা ও গোল করার রেকর্ড রয়েছে তাঁর।ফুটবল মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবনেও দীর্ঘ সম্পর্কের পর নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন রোনালদো ও জর্জিনা।

এক দশক প্রেমের পর বিয়ের বন্ধনে রোনালদো-জর্জিনা

বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে রোজারিওতে মেসি

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ৬৮ বছর বয়সে মারা যাওয়া বাবা হোর্হে মেসিকে শেষ বিদায় জানাতে আর্জেন্টিনার রোজারিওতে ফিরেছেন লিওনেল মেসি।বাবার মৃত্যুর পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে আর্জেন্টিনার উদ্দেশে রওনা দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ফোর্ট লডারডেল থেকে যাত্রা করে স্থানীয় সময় শনিবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে রোজারিওতে পৌঁছান তিনি। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো ও সন্তানরা। বিমানবন্দর থেকে পুলিশের নিরাপত্তাবেষ্টনীতে একটি ভ্যানে করে বের হন মেসি।রোজারিওর কাছের শহর পেরেজে হোর্হে মেসিকে সমাহিত করা হবে। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস জানিয়েছে, শেষকৃত্য হবে একান্ত পারিবারিক পরিসরে। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতেই বাবাকে শেষ বিদায় জানাবেন মেসি।তবে শেষকৃত্যের স্থান ঘিরে এরই মধ্যে ভিড় করেছেন মেসির অসংখ্য ভক্ত। প্রিয় তারকার কঠিন সময়ে পাশে থাকার বার্তা দিতেই সেখানে জড়ো হয়েছেন তাঁরা।মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারে হোর্হে মেসির অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছেলের পাশে ছিলেন এবং পরবর্তী সময়ে মেসির এজেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ফলে বাবার মৃত্যু মেসির ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি তাঁর ফুটবল ক্যারিয়ারেও বড় শূন্যতা তৈরি করেছে।হোর্হে মেসির মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ, রোজারিও সেন্ট্রাল ও নিউয়েলস ওল্ড বয়েজসহ ফুটবল বিশ্বের বিভিন্ন ক্লাব ও প্রতিষ্ঠান মেসি পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

বাবাকে শেষ বিদায় জানাতে রোজারিওতে মেসি

রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ফিওরেন্তিনায় ধারে মাস্তানতুয়োনো

আর্জেন্টিনার তরুণ প্রতিভা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনোকে এক মৌসুমের জন্য ইতালিয়ান ক্লাব ফিওরেন্তিনায় ধারে পাঠিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। দুই ক্লাব পৃথক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ফিওরেন্তিনায় থাকবেন ১৮ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। তবে ধারের চুক্তিতে তাকে স্থায়ীভাবে দলে নেওয়ার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। ফলে আগামী মৌসুম শেষে ফিওরেন্তিনা চাইলেও মাস্তানতুয়োনোকে কিনতে পারবে না; তাঁকে রিয়াল মাদ্রিদেই ফিরতে হবে।বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সম্ভাবনাময় তরুণ হিসেবে গত বছর আর্জেন্টিনার ক্লাব রিভার প্লেট থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন মাস্তানতুয়োনো। তবে স্প্যানিশ ক্লাবটিতে তাঁর অভিষেক মৌসুম প্রত্যাশা অনুযায়ী উজ্জ্বল ছিল না। ৩৫ ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি গোল করেছেন মাত্র তিনটি। বেশির ভাগ ম্যাচেই বদলি হিসেবে খেলেছেন তিনি।জাতীয় দলের হয়ে অবশ্য এরই মধ্যে ইতিহাস গড়েছেন মাস্তানতুয়োনো। গত বছরের জুনে আর্জেন্টিনার হয়ে অভিষেকের সময় তাঁর বয়স ছিল ১৭ বছর ২৯৬ দিন। এর মধ্য দিয়ে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জার্সিতে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হওয়ার রেকর্ড গড়েন তিনি।রিয়ালে নিয়মিত খেলার সুযোগ না পাওয়া এবং প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারার কারণে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনা দলেও জায়গা হয়নি তাঁর। ফিওরেন্তিনায় এক মৌসুম নিয়মিত খেলার সুযোগ পেলে ক্যারিয়ার নতুনভাবে গুছিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য আরও মেলে ধরতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।নতুন ক্লাবে যোগ দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মাস্তানতুয়োনো। তিনি বলেন, ‘আমার জন্য এটি বিশেষ একটি দিন। দারুণ ইতিহাসসমৃদ্ধ এই ক্লাবে যোগ দেওয়ার জন্য আমি মুখিয়ে ছিলাম।’রিয়াল মাদ্রিদের প্রত্যাশা, ফিওরেন্তিনায় নিয়মিত খেলার সুযোগ পেয়ে এই তরুণ আর্জেন্টাইন আরও পরিণত হয়ে উঠবেন এবং ভবিষ্যতে দলের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ফিওরেন্তিনায় ধারে মাস্তানতুয়োনো

২০৩২ সাল পর্যন্ত রিয়ালেই থাকছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি নবায়ন করেছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র। নতুন চুক্তি অনুযায়ী ২০৩২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে খেলবেন ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড।গত বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ক্লাবটি জানায়, ভিনিসিয়াস চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছেন এবং আগামী ছয় বছর বার্নাব্যুতেই থাকবেন।নতুন চুক্তির আগে রিয়ালের সঙ্গে ভিনিসিয়াসের চুক্তির মেয়াদ ছিল আর মাত্র এক বছর। এ সময় ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব আর্সেনালও তাকে দলে ভেড়ানোর আগ্রহ দেখিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত নিজের পছন্দের ক্লাবেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ২৫ বছর বয়সী এই তারকা।২০১৮ সালে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গো থেকে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন ভিনিসিয়াস। এর আগে ২০২২ সালেও একবার তাঁর সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেছিল ক্লাবটি।রিয়ালের হয়ে এখন পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৭৫ ম্যাচ খেলেছেন ভিনিসিয়াস। করেছেন ১২৮ গোল। ক্লাবটির হয়ে জিতেছেন দুটি চ্যাম্পিয়নস লিগ, তিনটি লা লিগা এবং একটি কোপা দেল রে শিরোপা।

২০৩২ সাল পর্যন্ত রিয়ালেই থাকছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র

ফিফা বয়কটে অনড় উয়েফা, ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে অনাস্থা

ফিফার বড় টুর্নামেন্টগুলোর বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা প্রত্যাহার করা হলেও ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা তাদের অবস্থান পরিবর্তন করেনি। সংস্থাটি জানিয়েছে, ফিফার প্রতিযোগিতায় অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্তে তাদের ৫৫টি সদস্য অ্যাসোসিয়েশন এখনো অনড় রয়েছে।এক বিবৃতিতে উয়েফা বলেছে, ফিফায় স্বাভাবিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের জন্য যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো এখনো পূরণ হয়নি। তাদের দাবি, শুধু বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা প্রত্যাহার করাই যথেষ্ট নয়; ভবিষ্যতে ফুটবলের কাঠামো ও প্রতিযোগিতার মালিকানা বিক্রির মতো উদ্যোগ আর না নেওয়ার নিশ্চয়তাও প্রয়োজন ছিল।বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রধান প্রতিযোগিতার স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনা ঘোষণার পর উয়েফা সর্বসম্মতিক্রমে ফিফার সব ইভেন্ট বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়। পরে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ওই পরিকল্পনা প্রত্যাহার করেন এবং বুধবার মরক্কোয় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ফিফার শীর্ষ নেতৃত্বের সমর্থন পান।তবে উয়েফা বলছে, সেই সিদ্ধান্ত তাদের উদ্বেগ দূর করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত বিবৃতিতে সংস্থাটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের ওপর তাদের আস্থা নেই এবং এ অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।অন্যদিকে, ফিফা দাবি করেছে, তাদের কাউন্সিল ও সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলো সভাপতির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। একই সঙ্গে অতীতের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে।এদিকে উয়েফা আল জাজিরাকে নিশ্চিত করেছে, সম্ভাব্য আইনি প্রক্রিয়ার স্বার্থে তারা ফিফার কাছে একটি 'ডকুমেন্ট প্রিজারভেশন লেটার' পাঠিয়েছে, যাতে সংশ্লিষ্ট কোনো নথি বা সম্ভাব্য প্রমাণ নষ্ট না করা হয়।সংকটের মধ্যেই উয়েফার ভাইস প্রেসিডেন্ট লরা ম্যাকঅ্যালিস্টার বলেছেন, ফিফার পরবর্তী সভাপতিকে এমন একজন হতে হবে, যিনি বিশ্ব ফুটবলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে পারবেন এবং সত্যিকার অর্থে এই খেলার অভিভাবকের ভূমিকা পালন করবেন।উয়েফার ঘোষিত বয়কটের প্রথম বড় পরীক্ষা হতে পারে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, যেদিন পোল্যান্ডে ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ নারী বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কথা।

ফিফা বয়কটে অনড় উয়েফা, ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে অনাস্থা

শক্তিশালী দল গড়েছে বাংলাদেশ, এবার শিরোপা জয়ের প্রত্যাশা

আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর। টুর্নামেন্টের ড্র অনুষ্ঠিত হলেও ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নেপালের অংশগ্রহণ এখনো অনিশ্চিত। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে নেপাল ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও ভুটানের সঙ্গে খেলবে। অন্যথায় এই তিন দল নিয়েই গ্রুপ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান ও মালদ্বীপ।টুর্নামেন্ট শুরুর কয়েক মাস আগেই বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে প্রত্যাশা। হামজা চৌধুরী, শমিত সোমসহ প্রবাসী ফুটবলারদের অন্তর্ভুক্তির পর জাতীয় দলের পারফরম্যান্সে এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে ২২ বছর পর ভারতকে হারানো, ভারতের মাঠে গোলশূন্য ড্র এবং হংকংয়ের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র—সব মিলিয়ে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ এবার সাফে শিরোপার অন্যতম দাবিদার বলে মনে করছেন সাবেক ফুটবলাররা।জাতীয় দলের সাবেক স্ট্রাইকার শেখ আসলাম বলেন, বাংলাদেশ সব সময়ই সাফে ভালো খেলে। তবে বর্তমান দলটি শিরোপা জয়ের সবচেয়ে ভালো সুযোগ পেয়েছে। তার মতে, হামজা-শমিতদের মতো ফুটবলারদের সামর্থ্যের প্রমাণ এবার সাফেই দিতে হবে। তবে আক্রমণভাগে সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শও দেন তিনি।জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক কায়সার হামিদ বলেন, বর্তমান বাংলাদেশ দল আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী। তার ভাষায়, এই দলকে ঘিরে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, সেটি মাঠে প্রমাণ করার মঞ্চ হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ এবার ফেভারিট হিসেবেই টুর্নামেন্টে খেলবে।আরেক সাবেক অধিনায়ক মামুনুল ইসলামও মনে করেন, বাংলাদেশর সামনে দ্বিতীয়বারের মতো সাফ শিরোপা জয়ের বাস্তব সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে সে জন্য দলকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে হবে। তার ভাষায়, সাফ সহজ কোনো টুর্নামেন্ট নয়; শিরোপা জিততে হলে সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি ও মানসিক দৃঢ়তা থাকতে হবে।বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত একবারই সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ২০০৩ সালের পর এবার দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের আশা দেখছেন দেশের ফুটবলসংশ্লিষ্ট অনেকেই।

শক্তিশালী দল গড়েছে বাংলাদেশ, এবার শিরোপা জয়ের প্রত্যাশা