ঢাকা    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চান মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা চান মন্ত্রী

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার ও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।সোমবার সকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর অফিসকক্ষে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক অংশীদারিত্ব এবং স্থানীয় সরকার ও উন্নয়ন খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে পানি ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং কৃষি কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান কাজে লাগানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন মন্ত্রী।ড. আবদুল মঈন খান বলেন, এসব ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হলে বাংলাদেশের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর ও টেকসই হবে।তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণের সরকার। আমরা জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাস করি।’ বর্তমান সরকার দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।মন্ত্রী আরও বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নগর ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সুরক্ষায় কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।সাক্ষাতের শুরুতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন মন্ত্রীকে তাঁর নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শুভেচ্ছা জানান। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি এ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।আলোচনায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এ খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।বৈঠকে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থানীয় সরকার খাতেও নতুন সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করতে পারে। আগামী দিনে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গভীর ও ফলপ্রসূ হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়।সাক্ষাৎকালে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব রফিকুল ই মোহামেদসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সরকারি পর্যায়ের (জি টু জি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সেলর এরিক গিলান। এ সময় মার্কিন দূতাবাসের ইকোনমিক অফিসার জোসেফ বসকিও উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।আলোচনায় জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সরকারি পর্যায়ের (জি টু জি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সেলর এরিক গিলান। এ সময় মার্কিন দূতাবাসের ইকোনমিক অফিসার জোসেফ বসকিও উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।আলোচনায় জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা