ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ভারতের সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কমিটি, চাওয়া হয়েছে ভারতীয় প্রতিনিধির নাম

ভারতের সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কমিটি, চাওয়া হয়েছে ভারতীয় প্রতিনিধির নাম

ভারতের সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে বাংলাদেশ একটি কমিটি গঠন করেছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। কমিটিতে ভারতীয় প্রতিনিধি রাখার জন্য দেশটির কাছে নাম চাওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) মিলনায়তনে ‘পানির ভবিষ্যৎ পুনর্বিবেচনাম যুব নেতৃত্ব, ন্যায়বিচার ও সহযোগিতা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।হুমায়ুন কবির বলেন, পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক আইন ও জনগণের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ভারতের সঙ্গে পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে সরকার আলোচনা করবে। এ ক্ষেত্রে কোনো কিছুতেই ছাড় দেওয়া হবে না।তিনি বলেন, জাতিসংঘের অধীনে একটি আন্তর্জাতিক পানি সংস্থা গঠনের জন্য বাংলাদেশ কাজ করছে। ওই সংস্থার নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ভবিষ্যতের পানি কূটনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের অর্থবহ সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের বিজ্ঞান, আন্তর্জাতিক আইন ও বহুমাত্রিক দক্ষতায় দক্ষ করে ‘পানি কূটনীতিক’ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। 

ফাইনালের পথে বাংলাদেশ, হারাতে হবে ভারতকে

এশিয়া কাপে ফাইনাল খেলার লক্ষ্য নিয়ে দেশ ছেড়েছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। তবে গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর বদলে গেছে সেই হিসাব। সেমিফাইনালে শক্তিশালী ভারতকে এড়িয়ে যাওয়ার যে পরিকল্পনা ছিল, সেটিই এখন আর সম্ভব নয়। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আজ সেই ভারতের বিপক্ষেই মাঠে নামছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।বৃহস্পতিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-ভারত সেমিফাইনাল শুরু হবে রাত সাড়ে ৮টায়। টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত নিজেদের তিন ম্যাচের তিনটিতেই জিতে দারুণ ছন্দে আছে ভারত। বিপরীতে বাংলাদেশের ব্যাটিং নিয়ে রয়েছে উদ্বেগ। তবে সেমিফাইনালের মতো বড় মঞ্চে আগের পরিসংখ্যান বা শক্তির ব্যবধান যে শেষ কথা নয়, সেটিই প্রমাণের সুযোগ বাংলাদেশের সামনে।গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের ব্যাটিং পারফরম্যান্সও খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১২৯ রান করার পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলটি করে ১১৪ রান। শেষ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আরও বড় ধাক্কা খায় ব্যাটিং লাইনআপ। মাত্র ১০৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।আমিরাতের বিপক্ষে একপর্যায়ে ৫৫ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন শারমিন আক্তার সুপ্তা। একাদশে ফিরেই ৩১ বলে ৩৭ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি। সপ্তম উইকেটে নাহিদা আক্তারকে নিয়ে তার ৪২ রানের জুটিতে ১০০ রানের গণ্ডি পেরোয় বাংলাদেশ।ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব থাকলেও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে উঠেছে বোলিং। কম পুঁজি নিয়েও ইন্দোনেশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে জয় এসেছে বোলারদের কার্যকর পারফরম্যান্সে। ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষেও তাই বাংলাদেশের প্রধান ভরসা থাকবে বোলিং আক্রমণ।আজকের ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য বাঁচা-মরার লড়াই। ভারতকে হারাতে পারলে এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলার সুযোগ তৈরি হবে। আর হারলেই শেষ হয়ে যাবে টুর্নামেন্টের পথচলা। গ্রুপ পর্বের ফল যে হিসাব বদলে দিয়েছে, সেই ভারতের বিপক্ষেই জয় তুলে নিয়ে ফাইনালে যেতে মরিয়া নিগার সুলতানার দল।নারী এশিয়া কাপের সূচিপ্রথম সেমিফাইনাল বাংলাদেশ–ভারত ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম রাত ৮টা ৩০ মিনিটদ্বিতীয় সেমিফাইনাল শ্রীলঙ্কা–পাকিস্তান ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার ফাইনাল সেমিফাইনালের দুই বিজয়ী দল ১৩ সেপ্টেম্বর, রোববার

ফাইনালের পথে বাংলাদেশ, হারাতে হবে ভারতকে

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার আলোচনায় ভারতের নজর

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার মধ্যে বিষয়টি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ভারতের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে- এমন যেকোনো আঞ্চলিক পরিস্থিতির ওপর তারা সতর্ক নজর রাখছেন।শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশের সম্ভাব্যভাবে ওই জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি এ কথা বলেন।দ্য হিন্দুর সাংবাদিক বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বক্তব্য তুলে ধরে জানতে চান, বাংলাদেশ জোটে যোগ দেবে কি না, সেটি বাংলাদেশের নিজস্ব সিদ্ধান্ত এবং এতে অন্য কারও অস্বস্তির কারণ থাকা উচিত নয়- এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান কী।জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ভারতের নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলে এমন যেকোনো আঞ্চলিক পরিস্থিতি তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন ভারতের এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাংলাদেশের সরকারের দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারকে আরও কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার আলোচনায় ভারতের নজর

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্কে অগ্রগতির আশা

সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ দূর করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আগের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আলোচনা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে।মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)–এর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক, বিদ্যমান সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সিআইআই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক নৈকট্যকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতা আরও বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে স্বাভাবিক বাণিজ্য পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, ভিসা সহজ করা এবং বেসরকারি খাতকে আরও সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা প্রয়োজন।আয়তন, জনসংখ্যা ও অর্থনীতির আকারে দুই দেশের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও ভৌগোলিক অবস্থান পারস্পরিক সহযোগিতার বড় সুযোগ তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে বাংলাদেশের অবস্থান এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত অর্থনীতির আকার বড় হলেও আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্যের পরিমাণ তুলনামূলক কম উল্লেখ করে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সংযোগ বাড়ানো গেলে শিল্পায়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।ভিসা জটিলতা নিয়েও আলোচনাবৈঠকে ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের ভিসা জটিলতার বিষয়টি উঠে আসে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা, ব্যবসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে নিয়মিত যাতায়াতকারীদের জন্য কয়েক মাস পরপর নতুন করে ভিসার আবেদন করা বাস্তবসম্মত নয়। এ ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি ভিসা ব্যবস্থার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন।দুটি যৌথ টাস্কফোর্সের প্রস্তাববাংলাদেশের অবকাঠামো ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে দুটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সিআইআই।প্রস্তাবিত একটি টাস্কফোর্স অবকাঠামো খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করবে। অন্যটি সেমিকন্ডাক্টর, গ্রিন হাইড্রোজেন, ব্যাটারি স্টোরেজ ও ডাটা সেন্টারের মতো ভবিষ্যৎমুখী শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি দেখবে।সিআইআই প্রতিনিধিরা জানান, ভারতে গত বছর অবকাঠামো খাতে প্রায় ২৫ লাখ কোটি রুপি বিনিয়োগ হয়েছে। এর উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে বেসরকারি খাত থেকে। ভারতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশেও দেশি-বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন।স্থানীয় শিল্প সক্ষমতা কাজে লাগানোর তাগিদবৈঠকে বাংলাদেশের স্থানীয় উৎপাদনকারী শিল্পের সক্ষমতা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, অনেক স্থানীয় প্রতিষ্ঠান উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন সমস্যার কারণে দুর্বল হয়ে পড়ছে। স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো গেলে আমদানিনির্ভরতা কমার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতিও বাড়বে।এনার্জিপ্যাকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের উদাহরণ তুলে ধরে এক প্রতিনিধি বলেন, দেশে উৎপাদনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেক পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে। স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানিতে ৪০ থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত সময় লাগছে। স্থানীয় শিল্প পুনরুজ্জীবিত করা গেলে এ ধরনের সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব।এ ছাড়া দ্রুতগতির ভোগ্যপণ্য বা এফএমসিজি খাতেও বিনিয়োগের আগ্রহের কথা জানিয়েছে সিআইআই। ঢাকার আশপাশে সাবান, হোম কেয়ার ইনসেক্টিসাইড ও ফ্র্যাগরেন্সসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে একটি আধুনিক সমন্বিত কারখানা স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে অনিবন্ধিত পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়।জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তিতে শুল্ক সমন্বয়ের আহ্বানশিল্প খাতে জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে শুল্ক কাঠামো সমন্বয়ের আহ্বান জানিয়েছেন সিআইআই প্রতিনিধিরা। তাঁরা বলেন, তাঁদের স্টিম-সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করলে টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক ও খাদ্যশিল্পে ১০ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত গ্যাস সাশ্রয় করা সম্ভব। তবে শুল্ক বৈষম্যের কারণে এসব প্রযুক্তির ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।বাংলাদেশের তরুণদের ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের সুযোগ এবং বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের তৃতীয় দেশে কাজের ক্ষেত্রে ভিসা জটিলতা কমানোর বিষয়েও সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে সিআইআই।বৈঠকের শেষ দিকে দুই পক্ষই আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ, ব্যবসায়ী পর্যায়ের সম্পৃক্ততা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার ওপর গুরুত্ব দেয়।

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্কে অগ্রগতির আশা