ঢাকা    রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
বাংলাদেশ-পাকিস্তান সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিমান যোগাযোগ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের হাইকমিশনার দেশটির রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ পুনর্ব্যক্ত করেন। রাষ্ট্রপতি এ আমন্ত্রণের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতিকেও সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে পাকিস্তান বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও সম্প্রসারণ করা গেলে উভয় দেশের জনগণ উপকৃত হবে। এ জন্য দুই দেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন বাণিজ্যিক সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।মির্জা ফখরুল বলেন, পাকিস্তানে তৈরি পোশাক, বিশেষ করে নারীদের পোশাক বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। পাকিস্তান থেকে তৈরি পোশাক, কটন ইয়ার্নসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্যকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।পাকিস্তানের হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তানের তৈরি বিভিন্ন পণ্য নিয়ে আগামী অক্টোবরে ঢাকায় একটি বাণিজ্য মেলার আয়োজন করা হবে। একই ধরনের বাণিজ্য মেলা পাকিস্তানেও বাংলাদেশের তৈরি পণ্য নিয়ে আয়োজনের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় ফুটবলসহ ক্রীড়া সরঞ্জাম তৈরিতে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের আগ্রহের কথাও জানান হাইকমিশনার।ঢাকা ও করাচির মধ্যে চলতি বছর সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর বিষয়টি তুলে ধরে ইমরান হায়দার বলেন, এ যোগাযোগ দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, চিকিৎসা পর্যটন ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচলের সংখ্যা আরও বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।বাংলাদেশে উৎপাদিত চায়ের গুণগত মানের প্রশংসা করে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, পাকিস্তানের বাজারে বিদ্যমান শুল্কমুক্ত সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি চা রপ্তানির সুযোগ রয়েছে।জবাবে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য, পান ও অন্যান্য কৃষিপণ্য এবং ওষুধসহ বিভিন্ন মানসম্মত পণ্যের পাকিস্তানে রপ্তানি বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। এসব সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রয়োজন।পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে পাকিস্তান অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে তাঁর দেশ কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।রাষ্ট্রপতি দুই দেশের সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের সদস্যদের মধ্যে প্রশিক্ষণ বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে উচ্চশিক্ষার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ ও জোরদারের কথাও বলেন তিনি।সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের হাইকমিশনার বাংলাদেশে তাঁর কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি তাঁকে দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।মির্জা ফখরুল আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বাণিজ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ক আরও ফলপ্রসূ ও বহুমাত্রিক হবে। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিডা-বেজা-পিপিপিএ একীভূত, কার্যকর হলো ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষ (পিপিপিএ) একীভূত করে গঠিত ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে।বৃহস্পতিবার সরকার ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়েছে, আইনের ধারা ১-এর উপধারা (২)-এ দেওয়া ক্ষমতাবলে ২০ আগস্ট থেকে আইনটি কার্যকর করা হয়েছে।রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার।বিলুপ্ত বিডার নির্বাহী সদস্য ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট প্রধান নাহিয়ান রহমান রচি বলেন, গেজেট কার্যকর হওয়ার পর থেকে সব কার্যক্রম ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ নামে পরিচালিত হবে। নতুন কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন উইং ও টিম গঠনের কাজ ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে।তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিনিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবার জন্য একটি একক ফ্রন্ট ডেস্কের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেই প্রয়োজন থেকেই নতুন কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।বিনিয়োগে একক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যনতুন আইন অনুযায়ী, ইনভেস্ট বাংলাদেশ একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করবে। এর প্রধান কার্যালয় ঢাকায় হবে। সরকারের অনুমোদন নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে শাখা এবং বিদেশে লিয়াজোঁ কার্যালয় স্থাপন করতে পারবে কর্তৃপক্ষ।কর্তৃপক্ষে একজন চেয়ারম্যান ও সাতজন সদস্য থাকবেন। চেয়ারম্যানই হবেন কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী।নতুন সংস্থার দায়িত্বের মধ্যে থাকবে বিনিয়োগের সম্ভাবনা চিহ্নিত করা, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রচার চালানো, বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা।সম্পদ ও জনবল হস্তান্তরএকীভূতকরণের ফলে বিডা, বেজা ও পিপিপিএর বিদ্যমান সম্পদ, নথি, চুক্তি, দায়-দেনা ও অন্যান্য বিষয় ইনভেস্ট বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নতুন কর্তৃপক্ষের অধীনে কাজ করবেন।নতুন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সেবা আরও সমন্বিত করা এবং বিনিয়োগের প্রতিবন্ধকতা কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপন জারির মধ্য দিয়ে তিন প্রতিষ্ঠান একীভূত করার প্রক্রিয়াটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হলো।

বিডা-বেজা-পিপিপিএ একীভূত, কার্যকর হলো ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্কে অগ্রগতির আশা

সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ দূর করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আগের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আলোচনা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে।মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)–এর প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক, বিদ্যমান সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। সিআইআই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনটির ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি।বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক নৈকট্যকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতা আরও বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে স্বাভাবিক বাণিজ্য পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, ভিসা সহজ করা এবং বেসরকারি খাতকে আরও সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা প্রয়োজন।আয়তন, জনসংখ্যা ও অর্থনীতির আকারে দুই দেশের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও ভৌগোলিক অবস্থান পারস্পরিক সহযোগিতার বড় সুযোগ তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে বাংলাদেশের অবস্থান এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে কেন্দ্র করে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে।দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত অর্থনীতির আকার বড় হলেও আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্যের পরিমাণ তুলনামূলক কম উল্লেখ করে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সংযোগ বাড়ানো গেলে শিল্পায়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।ভিসা জটিলতা নিয়েও আলোচনাবৈঠকে ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের ভিসা জটিলতার বিষয়টি উঠে আসে। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা, ব্যবসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে নিয়মিত যাতায়াতকারীদের জন্য কয়েক মাস পরপর নতুন করে ভিসার আবেদন করা বাস্তবসম্মত নয়। এ ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি ভিসা ব্যবস্থার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন।দুটি যৌথ টাস্কফোর্সের প্রস্তাববাংলাদেশের অবকাঠামো ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে দুটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সিআইআই।প্রস্তাবিত একটি টাস্কফোর্স অবকাঠামো খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করবে। অন্যটি সেমিকন্ডাক্টর, গ্রিন হাইড্রোজেন, ব্যাটারি স্টোরেজ ও ডাটা সেন্টারের মতো ভবিষ্যৎমুখী শিল্পে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়টি দেখবে।সিআইআই প্রতিনিধিরা জানান, ভারতে গত বছর অবকাঠামো খাতে প্রায় ২৫ লাখ কোটি রুপি বিনিয়োগ হয়েছে। এর উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে বেসরকারি খাত থেকে। ভারতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশেও দেশি-বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলে তাঁরা মনে করেন।স্থানীয় শিল্প সক্ষমতা কাজে লাগানোর তাগিদবৈঠকে বাংলাদেশের স্থানীয় উৎপাদনকারী শিল্পের সক্ষমতা কাজে লাগানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, অনেক স্থানীয় প্রতিষ্ঠান উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন সমস্যার কারণে দুর্বল হয়ে পড়ছে। স্থানীয় উৎপাদন বাড়ানো গেলে আমদানিনির্ভরতা কমার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতিও বাড়বে।এনার্জিপ্যাকের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগের উদাহরণ তুলে ধরে এক প্রতিনিধি বলেন, দেশে উৎপাদনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেক পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে। স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানিতে ৪০ থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত সময় লাগছে। স্থানীয় শিল্প পুনরুজ্জীবিত করা গেলে এ ধরনের সমস্যা অনেকটাই কমানো সম্ভব।এ ছাড়া দ্রুতগতির ভোগ্যপণ্য বা এফএমসিজি খাতেও বিনিয়োগের আগ্রহের কথা জানিয়েছে সিআইআই। ঢাকার আশপাশে সাবান, হোম কেয়ার ইনসেক্টিসাইড ও ফ্র্যাগরেন্সসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনে একটি আধুনিক সমন্বিত কারখানা স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। একই সঙ্গে অনিবন্ধিত পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়।জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তিতে শুল্ক সমন্বয়ের আহ্বানশিল্প খাতে জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে শুল্ক কাঠামো সমন্বয়ের আহ্বান জানিয়েছেন সিআইআই প্রতিনিধিরা। তাঁরা বলেন, তাঁদের স্টিম-সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করলে টেক্সটাইল, তৈরি পোশাক ও খাদ্যশিল্পে ১০ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত গ্যাস সাশ্রয় করা সম্ভব। তবে শুল্ক বৈষম্যের কারণে এসব প্রযুক্তির ব্যবহার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।বাংলাদেশের তরুণদের ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপের সুযোগ এবং বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের তৃতীয় দেশে কাজের ক্ষেত্রে ভিসা জটিলতা কমানোর বিষয়েও সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে সিআইআই।বৈঠকের শেষ দিকে দুই পক্ষই আনুষ্ঠানিক আলোচনার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ, ব্যবসায়ী পর্যায়ের সম্পৃক্ততা এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার ওপর গুরুত্ব দেয়।

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্কে অগ্রগতির আশা

টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের বৈশ্বিক সক্ষমতা বাড়াতে বিটিএমএ-বিজিএমইএর সমঝোতা

বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশান ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এবং বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।সমঝোতা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একটি ইভেন্ট অর্গানাইজারের সহযোগিতায় বিশ্বমানের বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল মেশিনারি এক্সিবিশন (বিটমা) আয়োজন করা হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিকায়ন, নতুন বাজার সম্প্রসারণ এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রদর্শনীর পরিচালনা ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিটিএমএ ও বিজিএমইএর পাঁচজন করে প্রতিনিধিকে নিয়ে ১০ সদস্যের একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দুই সংগঠনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তিত হবে। প্রথম বছর চেয়ারম্যান হবে বিটিএমএ এবং কো-চেয়ারম্যান হবে বিজিএমইএর প্রতিনিধি।বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিশ্বজুড়ে পোশাকশিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও গ্রিন টেকনোলজির ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে এই পরিবর্তনের অগ্রভাগে রাখাই তাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, এ উদ্যোগ উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব পোশাক উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।বিটিএমএর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, টেক্সটাইল ও পোশাক খাত পরস্পরনির্ভরশীল। এই সমঝোতা শুধু একটি প্রদর্শনী আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি প্রযুক্তি হস্তান্তর, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের একটি দীর্ঘমেয়াদি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।অনুষ্ঠানে উভয় সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক নেতারা, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট খাতের নীতিনির্ধারকেরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক তৈরির সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।

টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের বৈশ্বিক সক্ষমতা বাড়াতে বিটিএমএ-বিজিএমইএর সমঝোতা

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সরকারি পর্যায়ের (জি টু জি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সেলর এরিক গিলান। এ সময় মার্কিন দূতাবাসের ইকোনমিক অফিসার জোসেফ বসকিও উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।আলোচনায় জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং সরকারি পর্যায়ের (জি টু জি) সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।মঙ্গলবার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সেলর এরিক গিলান। এ সময় মার্কিন দূতাবাসের ইকোনমিক অফিসার জোসেফ বসকিও উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।আলোচনায় জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগ ও ব্যবসায়িক অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি পর্যায়ে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

জ্বালানি খাতে মার্কিন অংশগ্রহণ বাড়াতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা