ঢাকা    মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
বিশ্বম্ভরপুরে বিএনপির নাম ব্যবহার করে মাদক ও চোরাচালানের অভিযোগ

বিশ্বম্ভরপুরে বিএনপির নাম ব্যবহার করে মাদক ও চোরাচালানের অভিযোগ

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় বিএনপির নাম ব্যবহার করে মাদক ও ভারতীয় পণ্য চোরাচালানের ব্যবসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বিএনপির একাংশের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যারা এসব অবৈধ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও তাঁরাই সক্রিয় রয়েছেন। শুধু রাজনৈতিক পরিচয় বদলে এখন বিএনপির নাম ব্যবহার করছেন তাঁরা।বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি মো. ওবাইদুর রহমান রাজুর বিরুদ্ধে মাদক ও ভারতীয় পণ্য চোরাচালানের পাশাপাশি সুনামগঞ্জ জেলায় চোরাই মোটরসাইকেলের ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, এসব কর্মকাণ্ডে তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা যুবদলের নেতা জাকির হোসেন এবং ধনপুর ইউনিয়ন যুবদলের দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস হোসেনও সম্পৃক্ত। তাঁদের দাবি, রাজুর নিয়ন্ত্রণে থাকা একটি কিশোর গ্যাংকে ব্যবহার করে এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হচ্ছে।এ ঘটনায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে বিশ্বাসী স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। তাঁদের অভিযোগ, দলের নাম ব্যবহার করে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সন্ত্রাস, মাদক ও চোরাচালান বন্ধের প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটেনি।স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীদের দাবি, দলের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো দলের উপর বর্তানো উচিত নয় বলেও মনে করেন তাঁরা।তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে ধনপুর ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি মো. ওবাইদুর রহমান রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল মাদক ও চোরাচালান বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। মাদক ও চোরাচালানে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত করে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনা হবে।