ঢাকা    বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
জুলাই শহীদদের কারণেই ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাংলাাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই শহীদদের কারণেই ফ্যাসিস্ট মুক্ত বাংলাাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

জুলাই শহীদদের অবদানের কারণেই দেশের মানুষ ফ্যাসিস্টদের থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জীবন দেওয়া মানুষের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও জানিয়েছেন তিনি।শনিবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ এবং গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা নই, বরং আপনারাই হচ্ছেন আমাদের শক্তি, উৎসাহ ও উদ্দীপনার উৎস।’তিনি বলেন, নানা বাস্তবতার কারণে অনেক সময় প্রত্যাশা অনুযায়ী সবকিছু বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না। তবে প্রতিশ্রুতি থেকে সরকার পিছিয়ে যাবে না।প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যেসব মানুষ জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে সরকার থাকবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।৭৪ পরিবারের সদস্য পেলেন নিয়োগপত্রঅনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনে গুম-খুনের শিকার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের ৭৪ সদস্যের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে অনেকেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তাঁদের সব সময় পাশে থাকার আশ্বাস দেন।শহীদ ও নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের প্রতি সরকারের দায়িত্বের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের মূল্যায়ন এবং তাঁদের প্রত্যাশা পূরণে সরকার কাজ করে যাবে।

জুলাইসহ বিভিন্ন আন্দোলনে আত্মত্যাগের লক্ষ্য ছিল উন্নত বাংলাদেশ গড়া: প্রধানমন্ত্রী

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মানুষের আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে মানুষ আরও ভালোভাবে বসবাস করতে পারবে।শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও গুরুতর আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু বিষয়টি জানান।অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেউ জুলাইয়ের আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়েছেন, আবার কারও আপনজন ওই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই বাংলাদেশের মানুষ আজ একটি মুক্ত পরিবেশে বসবাস করতে পারছে।‘আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল’১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত দেশের মানুষের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, এসব আত্মত্যাগের পেছনে একটি অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ছিল- বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।তিনি বলেন, ‘যাদের আমরা হারিয়েছি, যারা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল; সেটি হলো বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।’‘দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ’রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বাস্তবতার নিরিখে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে।তিনি বলেন, ‘আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়। বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের মূল্যায়ন অব্যাহত থাকবেপ্রধানমন্ত্রী জানান, জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

জুলাইসহ বিভিন্ন আন্দোলনে আত্মত্যাগের লক্ষ্য ছিল উন্নত বাংলাদেশ গড়া: প্রধানমন্ত্রী