সিলেট টেস্টে
ওয়েস্ট
ইন্ডিজের বিপক্ষে এক
প্রান্ত আগলে
রেখে
দুর্দান্ত এক
ইনিংস
খেলেছেন তাওহিদ
হৃদয়।
ক্যারিয়ারের প্রথম
ডাবল
সেঞ্চুরি তুলে
নিয়ে
বাংলাদেশের টেস্ট
ক্রিকেটে নতুন
ইতিহাস
গড়েছেন
এই
ডানহাতি ব্যাটার।
একদিকে নিয়মিত
বিরতিতে উইকেট
হারাচ্ছে বাংলাদেশ, অন্যদিকে এক
প্রান্তে অবিচল
তাওহিদ
হৃদয়।
দলের
কঠিন
সময়ে
দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে শুধু
ইনিংসই
সামলাননি, ব্যক্তিগত অর্জনের খাতায়ও
যোগ
করেছেন
অনন্য
এক
মাইলফলক। ওয়েস্ট
ইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেট
টেস্টে
ক্যারিয়ারের প্রথম
ডাবল
সেঞ্চুরি তুলে
নিয়েছেন তিনি।
এর
মধ্য
দিয়ে
বাংলাদেশের টেস্ট
ইতিহাসে ষষ্ঠ
ডাবল
সেঞ্চুরির মালিক
হলেন
হৃদয়।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয়
দিনে
এই
কীর্তি
গড়েন
হৃদয়।
৩০৪
বলে
২০০
রানের
মাইলফলক স্পর্শ
করেন
তিনি।
তাঁর
ইনিংসে
ছিল
১৯টি
চার
ও
৭টি
ছক্কা।
শুরু
থেকে
দলের
ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে
ধৈর্য
ধরে
খেলে
এক
প্রান্ত আগলে
রাখেন
এই
ব্যাটার।
বাংলাদেশের হয়ে
এর
আগে
টেস্টে
ডাবল
সেঞ্চুরি করার
কীর্তি
ছিল
মুশফিকুর রহিম,
তামিম
ইকবাল
ও
সাকিব
আল
হাসানের। তাঁদের
মধ্যে
মুশফিকের রয়েছে
তিনটি
ডাবল
সেঞ্চুরি। তামিম
ও
সাকিব
করেছেন
একটি
করে।
এবার
সেই
তালিকায় যুক্ত
হলো
তাওহিদ
হৃদয়ের
নাম।
বাংলাদেশের টেস্ট
ইতিহাসে এটি
ষষ্ঠ
ডাবল
সেঞ্চুরি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের কোনো
ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের তালিকাতেও জায়গা
করে
নিয়েছে
হৃদয়ের
এই
পারফরম্যান্স। চার
নম্বরে
ব্যাট
করতে
নেমে
ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রানের
নতুন
রেকর্ড
গড়েছেন
তিনি।
এর
আগে
২০২১
সালে
মুমিনুল হকের
করা
১১৫
রান
ছিল
এই
অবস্থানে ওয়েস্ট
ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস।
এর আগে
প্রথম
ইনিংসে
ব্যাট
করে
ওয়েস্ট
ইন্ডিজ
সংগ্রহ
করে
৩৫৬
রান।
বাংলাদেশের হয়ে
বল
হাতে
সবচেয়ে
সফল
ছিলেন
হাসান
মাহমুদ। ৯০
রান
দিয়ে
৬
উইকেট
নেন
তিনি।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। একের পর এক উইকেট হারিয়ে যখন দল বিপর্যয়ের মুখে, তখন ব্যাট হাতে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন হৃদয়। তাঁর অসাধারণ ইনিংসে ভর করে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে স্বাগতিক বাংলাদেশ।