ইরানে যুক্তরাষ্ট্র দখলদার হিসেবে অবস্থান করতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের
ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে নাসার একটি স্থাপনায় ভাষণ
দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে
আলাপকালে এসব কথা বলেন
ট্রাম্প।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের তুলনা করে ট্রাম্প দাবি করেন, গত অক্টোবর মাসে রাশিয়া ও ইউক্রেনের লড়াইয়ে ২৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। মস্কো ও কিয়েভের মধ্যকার সংঘাতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সেটাকেই যুদ্ধ বলা হয়। অন্যদিকে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতকে যুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করতে চান না ট্রাম্প। তাঁর দাবি, কয়েক মাস ধরে সেখানে কেউ আহতও হয়নি। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা যা করছি, তা হয়তো দখলদারত্ব। আমরা দখলদার হিসেবেও থাকতে পারি।
হরমুজ
প্রণালির নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইতিহাসে এই প্রণালি থেকে
এখন আমরা সবচেয়ে বেশি
তেল উত্তোলন করছি।
কেশম
দ্বীপে সীমিত
হামলার কথা
স্বীকার
শুক্রবার
ইরানের কেশম দ্বীপের কাছে
মার্কিন বাহিনীর হামলার খবর নিয়ে জানতে
চাইলে প্রথমে মন্তব্য করতে রাজি হননি
ট্রাম্প। পরে সীমিত পরিসরে
সামরিক অভিযান পরিচালনার কথা স্বীকার করেন
তিনি।
ট্রাম্প বলেন, আমি এ বিষয়ে কথা বলতে চাই না। আমরা ছোটখাটো হামলা চালাই। তাঁর দাবি, ইরানি বাহিনী সেখানে একটি বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা স্থাপন করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেটি ধ্বংস করে দেয়। এর কয়েক দিন আগেও কেশম দ্বীপে ইরানের একটি বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনায় মার্কিন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন ট্রাম্প। তবে ওই অভিযানকে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার পদক্ষেপ না বলে সীমিত হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন তিনি।
হরমুজ
প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি দাবি
হরমুজ প্রণালি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। তেহরানের বক্তব্য, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ এখনো তাদের হাতেই রয়েছে। ইরান আরও জানিয়েছে, নিজেদের শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে না।
সূত্র: আনাদোলু