ঢাকা    শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটনে যুক্ত করতে একক নীতিমালার উদ্যোগ

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটনে যুক্ত করতে একক নীতিমালার উদ্যোগ

দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করে এ খাতের উন্নয়নে একটি একক নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাজ করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।সোমবার সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ তথ্য জানান।সভায় মন্ত্রী বলেন, দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটির মাধ্যমে সাংস্কৃতিক পর্যটনের জন্য একটি একক নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হবে। শিগগিরই দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হবে বলেও জানান তিনি।সম্প্রতি মালয়েশিয়া সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে পর্যটনমন্ত্রী বলেন, দেশটির পর্যটন ও সংস্কৃতিমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। মালয়েশিয়া ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণের পাশাপাশি সেগুলোকে পর্যটন ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত করে যেভাবে কাজ করছে, বাংলাদেশেও একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।পর্যটন খাতের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ২ থেকে ৩ শতাংশ। যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে এই অবদান ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।পরিকল্পনার প্রথম ধাপে দেশের ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়িগুলোকে পর্যটনের আওতায় আনার কথা ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি কক্সবাজার থেকে ময়নামতী পর্যন্ত বিস্তৃত বৌদ্ধ নিদর্শনগুলোও এ উদ্যোগের আওতায় নেওয়া হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য পর্যটন ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রকে যুক্ত করা হবে।সভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বিশ্বের অনেক ছোট দেশ পর্যটনকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে। থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও মালদ্বীপ এর উদাহরণ।তিনি বলেন, পর্যটন ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাজ একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। দেশের নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিশ্বের সামনে তুলে ধরার মাধ্যমে বাংলাদেশের সম্ভাবনাকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানো সম্ভব।

ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ, নির্ভুল ও স্বচ্ছ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তালিকাভুক্ত করে কৃষক কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কৃষক কার্ড–সংক্রান্ত এক সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছবি ও কিউআর কোডসংবলিত কৃষক কার্ডে কৃষকের পরিচয়ের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন, সরকারি সহায়তা এবং কৃষি বাজারসংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকতে হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে কৃষক কার্ড প্রস্তুতের নির্দেশ দেন তিনি।সভায় জানানো হয়, কৃষকদের ব্যাংক হিসাব খোলার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষ হলে পর্যায়ক্রমে কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়া হবে।সরকারের পক্ষ থেকে কৃষি খাতে দেওয়া ভর্তুকি, সহজ শর্তের ঋণ, প্রণোদনা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধা দ্রুত ও সরাসরি প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতেই কৃষক কার্ড চালু করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষক এ কর্মসূচির আওতায় আসবেন। আগামী তিন বছরের মধ্যে প্রায় দুই কোটি কৃষককে কৃষক কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও সভায় জানানো হয়।সভায় কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের সভাপতি এস এম আমীর হামজা শাতিলসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর