ঢাকা    বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
পটিয়ায় এমপির অভিযোগ বাক্স, এক সপ্তাহে সমাধানের উদ্যোগ

পটিয়ায় এমপির অভিযোগ বাক্স, এক সপ্তাহে সমাধানের উদ্যোগ

চট্টগ্রামের পটিয়ায় সরকারি সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যেসব হয়রানির শিকার হন, তা তুলে ধরতে অভিযোগ বাক্স স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছেন চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম। প্রাথমিকভাবে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ইউনিয়ন পরিষদ ও বাজারে ৬০টি অভিযোগ বাক্স বসানো হবে। এসব বাক্সে জমা পড়া অভিযোগ এক সপ্তাহের মধ্যে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে পটিয়া উপজেলা পরিষদের পরিদর্শন কক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের হাতে অভিযোগ বাক্সগুলো বিতরণ করেন সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম।তিনি বলেন, সরকারি সেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে নানা ধরনের হয়রানির মুখে পড়তে হয়। তাঁরা যাতে সহজে ও নির্ভয়ে নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারেন, সে জন্য এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সঙ্গে তথ্য-প্রমাণ জমা দেওয়ার সুযোগও থাকবে।সংসদ সদস্য বলেন, অভিযোগ বাক্সে যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়বে, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি জবাবদিহির আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।এনামুল হক এনাম আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের নির্দেশনা দিয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি দপ্তর, ইউনিয়ন পরিষদ ও বাজারে অভিযোগ বাক্স স্থাপন করা হবে। অভিযোগকারীদের মধ্যে কারও কারও পরিচয় গোপন রাখা হবে বলেও জানান তিনি।বিতরণ অনুষ্ঠানে যাঁরা ছিলেনঅভিযোগ বাক্স বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র নুরুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী আবু তাহের, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব মঈনুল আলম ছোটন, জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বখতিয়ার উদ্দীন বকুল, পৌরসভা বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান ও আবদুল মান্নান, যুবদল নেতা কাজী আরিফ উল্লাহ এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ওবাদুল হক রিকুসহ স্থানীয় নেতারা।পৌর বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব গাজী আবু তাহের বলেন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

নেতৃত্ব ও সাফল্যে ব্যাংকিং খাতে আলাদা অবস্থান আদিল চৌধুরীর

দীর্ঘ ব্যাংকিং ক্যারিয়ারে নেতৃত্ব, ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সাফল্যের নজির গড়েছেন আদিল চৌধুরী। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে ২৫ বছরের বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে বর্তমানে তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।ব্যাংকিং খাতে তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে ব্যাংক এশিয়া পিএলসিতে দায়িত্ব পালনের সময়। প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি ব্যাংকটির মুনাফা বৃদ্ধি, ডিজিটাল ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্প্রসারণ, পরিচালন দক্ষতা বাড়ানো এবং সুশাসন জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।তাঁর নেতৃত্বে ব্যাংক এশিয়া ২০২২ সালের শেষ নাগাদ দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জনকারী ব্যাংকে পরিণত হয়। ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ পুনরুদ্ধার এবং কার্যক্রমে দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও তাঁর নেতৃত্বের প্রশংসা রয়েছে ব্যাংকিং অঙ্গনে।আদিল চৌধুরীর পেশাগত অভিজ্ঞতা শুধু বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতেই সীমাবদ্ধ নয়। ২০২০ সালে দেশে ফিরে ব্যাংক এশিয়ায় উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ১৫ বছরের বেশি সময় বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।হংকং ও সিঙ্গাপুরে দ্য ব্যাংক অব নোভা স্কশিয়ায় পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এ সময় এশিয়া-প্যাসিফিক ও মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের বিভিন্ন কৌশলগত কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এর আগে ঢাকায় ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল ইন্দোসুয়েজ ও আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংকেও কাজ করেছেন।স্কশিয়াব্যাংকের ঢাকা শাখায় ট্রেজারি বিভাগ প্রতিষ্ঠায়ও তাঁর ভূমিকা ছিল। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রায় ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ফান্ডিং বুক ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকারি বিনিয়োগ সংস্থার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার কারণে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক কাঠামো, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও ব্যাংকের সামগ্রিক কার্যক্রম সম্পর্কে তাঁর বিস্তৃত ধারণা তৈরি হয়েছে।ব্যাংকিং খাতে আদিল চৌধুরীর নেতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো টেকসই ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি সুশাসন ও নৈতিক মানদণ্ডকে গুরুত্ব দেওয়া। কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, জবাবদিহি এবং কর্মপরিবেশে ভারসাম্য তৈরির ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতাও বহুমুখী। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস অ্যাট অস্টিন থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে (ভিএলএসআই ডিজাইন) স্নাতক এবং কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্ন অন্টারিওর রিচার্ড আইভি স্কুল অব বিজনেস থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। পাশাপাশি আর্থিক বাজারের নিয়ন্ত্রণ ও কার্যক্রম বিষয়ে একাধিক আন্তর্জাতিক সনদ রয়েছে তাঁর।২০২৫ সালের ৭ জুলাই ন্যাশনাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দেন আদিল চৌধুরী। দেশের প্রথম বাংলাদেশি মালিকানাধীন বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ন্যাশনাল ব্যাংক বর্তমানে আর্থিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার ও গ্রাহকদের আস্থা বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং জ্ঞান এবং ব্যাংক এশিয়ায় অর্জিত সাফল্যের কারণে ন্যাশনাল ব্যাংকের নেতৃত্বে আদিল চৌধুরীর নিয়োগকে ব্যাংকটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাঁর সামনে এখন অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ন্যাশনাল ব্যাংকের কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা, দক্ষতা ও আস্থা ফিরিয়ে আনার চ্যালেঞ্জ।

নেতৃত্ব ও সাফল্যে ব্যাংকিং খাতে আলাদা অবস্থান আদিল চৌধুরীর

গণপূর্ত বিভাগের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

ঢাকা, ৪ আগস্ট: গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, বদলি ও দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগকারী পক্ষের দেওয়া অভিযোগপত্র ও সংশ্লিষ্ট নথির বরাতে বলা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন সময়ে বদলি, পদায়ন ও সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করেছেন। পাশাপাশি প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, তিনি আত্মীয়স্বজনের নামে বিভিন্ন স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও ব্যবসায়িক স্বার্থ গড়ে তুলেছেন।অভিযোগে হবিগঞ্জ, ভোলা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সাভারে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সরকারি নির্মাণ প্রকল্প ও ক্রয়প্রক্রিয়ায় অনিয়মের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এদিকে, তার পৃথক থাকা স্ত্রীর নামে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যেও তার ব্যক্তিগত আচরণ ও সম্পদের মালিকানা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের রায় পাওয়া যায়নি।অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

গণপূর্ত বিভাগের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ