ঢাকা    বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ১১ মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৭০

২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ১১ মৃত্যু, আক্রান্ত ১,২৭০

দেশে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হামের উপসর্গ ও নিশ্চিত হাম মিলিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৭০ জন। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রামে দুজন এবং সিলেট, খুলনা ও রংপুর বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৬ জনে। তাঁদের মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০১ জন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৭৫ জনের।গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৫৭ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে দেশে সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। ফলে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৮৫১ জনে।এদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে হাম সন্দেহে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৮ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬১২ জন।

হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১,৩২০

দেশে হামের প্রকোপ বেড়েই চলছে। প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩২০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে।বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৪৪। এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ১০০ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৪৪ শিশুর।একসময় হাম নির্মূলের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশ। অথচ এখন দেশটি বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ হাম প্রাদুর্ভাবের মুখোমুখি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮১ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ১ হাজার ২৩৯ শিশু।একই সময়ে ১ হাজার ১৪১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ হাজার ৭৯ শিশু।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৭৫ হাজার ১৯৮। এর মধ্যে ২০ হাজার ২৮২ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার ৪২০ রোগী। চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৬৫ জন। হামের সংক্রমণ মোকাবিলায় আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে আবারও হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এরই মধ্যে অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে এসে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছাবে।

হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১,৩২০

হামে ভয়াবহ পরিস্থিতি, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭

একসময় হাম নির্মূলের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই দেশেই এখন ভয়াবহ হাম প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯ জনে। এ ছাড়া গত এক দিনে নতুন করে ৮৫৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।  স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর দেশে হামে কোনো মৃত্যুর রেকর্ড ছিল না। অথচ চলতি বছর মাত্র ছয় মাসের মধ্যে হামে মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়ে গেছে।প্রতিদিনই নতুন করে আক্রান্ত শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। অনেক পরিবার সন্তানকে বাঁচাতে ধারদেনা করে চিকিৎসার খরচ জোগাচ্ছে, কেউ আবার শেষ সম্বলটুকুও ব্যয় করছেন। আবার সন্তান হারানো পরিবারগুলোকে শোকের পাশাপাশি বহন করতে হচ্ছে ঋণের বোঝাও।২৫ সেপ্টেম্বর থেকে আবার টিকাদানহামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দেশে আবারও টিকাদান কার্যক্রম শুরু করার কথা জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।গত বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, টিকাদান কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অধিকাংশ টিকা ইউনিসেফের মাধ্যমে দেশে এসে পৌঁছেছে। অবশিষ্ট টিকাও আগামী ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে হামের সংক্রমণ ও মৃত্যুর পরিস্থিতি উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় টিকাদান কার্যক্রমকে সংক্রমণ মোকাবিলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

হামে ভয়াবহ পরিস্থিতি, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৮৮

দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৮৮ জন।শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৩ জনে। আর এ বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪১ হাজার ৩২ জন।ঢাকায় ভর্তি ২৫১ জনগত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ১০২ জন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ১৪৯ জন।ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ঢাকা বিভাগে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৭৬ জন।এ ছাড়া বরিশাল বিভাগে ১৭১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১২৩ জন, খুলনায় ১৬৩ জন, ময়মনসিংহে ৫০ জন, রাজশাহীতে ৪৯ জন এবং রংপুরে ৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।২০২৩ সালে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তিস্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২০০০ সাল থেকে দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর হিসাব সংরক্ষণ করছে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে ডেঙ্গু নিয়ে সবচেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।একই বছর ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে। ২০২৩ সালে এ রোগে প্রাণ হারান ১ হাজার ৭০৫ জন।গত বছরও ডেঙ্গুর পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক। ২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে চার শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়। ওই বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ লাখ ২ হাজার।চলতি বছরও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় রোগটি নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ।

ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৮৮

হামের উপসর্গে ৫ মাসে প্রাণ গেল ৯০৮ জনের, আজ ৬ শিশুর মৃত্যু

দেশে হামের পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১০১ শিশু। রোববার (১৬ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৮০ শিশুর শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হাম নিশ্চিত হয়েছে। বাকি ১ হাজার ২১ শিশু হামের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৮০৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরও ৯৯ জন। সব মিলিয়ে এই সময়ে হাম ও সংশ্লিষ্ট উপসর্গে ৯০৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগীদের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আরও ৯৬৩ শিশু ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৮৫০ জন। ফলে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ এখনো উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি রয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামগ্রিক হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৭। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এদের মধ্যে ১৭ হাজার ৮৮০ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।এ সময়ে হাম আক্রান্ত ও উপসর্গযুক্ত মোট ১ লাখ ২৪ হাজার ৪৫৭ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৩৯ জন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার এখনো বেশি। বিশেষ করে হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর ধারাবাহিকতা স্বাস্থ্য খাতের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিকাদান কর্মসূচি আরও জোরদার এবং আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

হামের উপসর্গে ৫ মাসে প্রাণ গেল ৯০৮ জনের, আজ ৬ শিশুর মৃত্যু

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে মোট ৮৬৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ৭৭৬ শিশু। এর মধ্যে ৯৯ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। আর ৬৭৭ শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় হামে আক্রান্ত হয়ে দুজন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৭৬৯স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ৯৮ জন।চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩২ জনের। এ সময়ে ১৭ হাজার ৪০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৩৭২।হাসপাতালে ভর্তি ১ লাখ ১৭ হাজারের বেশিস্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৪৪ জন।এ সময়ে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ২০০ জন।

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু