ঢাকা    বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ব্যর্থতার দায় শুধু ইশরাকের নয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: হাসনাত

ব্যর্থতার দায় শুধু ইশরাকের নয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: হাসনাত

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে রাস্তায় নামতে হওয়াকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যর্থতা হিসেবে দেখছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। এ পরিস্থিতির জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন। তাঁর মতে, ইশরাক হোসেনকে সরিয়ে দিয়ে মূল প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা ও জবাবদিহির প্রশ্ন আড়াল করা হচ্ছে।হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, একজন প্রতিমন্ত্রী হয়েও কেন জনাব ইশরাক হোসেনকে নিজেই অস্ত্র হাতে নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে হলো সরকারের কাছে এই প্রশ্নের জবাব চাওয়া জরুরি। এর পেছনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ওঠে।তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথভাবে কাজ করলে একজন প্রতিমন্ত্রীকে এভাবে মাঠে নামতে হতো না। এ পরিস্থিতির দায় শুধু ইশরাক হোসেনের একার নয়; সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপরও বর্তায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রতিমন্ত্রীকে সরালেই কি সমস্যার সমাধান?হাসনাত আবদুল্লাহ প্রশ্ন তোলেন, একজন প্রতিমন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়াকেই যদি সমস্যার সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত হবে কীভাবে?রাষ্ট্রীয় তদারকি ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীর হাসপাতাল পরিদর্শনের প্রসঙ্গও টানেন। তিনি লেখেন, একই ধরনের প্রশ্ন দেখা যায় যখন প্রধানমন্ত্রীকে হাসপাতালে গিয়ে টয়লেট পরিদর্শন করতে হয়। রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো যথাযথভাবে কাজ করলে প্রধানমন্ত্রীকে কেন সেখানে যেতে হবে?ব্যর্থতার দায় ব্যক্তির ওপর চাপানোর অভিযোগসরকারের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতা আড়াল করতে ব্যক্তিকে বলির পাঁঠা বানিয়ে সংকট সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভবিষ্যতে এসব ব্যর্থতার কারণে জনগণ রাস্তায় নেমে এলে সরকার কাকে পদত্যাগ করিয়ে দায় এড়াবে?ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে হাসনাত আবদুল্লাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সমালোচনা করেন। তিনি লেখেন, দিনশেষে ঘের দখল, দুর্নীতি ও ঘুষের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদের ব্যর্থতার বলি হতে হবে জনাব ইশরাক হোসেনদের।

বিএনপির মুখে জুলাই, অন্তরে আওয়ামী লীগ: হাসনাত আবদুল্লাহ

বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও অবস্থানের সমালোচনা করে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, বিএনপির মুখে জুলাই থাকলেও অন্তরে রয়েছে আওয়ামী লীগ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দলটির কথাবার্তা ও কর্মকাণ্ডের এই দ্বৈত অবস্থান দেশজুড়ে অস্বস্তি তৈরি করেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।মঙ্গলবার বাংলামোটরে জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘জুলাই গণহত্যার বিচার: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতার ব্যবধান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, বর্তমানে বিএনপিতে দুটি ধারা দেখা যাচ্ছে। একটি ধারা গত দেড় থেকে দুই দশক ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছে এবং জেল-জুলুম ও মামলার শিকার হয়েছে। অন্য ধারাটি ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নতুন করে বিএনপির পরিচয়ে সক্রিয় হয়েছে।হাসনাতের অভিযোগ, এই সুযোগসন্ধানী অংশ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগসাজশ করে জুলাই অভ্যুত্থানের মামলাকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ‘মামলা বাণিজ্য’ চালাচ্ছে।মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে না জানিয়ে দুই থেকে আড়াই শ ব্যক্তিকে আসামি করে গণহারে মামলা করা হচ্ছে। পরে আসামিপক্ষের বাড়িতে লোক পাঠিয়ে অর্থের বিনিময়ে সমঝোতা করা হচ্ছে। এতে প্রকৃত খুনি ও হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতাদের বিরুদ্ধে মামলার ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ছে।দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও জুলাই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেশের বিভিন্ন থানায় দায়ের করা মামলাগুলোর কতটিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি। হাসনাতের দাবি, অভিযোগপত্র দেওয়া হলে মামলা বাণিজ্যের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাবে—এ কারণেই মামলার তদন্ত ও অভিযোগপত্র দাখিলে দীর্ঘসূত্রতা করা হচ্ছে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন, বিতর্কিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলমের সম্পদ নিয়ন্ত্রণ, বালুমহাল ও সিএনজি স্ট্যান্ড দখল এবং সারের ডিলারশিপের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে একটি পক্ষ ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। জুলাই গণহত্যায় সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযোগপত্র দাখিল এবং রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবি জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। তা না হলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আঁতাতের দায় বিএনপিকে নিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

বিএনপির মুখে জুলাই, অন্তরে আওয়ামী লীগ: হাসনাত আবদুল্লাহ

৫ মিনিট আগে পরীক্ষা ক্যান্সেল- কী নির্মম রসিকতা: হাসনাত

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে পরীক্ষা বাতিলের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। পরীক্ষা শুরুর মাত্র পাঁচ মিনিট আগে বাতিলের ঘোষণা দেওয়ায় প্রায় তিন লাখ চাকরিপ্রার্থী ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। এ ঘটনায় দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন এই সংসদ সদস্য।শনিবার নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রায় তিন লাখ বেকার চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে ঢাকায় এসেছিলেন। তাঁদের কেউ টিউশনির টাকা জমিয়ে, আবার কেউ ধারদেনা করে চাকরির আশায় রাজধানীতে এসেছেন।হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, আগের রাত থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবর ছড়িয়ে পড়ছিল। অথচ প্রায় তিন লাখ পরীক্ষার্থী যখন ১০০টি কেন্দ্রে প্রবেশ করেন, তখন পরীক্ষা শুরুর মাত্র পাঁচ মিনিট আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়ে পরীক্ষা বাতিল করা হয়।এ ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘তিন লাখ মানুষকে ৫ মিনিট আগে জানানো হলো, পরীক্ষা ক্যান্সেল—কী নির্মম রসিকতা!’এত বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থীর আর্থিক ক্ষতি ও ভোগান্তির দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন হাসনাত আবদুল্লাহ। নতুন করে পরীক্ষা আয়োজন করতে সরকারের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ অর্থ জনগণের। তাই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, দীর্ঘদিন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও নিয়োগ কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর একটি পরীক্ষা আয়োজন করা হলেও সেখানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের চক্র সক্রিয় হয়ে উঠছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হলে চাকরিপ্রার্থীদের আবারও ধারদেনা করে ঢাকায় আসতে হবে। এতে তাঁদের হতাশা ও অনিশ্চয়তা আরও বাড়বে।প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত আমলা, সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার দাবি জানান এনসিপির এই নেতা। তাঁর আহ্বান, যাঁদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে হবে, গ্রেপ্তার করতে হবে এবং দ্রুত বিচার শেষে শাস্তি কার্যকর করতে হবে।প্রশ্নপত্র ফাঁসের চক্র নির্মূলে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে পদত্যাগ করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর ভাষ্য, মন্ত্রী নিজেই যদি এই চক্রের প্রধান হন, তাহলে সেটি নির্মূল হওয়ার পরিবর্তে আরও বিস্তৃত হবে।

৫ মিনিট আগে পরীক্ষা ক্যান্সেল- কী নির্মম রসিকতা: হাসনাত

বিএনপি সরকার সব নিয়োগ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে: হাসনাত

নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত করার কথা বলে বিএনপি সরকার আরেকটি ‘বাজে’ কাজ করতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ১০ম গ্রেডের নিয়োগ কার্যক্রম সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কাছ থেকে সরিয়ে নিজেদের কমিটির মাধ্যমে করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে হাসনাত আবদুল্লাহ এসব কথা বলেন।উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, অন্যান্য ১০ম গ্রেডের পদের মতো এ পদেও দীর্ঘদিন ধরে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ হয়ে আসছে। মন্ত্রণালয় শূন্য পদের সংখ্যা জানায়, পিএসসি পরীক্ষা নিয়ে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করে এবং পরে মন্ত্রণালয় নিয়োগ দেয়। তাঁর দাবি, এ প্রক্রিয়ায় নিয়োগ কার্যক্রম ভালোভাবেই চলছে।হাসনাত আবদুল্লাহর অভিযোগ, বিএনপি সরকার সব নিয়োগ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে। পিএসসির অধীনে চলা নিয়োগ দ্রুত সম্পন্ন করতে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ও জনপ্রশাসন সচিবকে নিয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটিটি নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে কাজ করবে।এ উদ্যোগের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাসনাত বলেন, কেন, পিএসসি কি পারছে না? পিএসসি কি কোথাও বলেছে, আমরা পারছি না। তাঁর ভাষ্য, খালি চোখেই বোঝা যাচ্ছে, সরকার নিয়োগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। উদ্দেশ্য হতে পারে, পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ করা কিংবা দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ করা।সরকারি চাকরিতে নিয়োগে বৈষম্যের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, তারা কি চব্বিশ ভুলে গেছে? সরকারি চাকরির নিয়োগে বৈষম্য করার কারণেই কিন্তু এ দেশের ছাত্ররা আন্দোলনের সূত্রপাত করেছিল, যা থেকে কালজয়ী অভ্যুত্থান হয়েছে।তিনি আরও বলেন, ক্ষমতা আর সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তা ভুলে গেলে সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই, তরুণরা কিন্তু জাগ্রত আছে। নিয়োগে হস্তক্ষেপ করে দুর্নীতির মাধ্যমে লাভবান হওয়ার চিন্তা করলে তা কখনো ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না বলেও মন্তব্য করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

বিএনপি সরকার সব নিয়োগ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে: হাসনাত

হাসনাতের দুঃখ প্রকাশ, কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কর্মসূচি প্রত্যাহার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে সংসদে দেওয়া বক্তব্যের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ দুঃখ প্রকাশ করায় নিজেদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ। শনিবার দুপুরে এনসিপির নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর কর্মসূচি প্রত্যাহারের কথা জানায় সংগঠনটি।তবে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জেলা শিল্পকলা একাডেমি কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নয়। সেখানে এনসিপির রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি।জানা গেছে, শনিবার বিকেল ৪টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটির উদ্যোগে সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা হওয়ার কথা ছিল।এর আগে শুক্রবার মধ্যরাতে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের ব্যানারে মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। হাসনাত আবদুল্লাহ বক্তব্যের জন্য ক্ষমা না চাইলে এনসিপির অনুষ্ঠান প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন তাঁরা।এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার বিকেল ৩টায় এনসিপির অনুষ্ঠানস্থলে ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেয় কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ।তবে শনিবার দুপুরে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষের সঙ্গে তাঁর ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। সংসদে দেওয়া বক্তব্যের জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।কর্মসূচি প্রত্যাহারব্রাহ্মণবাড়িয়া কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল খালেক বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের নির্ধারিত কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছে।তিনি বলেন, এনসিপির কর্মসূচিতে আমাদের কোনো বাধা থাকবে না।শিল্পকলায় রাজনৈতিক অনুষ্ঠান নিয়ে আপত্তিএদিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির কর্মসূচি আয়োজনের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদ বলেন, এনসিপির পক্ষ থেকে শিল্পকলা একাডেমিতে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠান করার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেখানে রাজনৈতিক সমাবেশ হবে, এমন তথ্য আগে জানানো হয়নি।জেলা প্রশাসক বলেন, শিল্পকলায় কোনো রাজনৈতিক অনুষ্ঠানের জন্য নয়। তারা সেখানে অনুষ্ঠান করতে পারবে না। এনসিপির অনুষ্ঠানকে ঘিরে কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করায় আপাতত ওই পক্ষের কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের অবসান হয়েছে। তবে শিল্পকলা একাডেমিতে এনসিপির অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি নিয়ে জেলা প্রশাসনের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।

হাসনাতের দুঃখ প্রকাশ, কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদের কর্মসূচি প্রত্যাহার