ঢাকা    শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেনাপ্রধানের বৈঠক

অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেনাপ্রধানের বৈঠক

অস্ট্রেলিয়ার পার্থে অনুষ্ঠিত ‘ল্যান্ড ফোর্সেস ইন্টারন্যাশনাল ল্যান্ড ডিফেন্স এক্সপোজিশন অ্যান্ড চিফ অব আর্মি সিম্পোজিয়াম ২০২৬’-এ অংশ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।সোমবার অস্ট্রেলিয়ান সেনাবাহিনী প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুসান কোয়েল এবং ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি প্যাসিফিকের (ইউএসএআরপিএসি) ডেপুটি কমান্ডিং জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোয়েল বি ভাওয়েলের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেন সেনাপ্রধান।বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে।সুসান কোয়েলের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়।অন্যদিকে, লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোয়েল বি ভাওয়েলের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা এবং তথ্য বিনিময় আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করা হয়।বৈঠকে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি জোরদার করতে ‘ডিজাস্টার রেসপন্স এক্সারসাইজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ’ (ডিআরইই) আয়োজনের বিষয়টিও আলোচনায় আসে।এ ছাড়া বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং (বিআইপিএসওটি)-এ গ্লোবাল পিস অপারেশনস ইনিশিয়েটিভের (জিপিওআই) অর্থায়নে প্রশিক্ষণ কোর্স চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়।বাংলাদেশের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) এবং ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি)-এ যুক্তরাষ্ট্রের প্রশিক্ষণার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষ খুঁজবে ‘সাইবর্গ আরশোলা’, দিতে পারবে জরুরি ইনজেকশন

ভূমিকম্পে ভবন ধসে পড়ার পর ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষকে খুঁজে বের করা উদ্ধারকারীদের জন্য কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ। এমন পরিস্থিতিতে মানুষের বদলে ছোট ছোট আরশোলা পাঠিয়ে অনুসন্ধান চালানোর প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন অস্ট্রেলিয়ার একদল গবেষক। শুধু আটকে পড়া ব্যক্তিকে শনাক্ত করাই নয়, প্রয়োজনে তাঁর কাছে জরুরি চিকিৎসা সহায়তাও পৌঁছে দিতে পারবে এসব ‘সাইবর্গ পতঙ্গ’।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের বায়োরোবোটিক্স গবেষকদের নেতৃত্বে এই প্রকল্পে কাজ চলছে। তাঁদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন নিউ সাউথ ওয়েলস ইউনিভার্সিটির বায়োমেডিকেল প্রকৌশলীরাও।গবেষকেরা এসব পতঙ্গকে ‘প্যারাবর্গ’ নামে অভিহিত করছেন। আরশোলার শরীরে যুক্ত করা হয়েছে ক্যামেরা, ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য বিশেষ ‘অটো-ইনজেকশন’ ব্যবস্থা। লক্ষ্য হলো ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবন, গুহা কিংবা সংকীর্ণ ও বিপজ্জনক জায়গায় মানুষের কাছে পৌঁছে জরুরি সহায়তা দেওয়া।ক্যামেরার সঙ্গে যুক্ত ইনজেকশন ব্যবস্থাগবেষণার অংশ হিসেবে ফার নর্থ কুইন্সল্যান্ডের বিশেষ প্রজাতির গর্ত খোঁড়া আরশোলার শরীরে হালকা ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ ও ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এর সঙ্গে রয়েছে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণযোগ্য ইনজেকশন ব্যবস্থা।গবেষকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, কোনো প্যারাবর্গ ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আহত ব্যক্তিকে শনাক্ত করলে তার কাছাকাছি গিয়ে নির্দিষ্ট অবস্থানে থেকে ইনজেকশন দেওয়ার মতো ব্যবস্থা করা হবে। তবে চিকিৎসাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত মানুষের নিয়ন্ত্রণেই থাকবে।ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডের বায়োরোবোটিক্স প্রকৌশলী থাং ভো-ডোয়ান বলেন, এত দিন সাইবর্গ পতঙ্গকে মূলত সেন্সর বহন বা তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহারের কথা ভাবা হয়েছে। তাঁদের লক্ষ্য সেই ধারণাকে আরও এগিয়ে নিয়ে এসব পতঙ্গকে ক্ষুদ্র ‘ফার্স্ট রেসপন্ডার’-এ পরিণত করা।তাঁদের গবেষণার মূল প্রশ্ন হলো—ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া কোনো মানুষকে যদি একটি সাইবর্গ পতঙ্গ খুঁজে পায়, তাহলে শুধু অবস্থান শনাক্ত না করে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জরুরি সহায়তা দেওয়া সম্ভব কি না।ইনজেকশন দেওয়ার পরীক্ষায় ৯৫ শতাংশ সাফল্যপ্রাথমিক পরীক্ষায় আশাব্যঞ্জক ফল পেয়েছেন গবেষকেরা। লক্ষ্যবস্তুর ১৫ সেন্টিমিটারের মধ্যে থেকে ইনজেকশন দেওয়ার পরীক্ষায় প্যারাবর্গগুলোর সাফল্যের হার ছিল ৯৫ শতাংশ।তবে একই সঙ্গে নেভিগেশন ও ইনজেকশন দেওয়ার কাজ করতে গেলে সাফল্যের হার কমে দাঁড়ায় ৭২ শতাংশে।পিএইচডি গবেষক হাই নান লে বলেন, আরশোলাকে লক্ষ্যবস্তুর কাছে নিয়ে গিয়ে সঠিক অবস্থানে স্থির রাখা প্রকল্পটির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। ইনজেকশন দেওয়ার সময় পতঙ্গটির নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করাও গুরুত্বপূর্ণ।গবেষকদের মতে, মানুষের কাছে এমন বড় আকারের আরশোলা অস্বস্তিকর মনে হতে পারে। তবে ধ্বংসস্তূপ বা গুহার ভেতরে কেউ আটকে থাকলে এই প্রযুক্তি তাঁর কাছে দ্রুত জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে পারে।গবেষণা শেষে আরশোলা স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেসাইবর্গ পতঙ্গ তৈরির জন্য আরশোলার শরীরে ইলেকট্রোড ও মাইক্রোচিপ স্থাপন করা হয়। এ কাজের সময় তাদের অচেতন করা হয় বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা।গবেষণা বা উদ্ধার কার্যক্রম শেষে এসব ইলেকট্রনিক যন্ত্র খুলে ফেলা সম্ভব। এরপর আরশোলাগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা ও জীবনযাপন করতে পারে।ভবিষ্যতে কাজ করবে পুরো ‘আরশোলা বাহিনী’গবেষকেরা ভবিষ্যতে এক বা দুটি নয়, বিশেষায়িত সাইবর্গ পতঙ্গের পুরো একটি দল তৈরির পরিকল্পনা করছেন। তাঁদের ধারণা, প্রতিটি পতঙ্গকে আলাদা দায়িত্ব দেওয়া গেলে তারা সম্মিলিতভাবে একটি উদ্ধারকারী দলের মতো কাজ করতে পারবে।এতে ধ্বংসস্তূপের বড় এলাকায় দ্রুত অনুসন্ধান চালানো সম্ভব হতে পারে। নিউ সাউথ ওয়েলস ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউয়ের প্রধান টিম হাসিওটিস মনে করেন, উদ্ধারকারীরা যেখানে সহজে পৌঁছাতে পারেন না, সেখানে সাইবর্গ পতঙ্গ দিয়ে আহত ব্যক্তিদের অবস্থান শনাক্ত ও জরুরি সহায়তা দেওয়া গেলে ভবিষ্যতের নগর অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রমে এটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি হয়ে উঠতে পারে।গবেষক থাং ভো-ডোয়ানের আশা, আগামী পাঁচ থেকে ১০ বছরের মধ্যে বাস্তব জরুরি পরিস্থিতিতে এ ধরনের সাইবর্গ পতঙ্গের উদ্ধারকারী দল ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়া মানুষ খুঁজবে ‘সাইবর্গ আরশোলা’, দিতে পারবে জরুরি ইনজেকশন

তামিম-মুশফিকের চোট নিয়ে স্বস্তি, খেলতে পারেন দুজনই

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের আগে স্বস্তি ফিরেছে বাংলাদেশ শিবিরে। অনুশীলনে চোট পাওয়া তানজিদ হাসান তামিম ও মুশফিকুর রহিমের খেলা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হলেও দুজনেরই মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।ম্যাকাইয়ে শুক্রবার ম্যাচের আগে শেষবারের মতো অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। আগের দিনের অনুশীলনে আঙুলে চোট পাওয়া তানজিদ হাসান তামিম সকালে স্ক্যান করান। পরে তাঁকে ব্যাটিং করতেও দেখা গেছে। মুশফিকুর রহিমের চোটও গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন শান্ত।সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘মুশফিক ভাই ঠিক আছে। তামিমও আজকে ব্যাট করেছে। আশা করছি কালকে সকালে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারব।’তামিমের খেলার বিষয়ে আরও আশাবাদী শান্ত। তবে ম্যাচের দিন সকালে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘তামিম আজকে ব্যাট করেছে। মেডিকেল টার্মস অনুযায়ী, কালকে সকাল পর্যন্ত দেখতে হবে। আমাদের হাতে সব ধরনের অপশন আছে। আমার মনে হয় না খুব বেশি সমস্যা হবে।’এদিকে ম্যাকাইয়ের উইকেটে বোলাররা বাড়তি সহায়তা পেতে পারেন বলে মনে করছেন শান্ত। বিশেষ করে বাতাস কাজে লাগাতে পারলে পেসাররা সুইং আদায় করতে পারবেন বলে তাঁর প্রত্যাশা।শান্ত বলেন, ‘বাতাসের জন্য বোলাররা সাহায্য পাবেই, সুইং কিছুটা পেতে পারে। বাতাস যদি কাজে লাগাতে পারে বোলাররা, অবশ্যই তাদের জন্য ভালো সুযোগ থাকবে।’অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে শনিবার ভোর ৬টায়। তামিম ও মুশফিককে নিয়ে আপাতত বড় কোনো শঙ্কা না থাকলেও তাঁদের খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ম্যাচের দিন সকালে।

তামিম-মুশফিকের চোট নিয়ে স্বস্তি, খেলতে পারেন দুজনই

৫৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, একাই ৮ উইকেট নিলেন থম্পসন

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে প্রস্তুতি ম্যাচেই বড় ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ডারউইনে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়ে ইনিংস ও ৩৮ রানে হেরেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের জন্য বড় হুমকি হয়ে ওঠেন ২২ বছর বয়সী বাঁহাতি পেসার ক্যাম্পবেল থম্পসন।প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ২৬৩ রান করে। জবাবে ৩৫৫ রান তুলে ৯২ রানের লিড নেয় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ। সেই লিড পুষিয়ে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ ছিল বাংলাদেশের সামনে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২১.৬ ওভারে ৫৪ রানে গুটিয়ে যায় দলটি।বাংলাদেশের ব্যাটিং ধসের মূল কারিগর ছিলেন থম্পসন। মাত্র ১১ ওভার বল করে ২৫ রান দিয়ে তিনি নিয়েছেন ৮ উইকেট। বাংলাদেশের ১০ ব্যাটারের মধ্যে ৮ জনকেই সাজঘরে ফেরান এই তরুণ পেসার।আগের দিন দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই সাদমান ইসলামকে ৬ রানে আউট করেন থম্পসন। এরপর মুমিনুল হকও তাঁর বলে ৬ রান করে বোল্ড হন।শুক্রবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশ ২ উইকেটে ১৯ রান করেছিল। তৃতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নেমেই আবার বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত কোনো রান না করেই থম্পসনের বলে এলবিডব্লিউ হন। এরপর সৌম্য সরকার ৫ ও মুশফিকুর রহিম ২ রান করে একই বোলারের শিকার হন।৩৬ রানেই চার উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর তানজিদ হাসান তামিম ২২ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে অমিত হাসান ৪ রান করে কোরি রকিচোলির বলে আউট হলে আবারও দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।মেহেদী হাসান মিরাজও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৪৫ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশের ইনিংস আর বেশি দূর এগোয়নি। শেষদিকে হাসান মাহমুদ ২ রানে অপরাজিত থাকলেও অন্য প্রান্তে কেউ তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি।তাসকিন আহমেদ ও এবাদত হোসেনকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ করেন থম্পসন। ১১ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৮ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা বোলিং করেছেন তিনি। রকিচোলি নিয়েছেন ২ উইকেট।দুই টেস্টের সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হওয়ার আগে প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশের এমন ব্যাটিং বিপর্যয় বড় সতর্কবার্তা হয়ে এসেছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হওয়ায় সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশের ব্যাটিং নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

৫৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ, একাই ৮ উইকেট নিলেন থম্পসন