বেসরকারি মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশের চেক ছাড় করা হয়েছে। তবে শুক্র ও শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় আগামী ৪ অক্টোবরের পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে এ টাকা তুলতে পারবেন তাঁরা।বৃহস্পতিবার মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অধিদপ্তরের আওতাধীন বেসরকারি মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশের চারটি চেক ১ অক্টোবর বিতরণকারী ব্যাংকগুলোর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।চেকগুলো অগ্রণী ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে এবং জনতা ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের স্থানীয় কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা আগামী ৪ অক্টোবরের পর নির্ধারিত ব্যাংক থেকে সেপ্টেম্বর মাসের বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বিদ্যালয়ের বাইরে প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। নির্দেশ অমান্য করে কোনো শিক্ষক প্রাইভেট পড়ালে তাঁর এমপিও বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।শনিবার নাটোরের লালপুর উপজেলার বরমহাটি সমবায় উচ্চ বিদ্যালয় ও বিলায়েত খান উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলের পড়া স্কুলেই শেষ করাতে হবে। প্রয়োজন হলে বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শ্রেণিকক্ষেই পাঠদান সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।তিনি বলেন, ‘স্কুলের শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের স্কুলের পড়া স্কুলেই শেষ করাতে হবে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা করতে হবে। নির্দেশ অমান্য করে কোনো শিক্ষক প্রাইভেট পড়ালে তাঁর এমপিও বন্ধ করে দেওয়া হবে।’ফারজানা শারমিন পুতুল আরও বলেন, বিদ্যালয়ের বাইরে প্রাইভেট পড়ানোর পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা বিদ্যালয়েই দিতে হবে।তিনি বলেন, কোনো শিক্ষক প্রাইভেট পড়ালে তাঁর এমপিও বন্ধ করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের উন্নয়নেও কোনো বরাদ্দ দেওয়া হবে না।‘শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার’বিগত সরকার শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে চেয়েছিল বলে মন্তব্য করেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী। তাঁর ভাষ্য, এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছিল, যাতে কেউ কোনো কথা বলতে না পারে।তিনি বলেন, ‘আমরা সেই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছি। এজন্য সরকার শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নে যা কিছু প্রয়োজন, তার সবই করার চেষ্টা করছে।’স্থানীয় শিক্ষার সমস্যা নিয়ে আলোচনামতবিনিময় সভায় স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন সমস্যা, শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।সভায় এবি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবেদ আলী মণ্ডলের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ পাপ্পু, গোপালপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম মোলাম, বিলমাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সিদ্দিক আলী মিষ্টু, ঈশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ রঞ্জু এবং বিলায়েত খান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেন।এ সময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।