ঢাকা    শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বড় হারে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বড় হারে সিরিজ শুরু বাংলাদেশের

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে নেমে শুরুটা ভালো হলো না বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের। ব্যাটিংয়ে ১৬৬ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর বোলিংয়েও স্বাগতিকদের আটকে রাখতে পারেনি নিগার সুলতানার দল। ৭ উইকেটের বড় জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে অস্ট্রেলিয়া।ব্রিসবেনে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৯ ওভার ৪ বলে ১৬৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে ২৪ ওভার ২ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া।ইনিংসের প্রথম বলেই অভিজ্ঞ ব্যাটার ফারজানা হককে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর ১১ রানে শারমিন সুলতানা এবং দলীয় ৩৩ রানে শারমিন আক্তারকে হারায় সফরকারীরা।শারমিন আক্তার অবশ্য শুরুটা করেছিলেন ভালোই। ২৬ বলে ৫টি চারে ২৪ রান করেন তিনি। তবে অ্যালানা কিংয়ের দারুণ ক্যাচে থামে তাঁর ইনিংস। সোবহানা মোস্তারিও ব্যাট হাতে অবদান রাখতে পারেননি। ১৭ বল খেলে করেন মাত্র ২ রান।পঞ্চম উইকেটে অধিনায়ক নিগার সুলতানা ও রিতু মনি ৩৫ রানের জুটি গড়েন। তবে জুটি থেকে রান এসেছে ধীরগতিতে। পরে রান বাড়ানোর চেষ্টায় আউট হন নিগার। ৮৬ বলে ২৯ রান করে ম্যাকগ্রার বলে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। এক প্রান্তে রিতু মনি দলকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ৬৩ বলে ৪৫ রান করে রানআউট হওয়ার আগে দলের সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। স্বর্ণা আক্তার ২০ এবং নাহিদা আক্তার ১৯ রানে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ১৬৬ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড। তিনি নিয়েছেন ৪ উইকেট।সহজ জয়ে অস্ট্রেলিয়া১৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে অস্ট্রেলিয়া। অভিষিক্ত পেসার হাবিবা ইসলাম পিংকি দলকে প্রথম সাফল্য এনে দেন। অস্ট্রেলিয়ার ৩০ রানে জর্জিয়া ভলকে ফিরিয়ে দেন তিনি।তবে প্রথম উইকেট হারানোর পরও রানের গতি কমেনি স্বাগতিকদের। দ্বিতীয় উইকেটে এলিস পেরি ও ফিবি লিচফিল্ড গড়েন ৮৯ রানের জুটি। ৫৭ বলে ৭৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলা লিচফিল্ডকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন রাবেয়া খান।এরপর ১৩ রান করা মুনিকে আউট করেন পিংকি। তবে ততক্ষণে জয়ের পথ অনেকটাই সহজ করে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া। বাকি কাজ নির্বিঘ্নে শেষ করেন পেরি ও সাদারল্যান্ড। পেরি ৪৫ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। অন্য প্রান্তে সাদারল্যান্ড অপরাজিত থাকেন ২৫ রানে। ২৪ ওভার ২ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে অস্ট্রেলিয়া। ফলে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই বড় ব্যবধানে হার দিয়ে শুরু হলো বাংলাদেশের মেয়েদের।

১৩ ওভার পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ, শেষ সাত ওভারে শ্রীলঙ্কার ঝড়

শুরুটা ছিল বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু শেষ দিকে ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে গেল। এশিয়ান গেমস ক্রিকেটে ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে বাংলাদেশকে ১৬৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। টস হেরে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৬৫ রান করেছে তারা।দুই প্রান্ত থেকে স্পিন দিয়ে আক্রমণ শুরু করে বাংলাদেশ। তাতে প্রথম চার ওভারের মধ্যেই চার উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। পাকিস্তানের বিপক্ষে একাদশে না থাকা আলিস আল ইসলাম এদিন বল হাতে দারুণ কার্যকর ছিলেন। প্রথম স্পেলে ৩ ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট। তাঁর করা ১৮ বলের ১২টিই ছিল ডট বল।শেখ মেহেদী হাসানও চাপ ধরে রাখেন। ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন তিনি। আগের ম্যাচে বোলিং না করা সাইফ হাসানকেও এদিন ব্যবহার করেন অধিনায়ক লিটন দাস। তবে প্রথম দুই ওভারে ১৮ রান দেন সাইফ।মোস্তাফিজের ওভারেই বদলে গেল ম্যাচ১৩ ওভার পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে থাকা শ্রীলঙ্কা এরপর পাল্টা আক্রমণে যায়। ১৪তম ওভারে মোস্তাফিজুর রহমানকে আক্রমণে আনার পরই ম্যাচের গতিপথ বদলে যায়। নিজের প্রথম ওভারেই ২৫ রান দেন বাঁহাতি এই পেসার। বিরতির পর দ্বিতীয় ওভারে দেন আরও ১১ রান।১৩ থেকে ১৮—এই ছয় ওভারেই ৮৩ রান তুলে নেয় শ্রীলঙ্কা। ১৮ ওভার শেষে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৪৭ রান।এরপর অবশ্য কিছুটা ঘুরে দাঁড়ান মোস্তাফিজ। নিজের তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই ফিফটি করা থারিন্ডু রত্ননায়েকেকে ফিরিয়ে দেন তিনি। ওই ওভারে দেন মাত্র ৭ রান।শেষ ওভারে বল হাতে নেন সাইফ হাসান। ওভারে দুটি উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে ১৬৫ রানে আটকে রাখেন তিনি।বাংলাদেশের হয়ে শেখ মেহেদী ২টি উইকেট নেন। আলিস আল ইসলাম ও মোস্তাফিজুর রহমানও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট পেয়েছেন। এখন এশিয়ান গেমসের ব্রোঞ্জ পদক জিততে বাংলাদেশকে ২০ ওভারে করতে হবে ১৬৬ রান।

১৩ ওভার পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ, শেষ সাত ওভারে শ্রীলঙ্কার ঝড়

সাইফের ঝড়, মোসাদ্দেকের পাল্টা আঘাতে জিতল টিম ‘এ’

সাইফ হাসানের ঝোড়ো ব্যাটিং, মোসাদ্দেক হোসেনের পাল্টা লড়াই আর বল হাতে মুস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত স্পেল সব মিলিয়ে জমে উঠেছিল ম্যাচটি। শেষ পর্যন্ত টিম ‘বি’কে ১১ রানে হারিয়েছে টিম ‘এ’।টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন সাইফ হাসান। প্রতিপক্ষের একের পর এক বোলারকে সামলে ৫২ বলে ৭৭ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন তিনি। তাঁর ব্যাটে ছিল ২টি চার ও ৬টি ছক্কা। তানজিদ হাসান তামিম ১৪ বলে ২৪ রান করে তাঁকে ভালো সঙ্গ দেন।সাইফের ব্যাটিংয়ে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৬ রান সংগ্রহ করে টিম ‘এ’। টিম ‘বি’র হয়ে রিপন মন্ডল ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।মোসাদ্দেকের ঝড়েও হয়নি জয়১৬৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি টিম ‘বি’র। সৌম্য সরকার ১৮ বলে ১৭ রান করে ফেরার পর নাঈম শেখ ও মোসাদ্দেক হোসেন মিলে পাল্টা লড়াই গড়ে তোলেন।তাঁদের জুটিতে ৩৮ বলে আসে ৬৭ রান। এর মধ্যে মোসাদ্দেক ছিলেন সবচেয়ে আগ্রাসী। মাত্র ২২ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। ১ চার ও ৫ ছক্কার ইনিংসটি থামার পর নাঈমও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৩৬ বলে ৪০ রান করেন তিনি।শেষদিকে নুরুল হাসান সোহান ২০ বলে ২৯ রান করলেও টিম ‘বি’কে জয়ের বন্দরে নিতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রানেই থামে তাদের ইনিংস।বল হাতে মুস্তাফিজের দাপটটিম ‘এ’র জয়ে ব্যাটারদের পাশাপাশি বড় অবদান রাখেন মুস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি এই পেসার ৩ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট। তাঁর করা ১৮ বলের মধ্যে ১১টিই ছিল ডট বল। শেষ পর্যন্ত সাইফের ব্যাটিং ও মুস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১১ রানের জয় পায় টিম ‘এ’।

সাইফের ঝড়, মোসাদ্দেকের পাল্টা আঘাতে জিতল টিম ‘এ’

তাওহীদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি

সুযোগটা পেয়েছিলেন, এবার তার দুর্দান্ত সদ্ব্যবহার করলেন তাওহীদ হৃদয়। দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে পচেফস্ট্রুমে ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংস খেলেছেন বাংলাদেশের এই ব্যাটার। কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরে তুলে নিয়েছেন দুর্দান্ত এক ডাবল সেঞ্চুরি।পচেফস্ট্রুমের এনডব্লিউসি ওভালে তৃতীয় দিনের খেলা শেষে তাওহীদ হৃদয় ২০৪ রানে অপরাজিত। আগের দিনের ৪ উইকেটে ২০১ রান নিয়ে দিন শুরু করা বাংলাদেশ ‘এ’ দল দিন শেষে ৬ উইকেটে ৪৭১ রান তুলেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল প্রথম ইনিংসে ৫১২ রান করেছিল। ফলে এখনো ৪১ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ।৭৫ রানে অপরাজিত থেকে দিনের খেলা শুরু করেন হৃদয়। এরপর জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে দারুণভাবে এগিয়ে নেন ইনিংস। দুজনের ব্যাটে বাংলাদেশ ‘এ’ দল যেমন ঘুরে দাঁড়ায়, তেমনি ব্যক্তিগত মাইলফলকের দিকেও এগিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁরা।চার মেরে ১৬৬ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হৃদয়। সেঞ্চুরিতে যাওয়ার পথে তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১৩টি চার ও একটি ছক্কা। এরপরও থামেননি। ৩৩৫ বলে ২২টি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি।জাকেরের আক্ষেপ ৬ রানেরতাওহীদের সঙ্গে দারুণ ব্যাটিং করছিলেন জাকের আলীও। দুজন মিলে চতুর্থ উইকেটে যোগ করেন ১৫১ রান। তবে নতুন বল নেওয়ার পর পেসার মোরেকির বলে উইকেটে টেনে বোল্ড হয়ে যান জাকের। ৯৪ রানে থামতে হয় তাঁকে। অর্থাৎ মাত্র ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হন এই ব্যাটার।জাকের ফিরে যাওয়ার পর পঞ্চম উইকেটে দলের হাল ধরেন তাওহীদ ও সাইফউদ্দিন। দুজনের জুটিতেও আসে বড় রান- ১৮৫। সাইফউদ্দিন ৮৭ রানে আউট হওয়ার পর দিনের খেলা শেষ হয়।বাংলাদেশ ‘এ’ দলের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরিবাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি। ২০০৩ সালে পাকিস্তান সফরে প্যাট্রনস ট্রফিতে ডিফেন্স হাউজিং অথরিটির বিপক্ষে ২১৮ রান করেছিলেন সাবেক ওপেনার বিদ্যুৎ। এরপর ২৩ বছরে বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে আর কোনো ব্যাটার দ্বিশতকের এত কাছে যেতে পারেননি।এই সময়ে জাকির হাসান ভারত ‘এ’ দলের বিপক্ষে ১৭৩ এবং জাকের আলী অনিক পাকিস্তান শাহিন্সের বিপক্ষে ১৭২ রান করেছিলেন।মুশফিক-সাকিবের পাশে হৃদয়বিদেশের মাটিতে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের ব্যাটারদের তালিকাতেও জায়গা করে নিয়েছেন তাওহীদ হৃদয়।এই তালিকায় তাঁর সঙ্গে আছেন মুশফিকুর রহিম ও সাকিব আল হাসান। মুশফিক ২০১৩ সালে এবং সাকিব ২০১৭ সালে বাংলাদেশের জার্সিতে টেস্ট ম্যাচে বিদেশের মাটিতে ডাবল সেঞ্চুরি করেছিলেন। মুশফিকের সর্বোচ্চ ইনিংস ২০০ এবং সাকিবের ২১৭ রান। দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের ৫১২ রানের জবাবে তাওহীদের অপরাজিত ২০৪ রানের ইনিংস তাই শুধু ব্যক্তিগত মাইলফলক নয়, বাংলাদেশ ‘এ’ দলের ইনিংসকেও এনে দিয়েছে নতুন গতি।

তাওহীদ হৃদয়ের ডাবল সেঞ্চুরি

তামিম-মুশফিকের চোট নিয়ে স্বস্তি, খেলতে পারেন দুজনই

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের আগে স্বস্তি ফিরেছে বাংলাদেশ শিবিরে। অনুশীলনে চোট পাওয়া তানজিদ হাসান তামিম ও মুশফিকুর রহিমের খেলা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হলেও দুজনেরই মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।ম্যাকাইয়ে শুক্রবার ম্যাচের আগে শেষবারের মতো অনুশীলন করেছে বাংলাদেশ দল। আগের দিনের অনুশীলনে আঙুলে চোট পাওয়া তানজিদ হাসান তামিম সকালে স্ক্যান করান। পরে তাঁকে ব্যাটিং করতেও দেখা গেছে। মুশফিকুর রহিমের চোটও গুরুতর নয় বলে জানিয়েছেন শান্ত।সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘মুশফিক ভাই ঠিক আছে। তামিমও আজকে ব্যাট করেছে। আশা করছি কালকে সকালে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারব।’তামিমের খেলার বিষয়ে আরও আশাবাদী শান্ত। তবে ম্যাচের দিন সকালে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ‘তামিম আজকে ব্যাট করেছে। মেডিকেল টার্মস অনুযায়ী, কালকে সকাল পর্যন্ত দেখতে হবে। আমাদের হাতে সব ধরনের অপশন আছে। আমার মনে হয় না খুব বেশি সমস্যা হবে।’এদিকে ম্যাকাইয়ের উইকেটে বোলাররা বাড়তি সহায়তা পেতে পারেন বলে মনে করছেন শান্ত। বিশেষ করে বাতাস কাজে লাগাতে পারলে পেসাররা সুইং আদায় করতে পারবেন বলে তাঁর প্রত্যাশা।শান্ত বলেন, ‘বাতাসের জন্য বোলাররা সাহায্য পাবেই, সুইং কিছুটা পেতে পারে। বাতাস যদি কাজে লাগাতে পারে বোলাররা, অবশ্যই তাদের জন্য ভালো সুযোগ থাকবে।’অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে শনিবার ভোর ৬টায়। তামিম ও মুশফিককে নিয়ে আপাতত বড় কোনো শঙ্কা না থাকলেও তাঁদের খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ম্যাচের দিন সকালে।

তামিম-মুশফিকের চোট নিয়ে স্বস্তি, খেলতে পারেন দুজনই

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ২৩ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাল বাংলাদেশ। ডারউইন টেস্টে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটি বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়।জয়ের জন্য চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য ছিল মাত্র ৫৭ রান। শুরুতেই প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা তানজিদ হাসান তামিম শূন্য রানে ফিরে গেলেও এরপর আর কোনো বিপদ হতে দেননি মুমিনুল হক ও সাদমান ইসলাম। শেষ পর্যন্ত ৯ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।মুমিনুলের ব্যাট থেকে জয়সূচক রান আসার পর বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়েরা ডাগআউটে উদ্‌যাপনে মেতে ওঠেন। গ্যালারিতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরাও ‘বাংলাদেশ, বাংলাদেশ’ স্লোগানে আনন্দ প্রকাশ করেন।বাংলাদেশের জয়ের মূল কারিগর ছিলেন বোলাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে বড় ধস নামান মেহেদী হাসান মিরাজ। ৬৬ রানে ৫ উইকেট নিয়ে স্বাগতিকদের দ্বিতীয় ইনিংস গুটিয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। হাসান মাহমুদ নেন ৩ উইকেট। পুরো ম্যাচে তাঁর শিকার ৯ উইকেট।অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যামেরন গ্রিন সেঞ্চুরি করলেও দলের সংগ্রহকে বড় লক্ষ্যে নিয়ে যেতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২৮৪ রানে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। ফলে বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫৭ রান।এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ ৪২৬ রান করে অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রানের জবাবে ২২৮ রানের লিড নেয়। ব্যাট হাতে মেহেদী হাসান মিরাজের ৬৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসও বাংলাদেশের বড় লিড গড়তে ভূমিকা রাখে।সিরিজ শুরুর আগে অস্ট্রেলিয়া ছিল টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে, আর বাংলাদেশ ছিল নবম স্থানে। র‌্যাঙ্কিংয়ের বড় ব্যবধান সত্ত্বেও ডারউইনে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে বাংলাদেশ।২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমে শেষ পর্যন্ত ঐতিহাসিক জয় নিয়েই ফিরল বাংলাদেশ। দুই ম্যাচের সিরিজে এখন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে শান্তর দল। সামনে আরও একটি টেস্ট—সেখানে সিরিজ জয়ের সুযোগ বাংলাদেশের।স্কোর: অস্ট্রেলিয়া: ১৯৮ ও ২৮৪ বাংলাদেশ: ৪২৬ ও ৫৭/১ ফল: বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জয়ী

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের

মিরাজের ব্যাটে রেকর্ড, বাংলাদেশের লিড ২২৮

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে বাংলাদেশের লিড দুইশ ছাড়িয়েছে। আর এই লিড গড়ে তোলার পেছনে বড় অবদান রেখেছেন অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ। বিশ্বমানের অস্ট্রেলীয় বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে শেষ দিকের ব্যাটারদের নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে পৌঁছে দেন তিনি।মিরাজের ৬৫ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থামে ৪২৬ রানে। অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রান করায় বাংলাদেশ পেয়েছে ২২৮ রানের লিড।বাংলাদেশের ইনিংসে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তদের অবদানের পাশাপাশি মিরাজের ইনিংসটিও ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যখন ক্রিজে যান, তখন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ৩০৬ রান। কিছুক্ষণ পর মুশফিকুর রহিমও ফিরে গেলে দলের স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩০৮ রান।এরপর শেষ দিকের ব্যাটারদের সঙ্গে নিয়ে দলের ইনিংস এগিয়ে নেন মিরাজ। ১৫৪ বলে ৬৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন তিনি।এই ইনিংসের মাধ্যমে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নতুন একটি রেকর্ড গড়েছেন মিরাজ। সাত নম্বর বা তার নিচে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস এখন তাঁর।শুধু ব্যাটিং নয়, বল হাতেও বাংলাদেশের অন্যতম সেরা পারফরমার মিরাজ। টেস্টে অভিষেকের পর বাংলাদেশের হয়ে তাঁর উইকেটসংখ্যা ২১৯, যা দেশের বোলারদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। ব্যাট হাতে তাঁর রান ২ হাজার ২৯৬।টেস্টে অভিষেকের পর ২ হাজারের বেশি রান ও ২০০-এর বেশি উইকেট নেওয়ার কীর্তি মিরাজ ছাড়া বিশ্ব ক্রিকেটে আর মাত্র একজন অলরাউন্ডারের রয়েছে। তিনি ভারতের রবীন্দ্র জাদেজা।ডারউইন টেস্টের এখনও দুই দিন বাকি। ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা মিরাজ সামনে আরও কোনো রেকর্ড গড়তে পারেন কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

মিরাজের ব্যাটে রেকর্ড, বাংলাদেশের লিড ২২৮

তুমি আর বাংলাদেশে নেই, মিরাজকে স্টার্ক

ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিনটি বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের দাপটে অস্ট্রেলিয়ার জন্য হতাশার হয়ে উঠেছিল। দিনের শেষভাগে সেই হতাশারই যেন প্রকাশ ঘটল মেহেদী হাসান মিরাজকে ঘিরে। বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডারের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার মিচেল স্টার্ক। পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসতে হয় আম্পায়ার কুমারা ধর্মসেনাকে।ঘটনার সূত্রপাত মিরাজের রান নেওয়া নিয়ে। স্টার্কের করা ২১তম ওভারের পঞ্চম বলে পয়েন্টের দিকে বল ঠেলে রান নিতে ছুটছিলেন মিরাজ। ক্রিকেটের নিয়ম অনুযায়ী, রান নেওয়ার সময় ব্যাটসম্যানদের পিচের মাঝের সুরক্ষিত অংশ এড়িয়ে চলতে হয়। কিন্তু বলের দিকে নজর রাখতে গিয়ে একপর্যায়ে মিরাজ পিচের মাঝ দিয়েই দৌড়ান।বিষয়টি আম্পায়ার ধর্মসেনার নজরে পড়ে। রান শেষ হওয়ার আগেই তিনি মিরাজকে ডেকে সতর্ক করেন। মিরাজও নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, বলের দিকে তাকিয়ে থাকায় সামনে কী ছিল, তা তিনি বুঝতে পারেননি।বিষয়টি সেখানেই শেষ হতে পারত। কিন্তু মিরাজের দিকে ইঙ্গিত করে স্টার্ক কড়া ভাষায় বলেন, ‘উইকেট থেকে সরে যাও। তুমি কিন্তু আর বাংলাদেশে নেই এখন, বুঝেছ?’স্টার্কের সঙ্গে মিরাজের এই বাদানুবাদে মাঠের পরিবেশ কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে আম্পায়ার ধর্মসেনা দুজনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন।তবে ঘটনাটি নিয়ে মিরাজের পক্ষেই কথা বলেছেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক রিকি পন্টিং। চ্যানেল সেভেনের ধারাভাষ্যে তিনি বলেন, মিরাজ ইচ্ছাকৃতভাবে পিচের মাঝ দিয়ে দৌড়াননি।স্টার্কের হতাশ হওয়ার কারণ অবশ্য ছিল। নতুন বলে তিনটি উইকেট তুলে নেওয়ার পর বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন। দিনের শেষদিকে মিরাজ ও হাসান মাহমুদও অস্ট্রেলিয়ার হতাশা আরও বাড়িয়ে দেন।দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ৩৫১ রান করেছে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের লিড এখন ১৫৩ রান। হাতে রয়েছে আরও চার উইকেট। মিরাজ ৩২ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। তাঁর সঙ্গে উইকেটে থাকা হাসান মাহমুদ অপরাজিত ১৩ রানে।

তুমি আর বাংলাদেশে নেই, মিরাজকে স্টার্ক

শান্ত-মুশফিকের ব্যাটে চালকের আসনে বাংলাদেশ

ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দারুণ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম দিনের তিন সেশন ও দ্বিতীয় দিনের প্রথম দুই সেশন-টানা পাঁচ সেশন স্বাগতিকদের ওপর আধিপত্য ধরে রেখেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।শুক্রবার চা বিরতির সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭৮ ওভারে ৩ উইকেটে ২৮৬ রান। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে করা ১৯৮ রানের জবাবে বাংলাদেশ এরই মধ্যে ৮৮ রানের লিড পেয়েছে।দলের এই অবস্থানকে আরও শক্ত করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। চতুর্থ উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটি থেকে এসেছে ৫৫ রান।শতকের কাছাকাছি থাকা শান্ত ৭৯ রানে অপরাজিত রয়েছেন। মুশফিকুর রহিম অপরাজিত আছেন ২৬ রানে। দুজনের ব্যাটে ভর করে বাংলাদেশ এখন আরও বড় লিডের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।এর আগে হাসান মাহমুদের নেতৃত্বে বাংলাদেশের বোলাররা অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে আটকে দেন। এরপর ব্যাটাররাও দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছেন।টানা পাঁচ সেশন আধিপত্য ধরে রাখার পর ডারউইন টেস্টে এখন জয়ের সম্ভাবনাও দেখছে বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত এই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে পারলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ এক জয় পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে শান্তদের সামনে।

শান্ত-মুশফিকের ব্যাটে চালকের আসনে বাংলাদেশ

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভারতিয় ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল

ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেট ও আইপিএলে খেলা উইকেটকিপার-ব্যাটার অভিষেক পোড়েলকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে মঙ্গলবার মগরা থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।অভিযোগকারী কর্ণাটকের এক তরুণী। গত ২৩ জুন মগরা থানায় অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তিনি। ওই তরুণীর দাবি, প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে অভিষেকের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। তাদের বিয়ের পরিকল্পনাও ছিল। সম্পর্ক চলাকালে দুজন একসঙ্গে বিদেশে গিয়েছিলেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে প্রায় দেড় বছর আগে তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। বিষয়টি তখন থানায় গেলেও কোনো অভিযোগ করা হয়নি। পরে গত জুনে ফের পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন ওই তরুণী।পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না—এমন অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। এরপর আদালত পুলিশকে অভিষেককে খুঁজে বের করে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তদন্তের স্বার্থে তার ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।পুলিশের দায়ের করা মামলায় ভারতের নতুন দণ্ডবিধির একাধিক ধারা এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ধারাও যুক্ত করা হয়েছে। মামলায় বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে যৌন সম্পর্ক স্থাপন, ভয় দেখানোসহ আরও কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে।তবে অভিষেক পোড়েল এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। মামলার তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান।ক্রিকেট মাঠে অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে আলোচনায় ছিলেন ২৩ বছর বয়সী অভিষেক। বাংলার হয়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পর আইপিএলে সুযোগ পান তিনি। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়েও খেলেছেন এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভারতিয় ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল

আজ টিভিতে খেলা: আয়ারল্যান্ড-আফগানিস্তান ওয়ানডে, দ্য হান্ড্রেড ও সিপিএল

আজ সোমবার ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য রয়েছে আন্তর্জাতিক ওয়ানডে, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এবং দ্য হান্ড্রেডের ম্যাচ। আয়ারল্যান্ড-আফগানিস্তানের তৃতীয় ওয়ানডের পাশাপাশি সিপিএল ও দ্য হান্ড্রেডের ম্যাচ সরাসরি দেখা যাবে টেলিভিশন ও অনলাইনে।আয়ারল্যান্ড-আফগানিস্তানতৃতীয় ওয়ানডে সরাসরি: বেলা ৩টা ৪৫ মিনিট দেখবেন: ফ্যানকোড অ্যাপসিপিএল ২০২৬অ্যান্টিগুয়া–সেন্ট লুসিয়া সরাসরি: ভোর ৫টা দেখবেন: স্টার স্পোর্টস, ফ্যানকোডদ্য হান্ড্রেড (নারী)ট্রেন্ট রকেটস–সাউদার্ন ব্রেভ সরাসরি: রাত ৮টা দেখবেন: দ্য হান্ড্রেডদ্য হান্ড্রেড (পুরুষ)ট্রেন্ট রকেটস–সাউদার্ন ব্রেভ সরাসরি: রাত ১১টা ৩০ মিনিট দেখবেন: স্টার স্পোর্টস

আজ টিভিতে খেলা: আয়ারল্যান্ড-আফগানিস্তান ওয়ানডে, দ্য হান্ড্রেড ও সিপিএল

সাকিবের দেশে ফেরা নিয়ে অবস্থান বদল, ‘আইনি প্রক্রিয়াতেই ফিরতে হবে’

সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার পর আবারও আলোচনায় আসেন ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। এর পর রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে দেশে ফিরে আদালতে আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে চান।সাকিবের এ বক্তব্যের পর নিজের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। শুক্রবার সন্ধ্যায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সাকিবের দেশে ফেরার আর সুযোগ নেই।প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অনেক নমনীয় ও সহনশীলভাবেই বিষয়টি দেখছিলাম। এরপর আর মনে হয় না, ওইভাবে চিন্তা করার সুযোগ আছে।’তিনি আরও বলেন, সাকিবকে দেশে ফিরতে হলে আইনি প্রক্রিয়াই অনুসরণ করতে হবে। তাঁর ভাষায়, ‘যে স্বৈরাচারের স্টেজে উঠেছে, তার তো আর আসার সুযোগ আছে বলে মনে হয় না। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমরা নমনীয় ছিলাম। এখন আর সেই সুযোগ নেই। সে যদি আসে, তাহলে আইনগতভাবেই আসবে।’এর আগে দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর নিষ্পত্তি হলে তাঁরা আবারও ক্রিকেটে ফিরতে পারেন। সে সময় তাঁদের বিষয়ে সরকারের অবস্থান নমনীয় ও সহনশীল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। তবে সর্বশেষ বক্তব্যে সাকিবকে ঘিরে সরকারের অবস্থান আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

সাকিবের দেশে ফেরা নিয়ে অবস্থান বদল, ‘আইনি প্রক্রিয়াতেই ফিরতে হবে’