ঢাকা    শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
দক্ষিণ কোরিয়ায় স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হবে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি

দক্ষিণ কোরিয়ায় স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হবে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি

দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজু শহরের আন্তর্জাতিক জাদুঘর কমপ্লেক্সে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদান স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ২০২৮ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন এশিয়ান কালচারাল সেন্টারের (এসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কিম সাং-উক।৮ থেকে ১১ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজু শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে চার দিনব্যাপী ‘এশিয়ান কালচার উইক ফেস্টিভ্যাল’। উৎসব চলাকালে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিম সাং-উক বাংলাদেশের সংস্কৃতি সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে তা তুলে ধরার পরিকল্পনার কথা জানান।পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসিসির সম্প্রসারণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে ‘দক্ষিণ এশিয়া জাদুঘর’ প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেখানে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, সংগীত, লোকশিল্প ও সমসাময়িক জীবনযাত্রার বিভিন্ন উপাদান প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আন্তর্জাতিক দর্শকদের কাছে তুলে ধরতে চায় প্রতিষ্ঠানটি।গবেষণায় গুরুত্ব, বাড়বে বই সংগ্রহএসিসির এশিয়ান লাইব্রেরিতে ইতিমধ্যে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিবিষয়ক বই রয়েছে। তবে উচ্চতর গবেষণা এবং তথ্য বিনিময়ের সুযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ থেকে আরও বই ও গবেষণাসামগ্রী সংগ্রহ করতে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানটি।এ উদ্যোগের বিষয়ে হানসুং বিশ্ববিদ্যালয়ের রিয়েল এস্টেট বিভাগের অধ্যাপক ইয়োন গিল ইউ বলেন, আন্তর্জাতিক এই সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ দুই দেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার করতে পারে। পাশাপাশি অর্থনৈতিক, সামাজিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগের নতুন সুযোগও তৈরি হতে পারে।এশীয় সংস্কৃতির আন্তর্জাতিক কেন্দ্র২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এশিয়ান কালচারাল সেন্টার দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। স্থপতি উ ক্যু-সংয়ের ‘ফরেস্ট অব লাইট’ বা ‘আলোর বন’ দর্শনের ভিত্তিতে নির্মিত এই কেন্দ্রে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শিল্প ও সংস্কৃতির বিনিময় হয়।ভূগর্ভে চার তলাবিশিষ্ট এই কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী, গবেষণা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে দেশটির ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিনিময় ও গবেষণার সুযোগও বাড়তে পারে।