ঢাকা    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
২৭৭ কর্মকর্তা উপসচিব পদে পদোন্নতি পেলেন

২৭৭ কর্মকর্তা উপসচিব পদে পদোন্নতি পেলেন

সিনিয়র সহকারী সচিব ও সমপদমর্যাদার ২৭৭ কর্মকর্তাকে উপসচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। সোমবার বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সরকারের উপসচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (উপসচিব) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পদোন্নতির আদেশে উল্লেখ করা কর্মস্থলের পরিবর্তন হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বর্তমানে যে দপ্তর বা কর্মস্থলে কর্মরত আছেন, তার নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করে যোগদানপত্র দিতে হবে।কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরবর্তীতে বিরূপ বা ভিন্ন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী পদোন্নতির আদেশ সংশোধন বা বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করেছে।পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তাদের যোগদানপত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে সরাসরি অথবা অনলাইনে sa1@mopa.gov.bd ঠিকানায় পাঠাতে পারবেন।জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব মো. সেলিম খান

কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মো. সেলিম খান। বুধবার তিনি মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগদান করেন।এর আগে ১১ আগস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে মো. সেলিম খানকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করা হয়।সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্প্রসারণ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মো. সেলিম খান বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা।দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি মাঠ প্রশাসনসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। নতুন দায়িত্বে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেবেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব মো. সেলিম খান

গণপূর্ত বিভাগের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

ঢাকা, ৪ আগস্ট: গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, বদলি ও দরপত্র প্রক্রিয়ায় অনিয়ম এবং জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগকারী পক্ষের দেওয়া অভিযোগপত্র ও সংশ্লিষ্ট নথির বরাতে বলা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন সময়ে বদলি, পদায়ন ও সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করেছেন। পাশাপাশি প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, তিনি আত্মীয়স্বজনের নামে বিভিন্ন স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও ব্যবসায়িক স্বার্থ গড়ে তুলেছেন।অভিযোগে হবিগঞ্জ, ভোলা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সাভারে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সরকারি নির্মাণ প্রকল্প ও ক্রয়প্রক্রিয়ায় অনিয়মের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।এদিকে, তার পৃথক থাকা স্ত্রীর নামে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বক্তব্যেও তার ব্যক্তিগত আচরণ ও সম্পদের মালিকানা নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠে এসেছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত অভিযোগগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের রায় পাওয়া যায়নি।অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোহাম্মদ বদরুল আলম খানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

গণপূর্ত বিভাগের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ