ঢাকা    মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
ঢাবি ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ

ঢাবি ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের তিন নারী শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কয়েকজন নেতাকর্মী হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ছাত্র ইউনিয়নের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের দায়ী করা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় এখনো নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা যায়নি।বুধবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ও রাজু ভাস্কর্যের পেছনের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত ১১টার দিকে ঘটনার প্রতিবাদে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেন ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। একই রাতে ভুক্তভোগী তিন নারী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।কী ঘটেছিলভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, রাত ৮টা ৫৫ মিনিটের দিকে তাঁরা টিএসসি ও রাজু ভাস্কর্যের পেছনের এলাকায় রিকশায় ওঠার সময় কয়েকজন যুবক তাঁদের উদ্দেশে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। প্রতিবাদ করার পরও ওই যুবকেরা উত্ত্যক্ত করা অব্যাহত রাখেন বলে অভিযোগ তাঁদের।এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, রিকশায় ওঠার পর তাঁদের উদ্দেশে বিভিন্ন মন্তব্য করা হয়। প্রতিবাদ জানালে এক যুবক বলেন, ‘সুন্দর জিনিস দেখলে কি দেখব না?’পরে কয়েকজন যুবক তাঁদের রিকশা ঘিরে দাঁড়ান বলে অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী। পরিস্থিতি দেখে তাঁরা পরিচিতদের ফোন করে সহায়তা চান। পরে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে তাঁদের কথা-কাটাকাটি হয়।একপর্যায়ে তাঁদের নিরাপত্তায় ছাত্র ইউনিয়নের কয়েকজন নেতাকর্মী এগিয়ে এলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে সংগঠনটির দাবি। পরে ঘটনাস্থলে আরও লোকজন জড়ো হয়ে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।ছাত্র ইউনিয়নের তিন নেতা আহতছাত্র ইউনিয়নের দাবি, হামলায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকার, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি অন্তু অরিন্দম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. মুস্তাকিম আহত হয়েছেন।সংগঠনটির নেতারা জানান, আহত শিমুল কুম্ভকারকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে। অন্য কয়েকজনও চিকিৎসা নিয়েছেন বলে তাঁরা দাবি করেন।ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর ভাষ্য, ঘটনার সময় কয়েকজন যুবক নিজেদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নন বলে জানিয়েছিলেন। তাঁরা একটি রাজনৈতিক সংগঠনের কর্মীদের ফোন করে ডাকার কথাও বলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।ছাত্র ইউনিয়নের নেতারা দাবি করেন, পরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বহিরাগতদের নিয়ে এসে তাঁদের ওপর হামলা চালান। নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তার প্রতিবাদ করায় এ হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ সংগঠনটির।প্রক্টরের কাছে তিন শিক্ষার্থীর অভিযোগঘটনার পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিন নারী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এতে ঘটনার তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ইসরাফিল রতন বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগে একটি রাজনৈতিক সংগঠনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।তিনি বলেন, ‘সঠিকভাবে আমি তো রিকগনাইজ করতে পারলাম না। আমি বলব যে এটা এই সংগঠন বা ওই সংগঠন, বা বহিরাগত—এভাবে বলার সুযোগ নেই।’সহকারী প্রক্টর আরও বলেন, ঘটনার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হয়েছে। আইনগত ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় কোনো শিথিলতা দেখানোর সুযোগ নেই বলেও তিনি জানান।ছাত্রদলের বক্তব্যঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।তবে সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আলম ভূঁইয়া ইমন বলেন, বামপন্থী শিক্ষার্থীরা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। তাঁরা বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানেন না। হামলাকারীরা ছাত্রদলের নেতাকর্মী কি না, সেটিও নিশ্চিত নয় বলে জানান তিনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলেও জানান তিনি।

নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব’ তুলে ধরা হলো ঢাবির সেমিনারে

ইসলামী শিক্ষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামী শিক্ষা: বর্তমান সমাজের সংকট ও উত্তরণের পথ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিরাজুল ইসলাম লেকচার হলে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।সেমিনারে বক্তারা নৈতিক অবক্ষয়, মূল্যবোধের সংকট ও বিভক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। ব্যক্তি ও সমাজজীবনে নৈতিকতা প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শিক্ষার গুরুত্বের পাশাপাশি জ্ঞান অর্জন, নিয়মিত বই পড়া এবং অর্জিত জ্ঞান দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন তাঁরা।অনুষ্ঠানের শুরুতে শিশুশিল্পীদের কণ্ঠে পবিত্র কোরআনের সূরা আলাকের অংশবিশেষ অর্থসহ তিলাওয়াত করা হয়। পরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভানেত্রী সাবিকুন্নাহার তামান্নার বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সেমিনারের উদ্বোধন হয়। এরপর সেমিনার উপলক্ষে প্রকাশিত ক্রোড়পত্র পাঠ ও নাতে রাসূল (সা.) পরিবেশন করা হয়।সেমিনারে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইতিহাসবিদ, গবেষক ও লেখক জিয়াউল হক। তিনি বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান এবং নিয়মিত বই পড়ার মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেন। অর্জিত জ্ঞান লেখালেখির মাধ্যমে প্রকাশ এবং সমাজের বিভিন্ন অসংগতি নিয়ে গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।পরে কবি আল মাহমুদের ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’ কবিতা আবৃত্তি করা হয়। এরপর একটি কোরাস গান পরিবেশন করা হয়।‘ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব ও ইতিহাস’ বিষয়ে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী। তিনি শহীদ আব্দুল মালেকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের বিভক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা থেকে উত্তরণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।তিনি বলেন, শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান অর্জন নয়; অর্জিত জ্ঞান মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো এবং নৈতিক ও আদর্শিক মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলাও শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।সেমিনারের সমাপনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থার শিক্ষা বিভাগীয় সম্পাদিকা সানিয়া তারান্নুম অর্নি। তিনি নৈতিক চরিত্র গঠনে সীরাতে রাসূল (সা.) অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।সানিয়া তারান্নুম অর্নি বলেন, নৈতিক চরিত্র গঠন ছাড়া জ্ঞান মানুষের জন্য পূর্ণাঙ্গ কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। তাই শিক্ষার সঙ্গে নৈতিকতা ও আদর্শের সমন্বয় প্রয়োজন। ইসলামী শিক্ষার মাধ্যমে সততা, দায়িত্ববোধ, মানবিকতা ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শহীদ আব্দুল মালেকের মায়ের কাছে লেখা একটি চিঠি পাঠ করা হয়। চিঠি পাঠের সময় উপস্থিতদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এর মধ্য দিয়ে ইসলামী শিক্ষা, আদর্শ ও নৈতিকতার জন্য শহীদ আব্দুল মালেকের আত্মত্যাগের স্মৃতি স্মরণ করা হয়।

নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব’ তুলে ধরা হলো ঢাবির সেমিনারে

ডাকসুর আন্তঃহল ফুটবলে ছেলেদের জগন্নাথ, মেয়েদের শামসুন্নাহার চ্যাম্পিয়ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে ও দেশবন্ধু গ্রুপের সহযোগিতায় আয়োজিত আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর ছেলেদের বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জগন্নাথ হল। নারী শিক্ষার্থীদের বিভাগে শিরোপা জিতেছে শামসুন্নাহার হল।শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠে টুর্নামেন্টের দুই বিভাগের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। ছেলেদের বিভাগে বিজয় একাত্তর হল এবং নারী বিভাগে কবি সুফিয়া কামাল হল রানার্সআপ হয়েছে।ছেলেদের ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই শেষে জগন্নাথ হল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ফাইনালে পরাজিত হয়ে রানার্সআপ হয় বিজয় একাত্তর হল।নারী বিভাগের ফাইনালে কবি সুফিয়া কামাল হলকে পেছনে ফেলে শিরোপা নিশ্চিত করে শামসুন্নাহার হল।ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ড. নূরুল ইসলাম বুলবুল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন।বিশেষ অতিথি ছিলেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. শামছুল আলম, দেশবন্ধু ফুড অ্যান্ড বেভারেজের সিওও মো. ইদ্রিসুর রহমান, রিলায়েন্স গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী ফরায়েজী, ডাকসুর সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক শফিকুল ইসলাম মানিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নয়না চৌধুরী।পুরো অনুষ্ঠানে ধারাভাষ্য দেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য ইমরান হোসাইন।আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়াচর্চা ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ানোর পাশাপাশি হলভিত্তিক ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যেই এ টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।ফাইনাল ঘিরে শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের মাঠে খেলোয়াড় ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ দলের সমর্থনে মাঠে উপস্থিত ছিলেন।টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো ডাকসুর ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। ফলে মাঠের বাইরের শিক্ষার্থী ও ক্রীড়াপ্রেমীরাও ম্যাচগুলো দেখার সুযোগ পান।খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬।

ডাকসুর আন্তঃহল ফুটবলে ছেলেদের জগন্নাথ, মেয়েদের শামসুন্নাহার চ্যাম্পিয়ন

ডাকসুর আয়োজনে ‘সিনো-বাংলা ডে’, চীনা প্রতিষ্ঠানে ৪৩০ শিক্ষার্থীর চাকরির সুযোগ

চীনা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘সিনো-বাংলা ডে ২০২৬’। আগামী সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী এ আয়োজন হবে। এতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি চীনা প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে মোট ৪৩০টি চাকরির সুযোগ।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে এবং চীনা দূতাবাসের সহযোগিতায় এ আয়োজন করা হচ্ছে।গতকাল বৃহস্পতিবার ডাকসুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইকবাল হায়দার এসব তথ্য জানান।সরাসরি সিভি জমা দেওয়ার সুযোগআয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘সিনো-বাংলা ডে ২০২৬’-এর অন্যতম আকর্ষণ থাকবে চাকরির সুযোগ। চাকরিপ্রত্যাশী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণকারী চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের কাছে সরাসরি নিজেদের সিভি জমা দিতে পারবেন।একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে চাকরির ধরন, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা, নিয়োগপ্রক্রিয়া ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে জানার সুযোগ থাকবে।জমা দেওয়া সিভিগুলোর ভিত্তিতে প্রাথমিক বাছাইও করা হবে। ফলে একই আয়োজনে চাকরির আবেদন করার পাশাপাশি সম্ভাব্য নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ পাবেন শিক্ষার্থীরা।আয়োজকদের মতে, চীনা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে আগ্রহী তরুণদের জন্য এ আয়োজন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।অংশ নিতে পারবেন অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাওআগামী সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিএসসি প্রাঙ্গণে চলবে ‘সিনো-বাংলা ডে ২০২৬’-এর কার্যক্রম।এতে শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই নয়, দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আগ্রহী শিক্ষার্থীরাও অংশ নিতে পারবেন। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

ডাকসুর আয়োজনে ‘সিনো-বাংলা ডে’, চীনা প্রতিষ্ঠানে ৪৩০ শিক্ষার্থীর চাকরির সুযোগ

যেকোনো সময় ছাত্রদলের নতুন কমিটি, আলোচনায় ঢাবির একাধিক নেতা

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ফেব্রুয়ারিতে। এরপর থেকেই নতুন কমিটি গঠন নিয়ে সংগঠনের ভেতরে আলোচনা চলছে। ছাত্রদলের প্রায় সব সাংগঠনিক ইউনিটের কাজ শেষ করে নতুন নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বর্তমান নেতারা। এখন নতুন নেতৃত্বের হাতে দায়িত্ব হস্তান্তরের অপেক্ষা।ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে তৎপরতাও বেড়েছে। নিজ নিজ বলয়ে যোগাযোগের পাশাপাশি বিএনপির হাইকমান্ডের মনোযোগ পাওয়ার চেষ্টা করছেন অনেকে। তবে নতুন কমিটি গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।২০২৪ সালের ১ মার্চ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেন রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও নাছির উদ্দীন নাছির। সংগঠনের খসড়া গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সংসদের মেয়াদ দুই বছর প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই হিসাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে।ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, তাঁদের কাজ প্রায় শেষ। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখন প্রয়োজন মনে করবেন, তখন নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে।নেতৃত্বে কোন বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছেবিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং দলের প্রতি আনুগত্যকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অতীতের মতো কোনো সিন্ডিকেটের প্রভাব বা ‘পকেট কমিটি’র বদলে পরীক্ষিত ও দক্ষ নেতৃত্ব বাছাইয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, দীর্ঘদিন সময়মতো কমিটি না হওয়ায় ছাত্রদলে নেতৃত্বের একটি জট তৈরি হয়েছে। তাই নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ব্যাচের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। এ কারণে ২০০৮-০৯ থেকে পরবর্তী কয়েকটি শিক্ষাবর্ষের নেতাদের মধ্য থেকে শীর্ষ নেতৃত্ব আসার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা রয়েছে।ঢাবি থেকে যাঁদের নাম আলোচনায়নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে একাধিক নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে।২০০৮-০৯ শিক্ষাবর্ষের নেতাদের মধ্যে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল আলোচনায় রয়েছেন। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার পাশাপাশি তিনি হামলা, মামলা, কারাবরণ ও পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি ছাড়াও কেন্দ্রীয়, বিশ্ববিদ্যালয় ও হল শাখার বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।একই ব্যাচের মনজুরুল আলম রিয়াদ, এবিএম ইজাজুল কবির রুয়েল ও সাফি ইসলামও আলোচনায় রয়েছেন। রিয়াদ বর্তমান কমিটির সহসভাপতি এবং এর আগে কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও অমর একুশে হলের সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। রুয়েল আন্দোলন-সংগ্রামের সময় একাধিক মামলার আসামি হয়ে কারাবরণ করেছেন।২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষের মধ্যে বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান, ২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান ও মোস্তাফিজুর রহমানের নাম রয়েছে।জিসান দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনে সাংগঠনিক ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর দাবি, দল ও নেতাকর্মীদের প্রয়োজনে তিনি নিজের সাধ্যের মধ্যে পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। তবে দলের সিদ্ধান্তই তাঁর কাছে চূড়ান্ত।ফারুক হোসেনকে ক্লিন ইমেজের নেতা ও দক্ষ সংগঠক হিসেবে বর্ণনা করেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। আমানউল্লাহ আমান ঢাবি ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। আন্দোলনের সময় হামলায় আহত হওয়ার পাশাপাশি তিনি মামলায় গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মোস্তাফিজুর রহমান ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী ছিলেন।আরও যাঁদের নিয়ে আলোচনা২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারিকুল ইসলাম তারিক, ঢাবি শাখার সভাপতি গণেশ চন্দ্র সাহস, সিনিয়র সহসভাপতি মাসুম বিল্লাহ মাসুম ও সহসভাপতি আনিসুর রহমান খন্দকার অনিকের নামও আলোচনায় রয়েছে।তারিক আন্দোলন-সংগ্রামে একাধিকবার হামলা, গুলিবিদ্ধ ও গ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দেওয়া দায়িত্ব পালন এবং রাজপথের সক্রিয় ভূমিকার কারণে তাঁকে সাধারণ সম্পাদক পদে বিবেচনার আলোচনা রয়েছে।অনিক ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের মনোনীত জিএস প্রার্থী ছিলেন। আন্দোলনের সময় তিনি গুম ও কারাবরণের শিকার হন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের নেতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহামেদ, গাজী মো. সাদ্দাম হোসেন, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ প্রিন্স এবং ঢাবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের নাম আলোচনায় রয়েছে। বিভিন্ন সমীকরণে রাজু আহামেদ কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক পদের আলোচনায় এগিয়ে আছেন বলে সূত্র জানিয়েছে।রাজু আহামেদ বলেন, নতুন নেতৃত্ব ও নবোদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সারা দেশের ছাত্রদল অপেক্ষা করছে। তাঁদের আশা, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান অচিরেই নতুন কমিটি ঘোষণা করবেন।এ ছাড়া ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের নূর আলম ভূঁইয়া ইমনের নামও আলোচনায় রয়েছে। সিনিয়রদের মধ্যে ২০০৭-০৮ শিক্ষাবর্ষের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাছির ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুমের নাম সভাপতি পদে আলোচনায় এসেছে। তবে নাছির জানিয়েছেন, তিনি নতুন কমিটিতে থাকতে চান না।ঢাবির বাইরেও কয়েকজন আলোচনায়ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে সম্ভাব্য নেতৃত্ব হিসেবে ছাত্রদলের বর্তমান সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল, কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আবু হোরায়রা ও সাধারণ সম্পাদক এম রাজীবুল ইসলাম তালুকদার বিন্দুর নাম রয়েছে।ডা. আউয়াল আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসাসেবায় ভূমিকা রাখার পাশাপাশি রাজপথের কর্মসূচিতেও সক্রিয় ছিলেন। কাজী জিয়াউদ্দিন বাসেত আন্দোলনের সময় মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।রেকর্ডসংখ্যক সাংগঠনিক কমিটিবর্তমান রাকিব-নাছির কমিটির অন্যতম বড় সাফল্য হিসেবে প্রায় সব সাংগঠনিক ইউনিটে কমিটি গঠনের বিষয়টি তুলে ধরছেন নেতারা।ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছিরের ভাষ্য, তাঁদের মেয়াদে প্রায় ২ হাজার ১০০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি করা হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা ও মহানগরের প্রায় সব কমিটিও দেওয়া হয়েছে। পাঁচ থেকে সাতটি কমিটি এখনো চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।তিনি বলেন, দেশের এক হাজারের বেশি নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের কমিটি দিয়ে একটি সাংগঠনিক কাঠামো দাঁড় করানো হয়েছে। বাকি কমিটিগুলোর কাজও শেষ হয়েছে; দল চাইলে সেগুলো জমা দেওয়া যাবে।নাছির আরও বলেন, কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার কাজের সঙ্গে নতুন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি চলমান সাংগঠনিক প্রক্রিয়া, পরবর্তী নেতৃত্ব এসে তা সম্পন্ন করবে।নতুন কমিটি কবে ঘোষণা হবে, সে বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানানো হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, নতুন কমিটি এখন বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিবেচনায় রয়েছে এবং যেকোনো সময় ঘোষণা আসতে পারে।

যেকোনো সময় ছাত্রদলের নতুন কমিটি, আলোচনায় ঢাবির একাধিক নেতা

জামায়াতের জুলাই প্রদর্শনীতে ছাত্রদল নেতা আবিদের সেই আহ্বান

রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সরকারি বাসভবন ‘লাল বাড়ি’তে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে ‘জুলাই এখনও শেষ হয়নি’ শীর্ষক স্থিরচিত্র প্রদর্শনী চলছে। প্রদর্শনীতে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খান আবিদের ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর চাঁনখারপুলে আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে আবিদুল ইসলাম খান আবিদ বলেছিলেন, ‘প্লিজ কেউ কাউকে ছেড়ে যাইয়েন না।’ তাঁর এই আহ্বান সে সময় আন্দোলনকারীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনের উত্তাল সময়ে বাক্যটি পরিচিত হয়ে ওঠে একটি আবেগঘন স্লোগান ও আকুতি হিসেবে।জামায়াত আমিরের সরকারি বাসভবন ‘লাল বাড়ি’তে আয়োজিত প্রদর্শনীতে আবিদের সেই সময়কার ভিডিওও দেখানো হচ্ছে। এতে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের বিভিন্ন ঘটনা ও আন্দোলনকারীদের ভূমিকার পাশাপাশি আবিদের ওই আহ্বানও তুলে ধরা হয়েছে।জিয়াউর রহমানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নএদিকে প্রদর্শনীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ স্থান পেলেও স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে পরিচিত জিয়াউর রহমানের ভূমিকার উল্লেখ না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে।শনিবার প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এর ব্যাখ্যা দেন।তিনি বলেন, প্রদর্শনীতে মূলত কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী শাসনের ধারাবাহিকতা এবং এর বিরুদ্ধে মানুষের আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। জিয়াউর রহমানকে কর্তৃত্ববাদী শাসক হিসেবে বিবেচনা না করায় তাঁর ভাষণ বা ভূমিকা প্রদর্শনীতে রাখা হয়নি।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইতিহাসে যার যে কল্যাণকর অবদান রয়েছে, তা স্বীকার করে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা উচিত। প্রদর্শনীতে ইতিহাসকে নির্মোহ ও বাস্তবভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

জামায়াতের জুলাই প্রদর্শনীতে ছাত্রদল নেতা আবিদের সেই আহ্বান

ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি চালু, তথ্য জানালেন ডাকসু ভিপি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান।পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ডাকসুর তীব্র দাবির মুখে অবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।’সাদিক কায়েম তাঁর পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও ক্লিপও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় মসজিদের এসিগুলো চালু রয়েছে এবং কয়েকজন মুসল্লি সেখানে নামাজ আদায় করছেন।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আলাদা কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি চালু, তথ্য জানালেন ডাকসু ভিপি