ঢাকা    শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
দৈনিক নবকাল
Topic Ads 1
নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই, বাড়ছে ডিম-মাছ-সবজির দাম

নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি নেই, বাড়ছে ডিম-মাছ-সবজির দাম

নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে স্বস্তি নেই সাধারণ মানুষের। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় বেশ কিছু সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে। একই সঙ্গে ডিম, মাছ, মুরগি, আটা ও ময়দার দামও রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী। গতকাল শুক্রবার নয়াবাজার, কারওয়ান বাজার ও কেরাণীগঞ্জের বউবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।নয়াবাজারে খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে কেজি ৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়। এক মাস আগে আটা ছিল ৪৫ ও ময়দা ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেট ময়দা এখন ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, যা এক মাস আগে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। ব্যবসায়ীদের দাবি, ৫০ কেজির ময়দার বস্তার দাম ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ২ হাজার ৮০০ টাকা হয়েছে।ময়দার দাম বাড়ায় বনরুটি ও অন্যান্য বেকারি পণ্যের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তা আপাতত স্থগিত রয়েছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, সব পণ্য আগের দামে মিলছে না।সবজির বাজারেও বেড়েছে দাম। কাঁচামরিচ ১০০-১২০, পটোল ৭০-৮০, লম্বা বেগুন ৮০-৯০, গোল বেগুন ১১০-১৪০, করলা ৮০-১০০, শিম ১৮০-২০০ এবং পেঁপে ৩৫-৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে।ডিমের দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। প্রতি ডজন ডিম এখন ১৫০-১৬০ টাকা, যা ছয় মাস আগে ছিল ১১০-১২০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি ১৯০-২০০, সোনালি ৩৪০-৩৬০ এবং হাইব্রিড মুরগি ৩০০-৩৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ এবং খাসির মাংস ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজিতে প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে।মাছের বাজারেও বাড়তি চাপ রয়েছে। রুই ৪০০-৪২০, কাতলা ৪২০-৪৪০, পাঙাশ ২৫০-৩০০, পাবদা ৪০০-৪৫০, তেলাপিয়া ২৫০-২৬০, চিংড়ি ১ হাজার-১ হাজার ৩০০ এবং দেশি কৈ ৭০০-৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে সরবরাহ বাড়ায় ইলিশের দাম কিছুটা কমে আকারভেদে ৮৫০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।এদিকে চলতি অর্থবছরের বাজেটে চাল, আটা, গম, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, লবণ, চিনি ও ভোজ্যতেলসহ ৬৩টি নিত্যপণ্যে কর কমানো হলেও এর সুফল খুচরা বাজারে মিলছে না বলে অভিযোগ ভোক্তাদের। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধি নাজের হোসাইন আমার দেশকে বলেন, কর কমানোর পরও খুচরা পর্যায়ে পণ্যের দাম কমেনি। বিষয়টি সরকারের গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন।